ঢাকা ০৩:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সৈয়দপুরে তরুণ খেলোয়াড়দের মাঝে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত কিশোরগঞ্জের জুয়েলের মরদেহ দেশে তাপপ্রবাহে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ১.৮ বিলিয়ন ডলার ক্ষতি গাজায় সীমানা বাড়াচ্ছে ইসরাইল, ভিটেমাটি হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে হাজারো পরিবার পবিপ্রবিতে নতুন ৬ তলা একাডেমিক ভবনের উদ্বোধন চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ের নতুন লক্ষ্য ঠিক করলেন গোলরক্ষক গার্সিয়া প্রতিটি শিশুর স্বপ্নপূরণে সরকার কাজ করছে: ববি হাজ্জাজ বাংলাদেশে পেপ্যাল ও পেওনিয়ারের পথ সুগম করতে নতুন নীতিমালা সাঁথিয়ায় অগ্নিকাণ্ডে দিনমজুরের দেড়শ মণ পেঁয়াজসহ সর্বস্ব পুড়ে ছাই ফরজ নামাজের পর আয়াতুল কুরসি পড়ার ফজিলত ও গুরুত্ব

খানজাহান আলী মাজারের কুমিরটিকে কোথায় রাখা হবে, সিদ্ধান্ত ঝুলে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৪৩:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

বাগেরহাটের খানজাহান আলী (রহ.) মাজারের দিঘি থেকে সরিয়ে আনা মাদি কুমিরটিকে কোথায় রাখা হবে, সে বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয়নি। কুমিরটিকে সাফারি পার্ক বা অন্য কোনো উপযুক্ত স্থানে স্থানান্তরের প্রস্তাব গত মাসেই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়েছে বন বিভাগ। তবে কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে এখনো কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ, খুলনা কার্যালয়ের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) নির্মল কুমার পাল জানান, বর্তমানে কুমিরটি খুলনার বন্য প্রাণী উদ্ধার ও পুনর্বাসনকেন্দ্রে রয়েছে এবং সুস্থ আছে। তবে এ ধরনের কেন্দ্রে কোনো বন্য প্রাণীকে দীর্ঘ মেয়াদে রাখা সম্ভব নয়। এ কারণেই প্রাণীটিকে বৃহত্তর আবাসস্থলে স্থানান্তরের জন্য গত মাসে ঢাকার বন সংরক্ষক, বন্য প্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ অঞ্চলে চিঠি পাঠানো হয়েছে। সিদ্ধান্ত পাওয়ার পরপরই পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মাজার কর্তৃপক্ষ কুমিরটিকে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য কোনো নতুন আবেদন করেছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে নির্মল কুমার পাল জানান, জেলা প্রশাসন বা মাজার কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে নতুন করে কিছু জানানো হয়নি। তবে গত বছরের আগস্টে মাজার কর্তৃপক্ষ দুটি কুমির চেয়ে জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে একটি আবেদন করেছিল, যা গত সপ্তাহে বন বিভাগের হাতে এসে পৌঁছেছে। তবে আইন ও বিধিমালা অনুযায়ী এ ধরনের বন্য প্রাণী পালনের অনুমতি না থাকায় আবেদনটি ঢাকার বন সার্কেল অফিসে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে, দিঘি থেকে সরিয়ে নেওয়ার পর প্রায় দুই মাস কুমিরটি কোনো খাবার খায়নি। বন বিভাগ এ বিষয়ে অস্ট্রেলিয়ার কুমির বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বন্দী অবস্থায় কুমির দীর্ঘদিন না খেয়ে থাকলেও উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই এবং জোর করে খাওয়ানোর প্রয়োজন নেই। নির্মল কুমার পাল জানান, বন্দী অবস্থায় কুমির অনেক সময় দুই-চার মাস, এমনকি এক-দুই বছর পর্যন্ত না খেয়ে থাকতে পারে।

ঘটনার সূত্রপাত হয় ১ জুন, যখন মাজারসংলগ্ন দিঘিতে সাত বছর বয়সী এক শিশুকে টেনে নিয়ে যায় প্রায় ৪৫ বছর বয়সী এই মাদি কুমিরটি। শিশুটির মৃত্যুর পর জননিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে পরদিন রাতে কুমিরটিকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। পরবর্তীতে ৩ জুন জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় বন বিভাগ অভিযান চালিয়ে কুমিরটিকে উদ্ধার করে খুলনায় নিয়ে যায়। বন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, কুমিরটির দৈর্ঘ্য প্রায় সাত থেকে আট ফুট এবং ওজন আনুমানিক ৪০০ থেকে ৫০০ কেজি। বাংলাদেশে মিঠাপানির কুমির সংরক্ষণ বর্তমানে নতুন করে গুরুত্ব পাচ্ছে, যদিও ২০০০ সালে আইইউসিএন এটিকে প্রাকৃতিক পরিবেশ থেকে বিলুপ্ত ঘোষণা করেছিল।

আইন অনুযায়ী মতামতের জন্য সেটিও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।.১৯ দিনেও খাবার মুখে তোলেনি খানজাহান আলী দিঘির সেই কুমির.গতকাল মঙ্গলবার প্রথম আলোকে এসব তথ্য জানান বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ, খুলনা কার্যালয়ের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) নির্মল কুমার পাল।নির্মল কুমার পাল বলেন, কুমিরটি বর্তমানে

