দেশ অনিয়ম ও দুর্নীতিতে জর্জরিত: এটিএম আজহার
- আপডেট সময় : ০৫:১৮:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১০ বার পড়া হয়েছে

প্রকাশ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭: ০৮। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও রংপুর-২ (বদরগঞ্জ-তারাগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য এটিএম আজহারুল ইসলাম মন্তব্য করেছেন যে, দুর্নীতি, অনিয়ম এবং স্বেচ্ছাচারিতা দেশটাকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। সোমবার দুপুরে রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রতিবন্ধীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতি থেকে বের হতে না পারার কারণেই সুন্দর এই বাংলাদেশ পিছিয়ে পড়ছে। নেতাদের ওয়াদা ভঙ্গ এবং জনগণের কথা চিন্তা না করার মানসিকতার সমালোচনা করে তিনি বলেন, সমন্বয়হীনতা এবং জনগণকে উপেক্ষা করে নিজের স্বার্থকে বড় করে দেখার কারণে দেশে অরাজকতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
১১ দলীয় জোটের লংমার্চের প্রসঙ্গ টেনে এটিএম আজহার বলেন, গত ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত লংমার্চের দাবিগুলো জনগণের দাবি, জোটের কোনো ব্যক্তিগত দাবি নয়। তিনি বিদ্যুৎ সংকট, তেলের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি, গ্যাস সরবরাহের অভাবে শিল্প-কলকারখানা বন্ধ হওয়া এবং সারের সংকটে কৃষকদের দিশেহারা পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে সরকারের অব্যবস্থাপনা ও স্বেচ্ছাচারিতার তীব্র সমালোচনা করেন।
জুলাই আন্দোলনের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি দাবি করেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে ৭০ শতাংশ মানুষ জুলাইয়ের পক্ষে রায় দিয়েছিল, কিন্তু সরকার সেই রায় ভুলে গেছে। তিনি অভিযোগ করেন, সংসদে তিন অধিবেশন পার হলেও সরকার জুলাই সনদ বাস্তবায়নে আগ্রহী নয় এবং ওয়াকআউটের পরও সরকার নিজেদের ইচ্ছামতো বিল পাস করেছে। লংমার্চে জনগণের ব্যাপক সাড়া পাওয়ার দাবি করে তিনি বলেন, সরকার দাবি না মানলে ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে রংপুর লংমার্চসহ বিভাগীয় শহরগুলোতে কর্মসূচি পালন শেষে ঢাকায় সরকার পতনের আন্দোলন শুরু হবে।
সংবিধানের প্রশ্নে তিনি বলেন, জনগণের রায়ে সংবিধান তৈরি হয়, তাই সংবিধানের চেয়ে জনগণ বড়। তিনি আরও বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন সংবিধানসম্মত ছিল কি না তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।
এর আগে সকালে তিনি বদরগঞ্জ উপজেলা চত্বরের পুকুরে পোনা মাছ অবমুক্ত করেন এবং মৎস্য চাষিদের মাঝে পোনা বিতরণ করেন। এ সময় সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক পরিমল চক্রবর্তী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আনজুমান সুলতানা, উপজেলা জামায়াতের আমির কামরুজ্জামান, নায়েবে আমির রুস্তম আলী, টিএইচও ডা. আরেফিন, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা রাশিদুল ইসলাম ও ভেটেরিনারি সার্জন ডা. আবু মুসাসহ প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।




























