ঢাকা ০৭:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ক্রিকেটার রবিন দাসের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ, আদালতে হাজিরা ৯ অক্টোবর বিকাশ, রবিসহ ৪ ডিজিটাল ব্যাংককে প্রাথমিক অনুমোদন দিল বাংলাদেশ ব্যাংক শাহ আলীতে পলিথিন ব্যাগ থেকে নবজাতক উদ্ধার, ৯৯৯-এ ফোন সৌদি আরবের বিভিন্ন এলাকায় সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় উচ্চ সতর্কতা রাজশাহীতে মাদকাসক্ত ছেলের হাসুয়ার কোপে মা নিহত, বাবা আহত সিভিল জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত গোবিপ্রবির ৫ শিক্ষার্থী মক্কা-জেদ্দাসহ সৌদির বিভিন্ন এলাকায় সিভিল ডিফেন্সের সতর্কতা জারি আ.লীগ ফিরলে জামায়াত নেতাদের আবারও ফাঁসি দেবে: রাশেদ খাঁন মানুষের প্রতি ভালোবাসা ও সহমর্মিতা ইসলামের চিরন্তন শিক্ষা এমপি গাজী নজরুল আবারও রিমান্ডে, এবার ৪ দিনের

খুব অল্প সময়ের মধ্যেই লোডশেডিং কমে আসবে জানালেন তথ্য উপদেষ্টা

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০১:৪৯:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১০ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



দেশে চলমান বিদ্যুৎ সংকট ও লোডশেডিং খুব অল্প সময়ের মধ্যেই উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। তিনি উল্লেখ করেন, এবার বিদ্যুৎ সংকটের চাপ শহর ও গ্রামাঞ্চলের মধ্যে তুলনামূলকভাবে সুষমভাবে ভাগ করে দেওয়া হচ্ছে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তথ্য উপদেষ্টা এই তথ্য জানান। তিনি বলেন, আগে ঢাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে গ্রামাঞ্চলে তুলনামূলক বেশি লোডশেডিং দেওয়া হতো। তবে বর্তমান সরকার এই সংকটের বোঝা সবার মধ্যে সমানভাবে ভাগ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বড় শহরগুলোতে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বেশি থাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহে অগ্রাধিকার দেওয়ার একটি নীতিগত প্রবণতা থাকে। কিন্তু সংকটের সময়ে সবাইকে এই চাপ ভাগ করে নিতে হবে, আর এ কারণেই বর্তমানে ঢাকাতেও লোডশেডিং হচ্ছে।

চলমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের নেওয়া পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে জাহেদ উর রহমান বলেন, গ্রামাঞ্চলে লোডশেডিং সহনীয় পর্যায়ে রাখতে এবং কোনো নির্দিষ্ট এলাকায় দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎহীন অবস্থা এড়াতে ঢাকার ডিপিডিসি ও ডেসকো এলাকায় প্রয়োজন অনুযায়ী লোডশেডিং সমন্বয় করা হচ্ছে। এখান থেকে সাশ্রয় হওয়া বিদ্যুৎ দেশের অন্যান্য অঞ্চল ও গ্রামাঞ্চলে পুনর্বণ্টন করা হচ্ছে।

তথ্য উপদেষ্টা আরও জানান, আওয়ামী লীগ সরকার ও পরবর্তী অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ‘নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ’ সরবরাহের দাবির বিপরীতে বাস্তবে কতটা লোডশেডিং হয়েছিল, সেই তথ্য শিগগিরই প্রকাশ করা হবে। অতীতে কত মেগাওয়াট লোডশেডিং হয়েছে, তা নিয়ে তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের কাজ চলছে এবং আগামী সপ্তাহে এ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হতে পারে। তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর মানুষের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পাওয়ায় বিদ্যুতের চাহিদাও বেড়েছে, যা অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে তুলনামূলক কম ছিল।

বিদ্যুৎ ঘাটতির মূল কারণগুলো তুলে ধরে জাহেদ উর রহমান বলেন, জ্বালানি সংকট, বিদ্যুৎকেন্দ্রে আকস্মিক যান্ত্রিক ত্রুটি, রক্ষণাবেক্ষণজনিত সমস্যা, সঞ্চালন গ্রিডের সীমাবদ্ধতা এবং দ্রুত বাড়তে থাকা চাহিদার কারণেই এই সংকট তৈরি হয়েছে। তবে সংকট সমাধানে সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে যার সুফল দ্রুতই মিলবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

খুব অল্প সময়ের মধ্যেই লোডশেডিং কমে আসবে জানালেন তথ্য উপদেষ্টা

আপডেট সময় : ০১:৪৯:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশে চলমান বিদ্যুৎ সংকট ও লোডশেডিং খুব অল্প সময়ের মধ্যেই উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। তিনি উল্লেখ করেন, এবার বিদ্যুৎ সংকটের চাপ শহর ও গ্রামাঞ্চলের মধ্যে তুলনামূলকভাবে সুষমভাবে ভাগ করে দেওয়া হচ্ছে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তথ্য উপদেষ্টা এই তথ্য জানান। তিনি বলেন, আগে ঢাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে গ্রামাঞ্চলে তুলনামূলক বেশি লোডশেডিং দেওয়া হতো। তবে বর্তমান সরকার এই সংকটের বোঝা সবার মধ্যে সমানভাবে ভাগ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বড় শহরগুলোতে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বেশি থাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহে অগ্রাধিকার দেওয়ার একটি নীতিগত প্রবণতা থাকে। কিন্তু সংকটের সময়ে সবাইকে এই চাপ ভাগ করে নিতে হবে, আর এ কারণেই বর্তমানে ঢাকাতেও লোডশেডিং হচ্ছে।

চলমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের নেওয়া পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে জাহেদ উর রহমান বলেন, গ্রামাঞ্চলে লোডশেডিং সহনীয় পর্যায়ে রাখতে এবং কোনো নির্দিষ্ট এলাকায় দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎহীন অবস্থা এড়াতে ঢাকার ডিপিডিসি ও ডেসকো এলাকায় প্রয়োজন অনুযায়ী লোডশেডিং সমন্বয় করা হচ্ছে। এখান থেকে সাশ্রয় হওয়া বিদ্যুৎ দেশের অন্যান্য অঞ্চল ও গ্রামাঞ্চলে পুনর্বণ্টন করা হচ্ছে।

তথ্য উপদেষ্টা আরও জানান, আওয়ামী লীগ সরকার ও পরবর্তী অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ‘নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ’ সরবরাহের দাবির বিপরীতে বাস্তবে কতটা লোডশেডিং হয়েছিল, সেই তথ্য শিগগিরই প্রকাশ করা হবে। অতীতে কত মেগাওয়াট লোডশেডিং হয়েছে, তা নিয়ে তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের কাজ চলছে এবং আগামী সপ্তাহে এ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হতে পারে। তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর মানুষের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পাওয়ায় বিদ্যুতের চাহিদাও বেড়েছে, যা অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে তুলনামূলক কম ছিল।

বিদ্যুৎ ঘাটতির মূল কারণগুলো তুলে ধরে জাহেদ উর রহমান বলেন, জ্বালানি সংকট, বিদ্যুৎকেন্দ্রে আকস্মিক যান্ত্রিক ত্রুটি, রক্ষণাবেক্ষণজনিত সমস্যা, সঞ্চালন গ্রিডের সীমাবদ্ধতা এবং দ্রুত বাড়তে থাকা চাহিদার কারণেই এই সংকট তৈরি হয়েছে। তবে সংকট সমাধানে সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে যার সুফল দ্রুতই মিলবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh