ঢাকা ০৯:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে ফিরলে কিছু হবে না’ মন্তব্য করা ওসি রাকিবুল গ্রেপ্তার অস্ট্রেলিয়ার স্বাস্থ্য পোর্টালে এআই এজেন্টের অননুমোদিত প্রবেশ, তীব্র উদ্বেগ ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২ নতুন রোগী এশিয়ান গেমসের সেমিফাইনালে বাংলাদেশের দ্রুততম মানব ইমরানুর ক্রিকেটার রবিন দাসের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ, আদালতে হাজিরা ৯ অক্টোবর বিকাশ, রবিসহ ৪ ডিজিটাল ব্যাংককে প্রাথমিক অনুমোদন দিল বাংলাদেশ ব্যাংক শাহ আলীতে পলিথিন ব্যাগ থেকে নবজাতক উদ্ধার, ৯৯৯-এ ফোন সৌদি আরবের বিভিন্ন এলাকায় সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় উচ্চ সতর্কতা রাজশাহীতে মাদকাসক্ত ছেলের হাসুয়ার কোপে মা নিহত, বাবা আহত সিভিল জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত গোবিপ্রবির ৫ শিক্ষার্থী

যশোরের ভবদহে ফের জলাবদ্ধতায় চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৮:২৪:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬ ২৯ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



যশোরের দুঃখখ্যাত অভয়নগর উপজেলার ভবদহ অঞ্চলে আবারও ভয়াবহ জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। অতিবৃষ্টির কারণে বিস্তীর্ণ এলাকা ও ঘরবাড়ি তলিয়ে যাওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দারা চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। প্রতি বছর প্রায় ছয় মাস পানিবন্দি থাকা ভবদহবাসীর জন্য এই দুর্ভোগ যেন নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ছিল যে, এ বছর সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে নদী ও খাল পুনঃখনন প্রকল্পের মাধ্যমে জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধান হবে। প্রায় ১৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে ৮১ দশমিক ৫ কিলোমিটার নদী ও খাল পুনঃখননের কাজ চললেও বর্ষার শুরুতেই অতিবৃষ্টির কারণে পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় সেই আশা ফিকে হয়ে গেছে। বর্তমানে অনেক বসতবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সড়ক ও বীজতলার মাঠ প্লাবিত হয়েছে।

মৎস্য সম্পদের ব্যাপক ক্ষতির কথা জানিয়ে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা লিপটন সরদার বলেন, সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টিতে উপজেলার ২২০টি মাছের ঘের ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার প্রাথমিক ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১৭ কোটি টাকা।

ভবদহ পানি নিষ্কাশন সংগ্রাম কমিটির নেতা ইকবাল জাহিদ জানান, জলাবদ্ধতা নিরসনে শুধু নদী খনন যথেষ্ট নয়, টিআরএম বাস্তবায়নও জরুরি। তিনি অভিযোগ করেন, খর্ণিয়া ব্রিজের দক্ষিণে অস্থায়ী বাঁধের কারণে পলি জমে প্রায় সাত কিলোমিটার নদীপথ ভরাট হয়ে যাওয়ায় পানি নিষ্কাশন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

যশোর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ ব্যানার্জি জানান, খর্ণিয়া এলাকায় ড্রেজিং কাজে বিলম্বের কারণে সাময়িক সমস্যা তৈরি হয়েছে। বর্তমানে ৯টি স্লুইস গেট খোলা রাখা হয়েছে এবং পানির উচ্চতা পাঁচ থেকে সাড়ে পাঁচ ইঞ্চি কমেছে। তিনি আরও জানান, বর্তমানে ২৯টি গেট প্রস্তুত রয়েছে এবং আরও ১১টি গেট চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। সব গেট চালু হলে আগামী ১০ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতির আশা করা হচ্ছে। ভারী বৃষ্টিপাত না হলে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই বাড়িঘর ও সড়ক থেকে পানি নেমে যাবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেছেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

যশোরের ভবদহে ফের জলাবদ্ধতায় চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী

আপডেট সময় : ০৮:২৪:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬

যশোরের দুঃখখ্যাত অভয়নগর উপজেলার ভবদহ অঞ্চলে আবারও ভয়াবহ জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। অতিবৃষ্টির কারণে বিস্তীর্ণ এলাকা ও ঘরবাড়ি তলিয়ে যাওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দারা চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। প্রতি বছর প্রায় ছয় মাস পানিবন্দি থাকা ভবদহবাসীর জন্য এই দুর্ভোগ যেন নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ছিল যে, এ বছর সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে নদী ও খাল পুনঃখনন প্রকল্পের মাধ্যমে জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধান হবে। প্রায় ১৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে ৮১ দশমিক ৫ কিলোমিটার নদী ও খাল পুনঃখননের কাজ চললেও বর্ষার শুরুতেই অতিবৃষ্টির কারণে পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় সেই আশা ফিকে হয়ে গেছে। বর্তমানে অনেক বসতবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সড়ক ও বীজতলার মাঠ প্লাবিত হয়েছে।

মৎস্য সম্পদের ব্যাপক ক্ষতির কথা জানিয়ে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা লিপটন সরদার বলেন, সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টিতে উপজেলার ২২০টি মাছের ঘের ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার প্রাথমিক ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১৭ কোটি টাকা।

ভবদহ পানি নিষ্কাশন সংগ্রাম কমিটির নেতা ইকবাল জাহিদ জানান, জলাবদ্ধতা নিরসনে শুধু নদী খনন যথেষ্ট নয়, টিআরএম বাস্তবায়নও জরুরি। তিনি অভিযোগ করেন, খর্ণিয়া ব্রিজের দক্ষিণে অস্থায়ী বাঁধের কারণে পলি জমে প্রায় সাত কিলোমিটার নদীপথ ভরাট হয়ে যাওয়ায় পানি নিষ্কাশন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

যশোর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ ব্যানার্জি জানান, খর্ণিয়া এলাকায় ড্রেজিং কাজে বিলম্বের কারণে সাময়িক সমস্যা তৈরি হয়েছে। বর্তমানে ৯টি স্লুইস গেট খোলা রাখা হয়েছে এবং পানির উচ্চতা পাঁচ থেকে সাড়ে পাঁচ ইঞ্চি কমেছে। তিনি আরও জানান, বর্তমানে ২৯টি গেট প্রস্তুত রয়েছে এবং আরও ১১টি গেট চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। সব গেট চালু হলে আগামী ১০ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতির আশা করা হচ্ছে। ভারী বৃষ্টিপাত না হলে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই বাড়িঘর ও সড়ক থেকে পানি নেমে যাবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেছেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh