ঢাকা ০৩:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সাবেক এসবি প্রধান মনিরুল ও পরিবারের ৮৩ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের ২০২৭ সালের সভাপতি হচ্ছে পাকিস্তান অস্তিত্বের সংকটে সিরাজগঞ্জের ঐতিহাসিক বারুহাস ইমামবাড়ি ও তিন গম্বুজ মসজিদ গুলশানে অবৈধ মদের কারবার, ২৪৪ লিটার মদ ও বিয়ারসহ আটক ১ কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী যৌথ অভিযানে আটক ৫১৯ মাদারীপুরের শিবচরে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বিএনপি নেতা নিহত রাজধানীর ছয় রুটে একক কোম্পানির বাস চালুর সিদ্ধান্ত নেত্রকোনায় দুর্বৃত্তের গুলিতে সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান নিহত রিয়াদের কিং খালিদ বিমানবন্দরে হুতিদের ২০ হামলায় নিহত ১৭ যুক্তরাষ্ট্রে স্কুলে বন্দুকধারীর হামলা, নিহত ৩ শিশু ও শিক্ষক

চীনের সঙ্গে প্রতিরক্ষা ও কূটনৈতিক সংলাপ শুরু করতে প্রস্তুত ঢাকা

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৭:১৮:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬ ১৬ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চীনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় ও গভীর করার লক্ষ্যে কূটনীতি ও প্রতিরক্ষা বিষয়ে নতুন সংলাপ শুরুর উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে স্ট্র্যাটেজিক ডায়ালগ দ্রুত চালুর বিষয়েও দুই দেশ আলোচনা করেছে। রোববার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতকালে পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবির এসব বিষয়ে আলোকপাত করেন।

বৈঠকে হুমায়ুন কবির চীনকে বাংলাদেশের বিশ্বস্ত বন্ধু ও মূল্যবান কৌশলগত অংশীদার হিসেবে অভিহিত করে ওয়ান চায়না নীতির প্রতি ঢাকার সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। নতুন এই কূটনীতি ও প্রতিরক্ষা সংলাপটি কার্যত ‘২+২’ কাঠামোর দিকে এগিয়ে যাওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে। এর আগে জুনে প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের সময় দুই দেশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে কৌশলগত সংলাপ এবং কূটনীতি ও প্রতিরক্ষা বিষয়ে ২+২ সংলাপের কাঠামো অনুসন্ধানে ঐকমত্যে পৌঁছেছিল।

আলোচনায় তিস্তা নদীর সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্পটি বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। দুই দেশ যৌথভাবে সম্ভাব্যতা যাচাই, বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নদীভাঙন প্রতিরোধ, সেচ ব্যবস্থাপনা এবং নদী খননের মতো সমন্বিত পানি ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতার বিষয়ে একমত হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশের কাঁঠাল ও পেয়ারা চীনের বাজারে রপ্তানির প্রক্রিয়া শুরুর বিষয়টিও বৈঠকে স্থান পেয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ-চীন-মিয়ানমার অর্থনৈতিক করিডর এবং রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীনের সহযোগিতার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হয়েছে।

চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক চীন সফরের সফল বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। এর মধ্যে চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোনের (CEIZ) ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং মোংলা বন্দর আধুনিকায়নের বাণিজ্যিক চুক্তি উল্লেখযোগ্য। CEIZ-এ প্রায় ৫০ কোটি ডলার বিনিয়োগের মাধ্যমে প্রায় ৩০টি চীনা প্রতিষ্ঠান যুক্ত হতে পারে, যা ১ লাখ স্থানীয় কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়া মোংলা বন্দরে রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড) প্রতিষ্ঠায় চীনের সম্ভাব্য সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা চলছে।

কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদারের অংশ হিসেবে রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন চলতি বছরের অক্টোবরে হুমায়ুন কবিরকে চীন সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। এছাড়া চীনের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগিতা সংস্থা, কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগ এবং ইউনান প্রদেশের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের বাংলাদেশ সফরের পরিকল্পনা রয়েছে বলেও বৈঠকে জানানো হয়।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

চীনের সঙ্গে প্রতিরক্ষা ও কূটনৈতিক সংলাপ শুরু করতে প্রস্তুত ঢাকা

আপডেট সময় : ০৭:১৮:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬

চীনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় ও গভীর করার লক্ষ্যে কূটনীতি ও প্রতিরক্ষা বিষয়ে নতুন সংলাপ শুরুর উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে স্ট্র্যাটেজিক ডায়ালগ দ্রুত চালুর বিষয়েও দুই দেশ আলোচনা করেছে। রোববার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতকালে পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবির এসব বিষয়ে আলোকপাত করেন।

বৈঠকে হুমায়ুন কবির চীনকে বাংলাদেশের বিশ্বস্ত বন্ধু ও মূল্যবান কৌশলগত অংশীদার হিসেবে অভিহিত করে ওয়ান চায়না নীতির প্রতি ঢাকার সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। নতুন এই কূটনীতি ও প্রতিরক্ষা সংলাপটি কার্যত ‘২+২’ কাঠামোর দিকে এগিয়ে যাওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে। এর আগে জুনে প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের সময় দুই দেশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে কৌশলগত সংলাপ এবং কূটনীতি ও প্রতিরক্ষা বিষয়ে ২+২ সংলাপের কাঠামো অনুসন্ধানে ঐকমত্যে পৌঁছেছিল।

আলোচনায় তিস্তা নদীর সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্পটি বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। দুই দেশ যৌথভাবে সম্ভাব্যতা যাচাই, বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নদীভাঙন প্রতিরোধ, সেচ ব্যবস্থাপনা এবং নদী খননের মতো সমন্বিত পানি ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতার বিষয়ে একমত হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশের কাঁঠাল ও পেয়ারা চীনের বাজারে রপ্তানির প্রক্রিয়া শুরুর বিষয়টিও বৈঠকে স্থান পেয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ-চীন-মিয়ানমার অর্থনৈতিক করিডর এবং রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীনের সহযোগিতার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হয়েছে।

চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক চীন সফরের সফল বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। এর মধ্যে চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোনের (CEIZ) ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং মোংলা বন্দর আধুনিকায়নের বাণিজ্যিক চুক্তি উল্লেখযোগ্য। CEIZ-এ প্রায় ৫০ কোটি ডলার বিনিয়োগের মাধ্যমে প্রায় ৩০টি চীনা প্রতিষ্ঠান যুক্ত হতে পারে, যা ১ লাখ স্থানীয় কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়া মোংলা বন্দরে রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড) প্রতিষ্ঠায় চীনের সম্ভাব্য সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা চলছে।

কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদারের অংশ হিসেবে রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন চলতি বছরের অক্টোবরে হুমায়ুন কবিরকে চীন সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। এছাড়া চীনের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগিতা সংস্থা, কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগ এবং ইউনান প্রদেশের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের বাংলাদেশ সফরের পরিকল্পনা রয়েছে বলেও বৈঠকে জানানো হয়।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh