বাংলাদেশ রেলওয়ের সাথে শুরু থেকেই যুক্তরাষ্ট্র অংশীদার: মার্কিন রাষ্ট্রদূত
- আপডেট সময় : ০৯:০৬:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে

প্রকাশ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১: ০৩। বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন বলেছেন, বাংলাদেশ রেলওয়ের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র শুরুর দিক থেকেই অংশীদার হিসেবে যুক্ত রয়েছে। মঙ্গলবার বিকালে নীলফামারীর সৈয়দপুর রেলওয়ে স্টেশনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান। রাষ্ট্রদূত উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশের বিভিন্ন ট্রেনের লোকোমোটিভ বা ইঞ্জিন যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান প্রোগ্রেস রেলের তৈরি। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বছরের পর বছর ধরে বাংলাদেশ রেলওয়েকে চমৎকার প্রযুক্তি ও প্রকৌশল সেবা দিয়ে আসছে।
মার্কিন রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, আমি দেখেছি যুক্তরাষ্ট্রের সেই প্রযুক্তি এবং লোকোমোটিভগুলো, যেগুলো দীর্ঘ সময় ধরে বাংলাদেশের মানুষকে সেবা দিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তিগত অংশীদারত্ব প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমাদের এই সম্পর্কের মূল ভিত্তি হলো যুক্তরাষ্ট্রের আধুনিক প্রযুক্তি এবং বাংলাদেশিদের দক্ষতা ও নিষ্ঠার সমন্বয়। প্রোগ্রেস রেল ও ওয়েবটেকের মতো সেরা আমেরিকান প্রতিষ্ঠানগুলো ভবিষ্যতে বাংলাদেশের সঙ্গে এই অংশীদারত্ব অব্যাহত রাখতে অত্যন্ত আগ্রহী।
সৈয়দপুর পরিদর্শনের সময় রাষ্ট্রদূত স্থানীয় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান ঘুরে দেখেন, যার মধ্যে সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানা, ঐতিহাসিক চিনি মসজিদ ও সৈয়দপুর খ্রিষ্টান চার্চ অন্যতম। তার সফরসঙ্গী হিসেবে ছিলেন সহধর্মিণী মিস এনগক ডিন ডাও, মার্কিন দূতাবাসের কর্মকর্তা মিস নিকোল ক্ল্যারিসা বেসনার্ড, মি. সৈয়দ ফাইজুস সালেহিন এবং রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ মি. ফিরোজ আহমেদ। এ সময় নীলফামারী জেলার অতিরিক্ত প্রশাসক (সার্বিক) নুজহাত তাসনিম আওন, সৈয়দপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ওহিদুর নবী, রেলওয়ে কারখানার বিভাগীয় তত্ত্বাবধায়ক শাহ সুফী নুর মোহাম্মদ, ডাব্লু এম মমতাজুল ইসলাম এবং সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারাহ ফাতেহা তাকিমলাসহ স্থানীয় কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার সকালের দিকে রাষ্ট্রদূত ঠাকুরগাঁওয়ের লোকায়ন জীববৈচিত্র্য জাদুঘর পরিদর্শন করেন। এরপর তিনি দিনাজপুরের কান্তজিউ মন্দির ও নয়াবাদ মসজিদ এবং দুপুর ১টার দিকে পার্বতীপুর রেলওয়ে স্টেশন সংলগ্ন কেন্দ্রীয় লোকোমোটিভ কারখানা (কেলোকা ১২৬৫) পরিদর্শন করেন। সবশেষে বিকেল ৩টায় তিনি পার্বতীপুর থেকে প্রেসিডেন্ট সেলুন কোচে করে সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানা ও জাদুঘরে পৌঁছান।

























