এশিয়ার নোবেলখ্যাত র্যামন ম্যাগসাইসাই পুরস্কার পেলেন বাংলাদেশের রুনা খান
- আপডেট সময় : ১০:১৭:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬ ১৪ বার পড়া হয়েছে

এশিয়ার নোবেল হিসেবে খ্যাত মর্যাদাপূর্ণ র্যামন ম্যাগসাইসাই পুরস্কার পেয়েছেন বাংলাদেশের রুনা খান। তিনি বেসরকারি সংস্থা ফ্রেন্ডশিপের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক। সোমবার ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় অবস্থিত র্যামন ম্যাগসাইসাই অ্যাওয়ার্ড ফাউন্ডেশন ২০২৬ সালের বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করে। রুনা খানের সঙ্গে এবার সিঙ্গাপুরের টমি কোহ ও মিয়ানমারের বো চিকেও এই পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়েছে।
২০০২ সালে রুনা খান ফ্রেন্ডশিপ প্রতিষ্ঠা করেন। সংস্থাটি একটি আন্তর্জাতিক সামাজিক উদ্দেশ্যভিত্তিক প্রতিষ্ঠান (এসপিও) হিসেবে পরিচিত। ফ্রেন্ডশিপ এমন একটি বিশ্ব গড়ার লক্ষ্যে কাজ করে, যেখানে প্রান্তিক ও উপেক্ষিত জনগোষ্ঠীর মানুষ মর্যাদা ও আশার সাথে বেঁচে থাকার সমান সুযোগ পাবে। গত ২০ বছরের বেশি সময় ধরে সংস্থাটি সামাজিক সমস্যা মোকাবিলা ও পরিবেশগত সংকট, চরম দারিদ্র্য এবং বৈষম্যের মতো বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জের মুখে মানুষের সেবায় কাজ করে যাচ্ছে।
র্যামন ম্যাগসাইসাই ফিলিপাইনের সপ্তম প্রেসিডেন্ট ছিলেন। ১৯৫৭ সালের ১৭ মার্চ এক উড়োজাহাজ দুর্ঘটনায় তাঁর মৃত্যুর পর একই বছর এই ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৫৮ সালে প্রথমবারের মতো এই পুরস্কার দেওয়া শুরু হয়। প্রতিবছর ৩১ আগস্ট, যা ম্যাগসাইসাইয়ের জন্মদিন, এই সম্মাননা বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। এবার তাঁর ১১৯তম জন্মবার্ষিকীতে ৬৮তম র্যামন ম্যাগসাইসাই পুরস্কার উৎসবের সূচনা হলো। আগামী ১৫ নভেম্বর ম্যানিলার মেট্রোপলিটন থিয়েটারে আয়োজিত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিজয়ীদের হাতে সম্মাননা তুলে দেওয়া হবে।
র্যামন ম্যাগসাইসাই অ্যাওয়ার্ড ফাউন্ডেশনের মতে, ২০২৬ সালের বিজয়ীদের এমন কাজের জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে, যা ম্যাগসাইসাইয়ের নেতৃত্বের চিরস্থায়ী মূল্যবোধের প্রতিফলন ঘটায়। এর মধ্যে রয়েছে অন্যের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখা, সম্প্রদায়ের জন্য সুযোগ সৃষ্টি করা এবং মানুষকে নিজেদের ভবিষ্যৎ নিজেরাই গড়ে তুলতে সহায়তা করা। ২০০০ সাল থেকে উদীয়মান নেতৃত্ব শ্রেণিতেও পুরস্কার দেওয়া শুরু হয়, তবে ২০০৯ সাল থেকে পুরস্কারটি নির্দিষ্ট কোনো শ্রেণিতে সীমাবদ্ধ রাখা হয়নি।
এর মধ্যে রয়েছে অন্যের সেবায় নিয়োজিত থাকা, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের জন্য সুযোগ সৃষ্টি করা এবং মানুষকে নিজেদের ভবিষ্যৎ নিজেরাই গড়ে নিতে সহায়তা করা।.বাংলাদেশি নৌকার প্রেমে এক ফরাসি.২০০৮ সাল পর্যন্ত প্রতিবছর এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার দেওয়া হতো মোট ছয় শ্রেণিতে।



























