২৪ ঘণ্টার মধ্যে সাগরে লঘুচাপের আভাস, শনিবার পর্যন্ত দেশজুড়ে বৃষ্টির পূর্বাভাস
- আপডেট সময় : ০৮:১৫:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে

আবহাওয়া অধিদপ্তরের ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখের ১৯: ৪৬ মিনিটের (09-09-2026, 19:46) বুলেটিন অনুযায়ী, বঙ্গোপসাগরে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এর প্রভাবে আগামী শনিবার পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন স্থানে অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে।
বুধবার বিকেলে আবহাওয়াবিদ ড. ওমর ফারুক জানান, লঘুচাপটি সৃষ্টি হলেও এর কারণে অতি ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা কম। তবে আগামী শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত দেশের সব বিভাগেই কম-বেশি বৃষ্টি হবে, যার মধ্যে উপকূলীয় অঞ্চলে বৃষ্টির তীব্রতা কিছুটা বেশি থাকতে পারে। এরপর আগামী রবিবার থেকে বৃষ্টিপাতের এই প্রবণতা ক্রমান্বয়ে কমে আসতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের বুধবার সন্ধ্যা ছয়টার বুলেটিন অনুযায়ী, মৌসুমি বায়ুর অক্ষ রাজস্থান, উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত অবস্থান করছে। বর্তমানে মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর কম সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় লঘুচাপটি তৈরি হতে পারে।
বৃহস্পতিবারের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে। তবে এ সময় সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে।
শুক্রবারের আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও ঢাকা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। দেশের কিছু স্থানে মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণের সম্ভাবনাও রয়েছে। শনিবারও আবহাওয়ার একই ধরনের পরিস্থিতি বজায় থাকতে পারে।
এদিকে, বুধবার সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত রাজধানী ঢাকায় ১০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। দেশের অন্যান্য স্থানে তেমন উল্লেখযোগ্য বৃষ্টি না হলেও দিনাজপুরে সর্বোচ্চ ৩২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। আবহাওয়াবিদদের ধারণা, বৃহস্পতিবার থেকেই মূলত লঘুচাপের প্রভাবে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে।

