এর পর থেকে প্রাণীটি বন বিভাগের তত্ত্বাবধানে আছে।.খানজাহান আলী মাজারের দিঘি থেকে সরিয়ে নেওয়া হলো কুমিরটি.খানজাহান আলী মাজারের দিঘির কুমিরটি হিংস্র হয়ে উঠছে কেন.বন বিভাগের তথ্য মতে, কুমিরটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৭ থেকে ৮ ফুট এবং ওজন আনুমানিক ৪০০ থেকে ৫০০ কেজি।বাংলাদেশে মিঠাপানির কুমির সংরক্ষণ সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নতুন করে গুর

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

খানজাহান আলী মাজারের কুমিরটিকে কোথায় রাখা হবে, সিদ্ধান্ত ঝুলে

আপডেট সময় : ১০:৪৩:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
print news

বাগেরহাটের খানজাহান আলী (রহ.) মাজারের দিঘি থেকে সরিয়ে আনা মাদি কুমিরটিকে কোথায় রাখা হবে, সে বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয়নি। কুমিরটিকে সাফারি পার্ক বা অন্য কোনো উপযুক্ত স্থানে স্থানান্তরের প্রস্তাব গত মাসেই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়েছে বন বিভাগ। তবে কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে এখনো কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ, খুলনা কার্যালয়ের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) নির্মল কুমার পাল জানান, বর্তমানে কুমিরটি খুলনার বন্য প্রাণী উদ্ধার ও পুনর্বাসনকেন্দ্রে রয়েছে এবং সুস্থ আছে। তবে এ ধরনের কেন্দ্রে কোনো বন্য প্রাণীকে দীর্ঘ মেয়াদে রাখা সম্ভব নয়। এ কারণেই প্রাণীটিকে বৃহত্তর আবাসস্থলে স্থানান্তরের জন্য গত মাসে ঢাকার বন সংরক্ষক, বন্য প্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ অঞ্চলে চিঠি পাঠানো হয়েছে। সিদ্ধান্ত পাওয়ার পরপরই পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মাজার কর্তৃপক্ষ কুমিরটিকে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য কোনো নতুন আবেদন করেছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে নির্মল কুমার পাল জানান, জেলা প্রশাসন বা মাজার কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে নতুন করে কিছু জানানো হয়নি। তবে গত বছরের আগস্টে মাজার কর্তৃপক্ষ দুটি কুমির চেয়ে জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে একটি আবেদন করেছিল, যা গত সপ্তাহে বন বিভাগের হাতে এসে পৌঁছেছে। তবে আইন ও বিধিমালা অনুযায়ী এ ধরনের বন্য প্রাণী পালনের অনুমতি না থাকায় আবেদনটি ঢাকার বন সার্কেল অফিসে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে, দিঘি থেকে সরিয়ে নেওয়ার পর প্রায় দুই মাস কুমিরটি কোনো খাবার খায়নি। বন বিভাগ এ বিষয়ে অস্ট্রেলিয়ার কুমির বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বন্দী অবস্থায় কুমির দীর্ঘদিন না খেয়ে থাকলেও উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই এবং জোর করে খাওয়ানোর প্রয়োজন নেই। নির্মল কুমার পাল জানান, বন্দী অবস্থায় কুমির অনেক সময় দুই-চার মাস, এমনকি এক-দুই বছর পর্যন্ত না খেয়ে থাকতে পারে।

ঘটনার সূত্রপাত হয় ১ জুন, যখন মাজারসংলগ্ন দিঘিতে সাত বছর বয়সী এক শিশুকে টেনে নিয়ে যায় প্রায় ৪৫ বছর বয়সী এই মাদি কুমিরটি। শিশুটির মৃত্যুর পর জননিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে পরদিন রাতে কুমিরটিকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। পরবর্তীতে ৩ জুন জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় বন বিভাগ অভিযান চালিয়ে কুমিরটিকে উদ্ধার করে খুলনায় নিয়ে যায়। বন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, কুমিরটির দৈর্ঘ্য প্রায় সাত থেকে আট ফুট এবং ওজন আনুমানিক ৪০০ থেকে ৫০০ কেজি। বাংলাদেশে মিঠাপানির কুমির সংরক্ষণ বর্তমানে নতুন করে গুরুত্ব পাচ্ছে, যদিও ২০০০ সালে আইইউসিএন এটিকে প্রাকৃতিক পরিবেশ থেকে বিলুপ্ত ঘোষণা করেছিল।

আইন অনুযায়ী মতামতের জন্য সেটিও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।.১৯ দিনেও খাবার মুখে তোলেনি খানজাহান আলী দিঘির সেই কুমির.গতকাল মঙ্গলবার প্রথম আলোকে এসব তথ্য জানান বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ, খুলনা কার্যালয়ের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) নির্মল কুমার পাল।নির্মল কুমার পাল বলেন, কুমিরটি বর্তমানে

এর পর থেকে প্রাণীটি বন বিভাগের তত্ত্বাবধানে আছে।.খানজাহান আলী মাজারের দিঘি থেকে সরিয়ে নেওয়া হলো কুমিরটি.খানজাহান আলী মাজারের দিঘির কুমিরটি হিংস্র হয়ে উঠছে কেন.বন বিভাগের তথ্য মতে, কুমিরটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৭ থেকে ৮ ফুট এবং ওজন আনুমানিক ৪০০ থেকে ৫০০ কেজি।বাংলাদেশে মিঠাপানির কুমির সংরক্ষণ সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নতুন করে গুর

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo