নবীনগরে ওয়াজ মাহফিলকে কেন্দ্র করে হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ
- আপডেট সময় : ০৬:৫১:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার পশ্চিম ইউনিয়নের চরলাপাং গ্রামে ওয়াজ মাহফিলে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মারামারির পর আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশি অস্ত্র নিয়ে বাড়িঘরে হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। রোববার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে চরলাপাং গ্রামের মেঘনা নদী তীরবর্তী এলাকায় এই ঘটনা ঘটে, যা এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ও উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও এলাকাবাসীর অভিযোগ, রোববার রাতে চরলাপাং গ্রামে ওয়াজ মাহফিল শুনতে আসা পার্শ্ববর্তী রায়পুরা উপজেলার মির্জাচর গ্রামের যুবকদের সঙ্গে চরলাপাং গ্রামের যুবকদের তর্কবিতর্ক ও হাতাহাতি হয়। পরবর্তীতে মির্জাচরের ওই যুবকরা গ্রামে ফিরে গিয়ে দলবলসহ নৌকাযোগে পুনরায় চরলাপাং গ্রামে আসে। তারা আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশি অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মেঘনা নদী তীরবর্তী বাড়িগুলোতে অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় হামলাকারীরা ফাঁকা গুলি ছুড়ে এলাকায় আতঙ্ক তৈরি করে এবং বাড়িঘরে ভাঙচুর ও মহিলাদের মারধর করে।
হামলার শিকার পরিবারগুলোর মধ্যে হোসেন মিয়া, সিদ্দিকুর রহমান, নছর মিয়া, খায়ের মিয়া, আবুল কাশেম ও উজ্জল মিয়ার নাম উল্লেখ করেছেন স্থানীয়রা। হামলাকারীরা নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকারসহ প্রায় ৬০ থেকে ৭০ লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। স্থানীয়দের মতে, এই হামলা দুর্ধর্ষ ডাকাতির চেয়েও ভয়াবহ ছিল এবং হামলাকারীরা পিস্তল ও শর্টগানসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত ছিল। পরবর্তী হামলার ভয়ে ভুক্তভোগী ও স্থানীয়রা হামলাকারীদের নাম প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুজ্জামান জানিয়েছেন, মেঘনা নদী তীরবর্তী গ্রামের বাসিন্দারা চরম আতঙ্কে প্রতিটি রাত কাটাচ্ছেন। এ বিষয়ে নবীনগর থানার অফিসার্স ইনচার্জ মোরশেদ আলম চৌধুরী জানান, ঘটনাটি সম্পর্কে তিনি অবগত হয়েছেন। তবে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
প্রকাশ : ২৪ আগস্ট ২০২৬, ১৮: ২৬আপডেট : ২৪ আগস্ট ২০২৬, ১৮: ২৮


























