ঢাকা ০৭:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে মশারির ওপর বিষধর কালাচ সাপ

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০২:৪৬:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ শামসুজ্জোহা আবাসিক হলের ১২১ নম্বর কক্ষে বিষধর একটি সাপ পাওয়া গেছে। গত শুক্রবার গভীর রাতে ওই কক্ষে অবস্থানরত ফার্মেসি বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী রাব্বি রেজার মশারির ওপর সাপটি কুণ্ডলী পাকিয়ে ছিল।

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে রাব্বি রেজা জানান, রাত দুইটার দিকে ঘুমের মধ্যে মশারির ওপর কিছু একটা নড়াচড়া করছে বুঝতে পারেন তিনি। সাপের ওজনে মশারিটি তাঁর হাঁটুর কাছাকাছি নেমে এসেছিল। আতঙ্কিত রাব্বি ফোনের আলো জ্বালিয়ে দেখেন, সেখানে বিষধর সাপটি রয়েছে। তিনি জানান, সাপটি দেখে তিনি অত্যন্ত আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।

খবর পেয়ে ‘সোয়ান’ নামের একটি সংগঠন সাপটি উদ্ধার করে। উদ্ধারকারীরা জানান, সাপটি ‘কালাচ’ প্রজাতির, যা ‘কমন ক্রেইট’ বা কালকেউটে নামেও পরিচিত। সোয়ানের সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ হোসাইন জানান, এই সাপের বিষ অত্যন্ত শক্তিশালী এবং এটি মূলত স্নায়ুতন্ত্রে আঘাত করে। তিনি আরও জানান, এই সাপের কামড়ের পর শুরুতে ব্যথা বা দাগ খুব কম থাকে, ফলে আক্রান্ত ব্যক্তি অনেক সময় বুঝতেই পারেন না যে তাঁকে বিষধর সাপে কামড়েছে।

এদিকে এই ঘটনায় হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পাশের কক্ষের শিক্ষার্থী মো. শাকিল আহমেদ জানান, ঘটনার পর তিনি প্রাধ্যক্ষের সঙ্গে দেখা করেছেন এবং হলের চারপাশের অপরিচ্ছন্ন পরিবেশের কারণে সাপের অভয়ারণ্য হয়ে ওঠার বিষয়টি তুলে ধরেছেন।

শহীদ শামসুজ্জোহা হলের প্রাধ্যক্ষ মো. আল আমিন সরকার জানান, হলের পেছনের জঙ্গল পরিষ্কার করার কাজ গত সপ্তাহেই করা হয়েছে। তাঁর ধারণা, সাপের বাসস্থান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সেগুলো লোকালয়ে ঢুকে পড়ছে। এ বিষয়ে বাড়তি সতর্কতা ও ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানিয়েছেন তিনি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে মশারির ওপর বিষধর কালাচ সাপ

আপডেট সময় : ০২:৪৬:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ শামসুজ্জোহা আবাসিক হলের ১২১ নম্বর কক্ষে বিষধর একটি সাপ পাওয়া গেছে। গত শুক্রবার গভীর রাতে ওই কক্ষে অবস্থানরত ফার্মেসি বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী রাব্বি রেজার মশারির ওপর সাপটি কুণ্ডলী পাকিয়ে ছিল।

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে রাব্বি রেজা জানান, রাত দুইটার দিকে ঘুমের মধ্যে মশারির ওপর কিছু একটা নড়াচড়া করছে বুঝতে পারেন তিনি। সাপের ওজনে মশারিটি তাঁর হাঁটুর কাছাকাছি নেমে এসেছিল। আতঙ্কিত রাব্বি ফোনের আলো জ্বালিয়ে দেখেন, সেখানে বিষধর সাপটি রয়েছে। তিনি জানান, সাপটি দেখে তিনি অত্যন্ত আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।

খবর পেয়ে ‘সোয়ান’ নামের একটি সংগঠন সাপটি উদ্ধার করে। উদ্ধারকারীরা জানান, সাপটি ‘কালাচ’ প্রজাতির, যা ‘কমন ক্রেইট’ বা কালকেউটে নামেও পরিচিত। সোয়ানের সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ হোসাইন জানান, এই সাপের বিষ অত্যন্ত শক্তিশালী এবং এটি মূলত স্নায়ুতন্ত্রে আঘাত করে। তিনি আরও জানান, এই সাপের কামড়ের পর শুরুতে ব্যথা বা দাগ খুব কম থাকে, ফলে আক্রান্ত ব্যক্তি অনেক সময় বুঝতেই পারেন না যে তাঁকে বিষধর সাপে কামড়েছে।

এদিকে এই ঘটনায় হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পাশের কক্ষের শিক্ষার্থী মো. শাকিল আহমেদ জানান, ঘটনার পর তিনি প্রাধ্যক্ষের সঙ্গে দেখা করেছেন এবং হলের চারপাশের অপরিচ্ছন্ন পরিবেশের কারণে সাপের অভয়ারণ্য হয়ে ওঠার বিষয়টি তুলে ধরেছেন।

শহীদ শামসুজ্জোহা হলের প্রাধ্যক্ষ মো. আল আমিন সরকার জানান, হলের পেছনের জঙ্গল পরিষ্কার করার কাজ গত সপ্তাহেই করা হয়েছে। তাঁর ধারণা, সাপের বাসস্থান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সেগুলো লোকালয়ে ঢুকে পড়ছে। এ বিষয়ে বাড়তি সতর্কতা ও ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানিয়েছেন তিনি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo