ঢাকা ০৩:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অ্যান্ড্রয়েড নিরাপত্তা: ২০২৫ সালে ২ কোটি ৭০ লাখ ক্ষতিকর অ্যাপ শনাক্ত পার্বত্য জেলা পরিষদে শিক্ষক নিয়োগে মেধাভিত্তিক স্বচ্ছতার দাবি যুক্তরাষ্ট্র হামলা বন্ধ রাখলে পাল্টা হামলা থেকে বিরত থাকবে ইরান মোদিবিরোধী পোস্টদাতাদের খুঁজছে দিল্লি পুলিশ, চলছে কড়া নজরদারি বিএনপিকে যারা ফ্যাসিবাদ বলেন তাদের জ্ঞানের অভাব রয়েছে: মির্জা ফখরুল জাতীয় সংসদের সাউন্ড সিস্টেম আধুনিকায়নে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল ১০ আগস্ট প্রকাশ আর্জেন্টিনাকে নিয়ে সমালোচনা আসলে ঈর্ষা থেকেই: প্রেসিডেন্ট মিলেই মালদ্বীপের স্বাধীনতা দিবসের কুচকাওয়াজে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান পদ্মা সেতুতে ইটিসি টোল আদায় ১০ কোটি টাকা ছাড়াল

মালদ্বীপের স্বাধীনতা দিবসের কুচকাওয়াজে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:২০:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

মালদ্বীপের ৬১তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজে দেশটির সরকারের বিশেষ অতিথি হিসেবে যোগ দিয়েছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। সোমবার (২৭ জুলাই) দেশটির রাজধানী মালের রিপাবলিক স্কয়ারে এই কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে পৌঁছালে তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান মালদ্বীপের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরুথিশাম আদাম।

অনুষ্ঠানে মালদ্বীপ ন্যাশনাল ডিফেন্স ফোর্সের বিভিন্ন কন্টিনজেন্ট আকর্ষণীয় মার্চপাস্ট ও বিভিন্ন কসরত প্রদর্শন করে। কুচকাওয়াজ উপভোগ করার পর ড. খলিলুর রহমান মালদ্বীপের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে তুলে ধরে আয়োজিত একটি বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

এর আগে, সোমবার সকালে মালেতে অবস্থিত লোনুজিয়ারাই পার্কে একটি গাছের চারা রোপণ করেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ড. মোহাম্মদ মুইজ্জুর ‘ফাইভ মিলিয়ন ট্রিজ প্রজেক্ট’-এর আওতায় তিনি এই চারা রোপণ করেন। বৃক্ষরোপণ শেষে প্রেসিডেন্ট মুইজ্জুর পরিবেশবান্ধব ও সবুজায়ন উদ্যোগের প্রশংসা করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সরকারও আগামী পাঁচ বছরে দেশজুড়ে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর এক বিশাল কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা ও টেকসই পরিবেশ গড়ে তুলতে দুই দেশের এই অভিন্ন উদ্যোগ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এ সময় ড. খলিলুর রহমান বাংলাদেশের প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের একটি ঐতিহাসিক উদ্যোগের কথা স্মরণ করেন। তিনি উল্লেখ করেন, প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উদ্যোগে সৌদি আরবের আরাফাতের ময়দানে বিপুলসংখ্যক নিমগাছ রোপণ করা হয়েছিল, যা বর্তমানে সেখানে ‘জিয়া ট্রিজ’ বা জিয়া গাছ নামে পরিচিত।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

মালদ্বীপের স্বাধীনতা দিবসের কুচকাওয়াজে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান

আপডেট সময় : ০২:২০:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
print news

মালদ্বীপের ৬১তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজে দেশটির সরকারের বিশেষ অতিথি হিসেবে যোগ দিয়েছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। সোমবার (২৭ জুলাই) দেশটির রাজধানী মালের রিপাবলিক স্কয়ারে এই কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে পৌঁছালে তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান মালদ্বীপের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরুথিশাম আদাম।

অনুষ্ঠানে মালদ্বীপ ন্যাশনাল ডিফেন্স ফোর্সের বিভিন্ন কন্টিনজেন্ট আকর্ষণীয় মার্চপাস্ট ও বিভিন্ন কসরত প্রদর্শন করে। কুচকাওয়াজ উপভোগ করার পর ড. খলিলুর রহমান মালদ্বীপের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে তুলে ধরে আয়োজিত একটি বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

এর আগে, সোমবার সকালে মালেতে অবস্থিত লোনুজিয়ারাই পার্কে একটি গাছের চারা রোপণ করেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ড. মোহাম্মদ মুইজ্জুর ‘ফাইভ মিলিয়ন ট্রিজ প্রজেক্ট’-এর আওতায় তিনি এই চারা রোপণ করেন। বৃক্ষরোপণ শেষে প্রেসিডেন্ট মুইজ্জুর পরিবেশবান্ধব ও সবুজায়ন উদ্যোগের প্রশংসা করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সরকারও আগামী পাঁচ বছরে দেশজুড়ে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর এক বিশাল কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা ও টেকসই পরিবেশ গড়ে তুলতে দুই দেশের এই অভিন্ন উদ্যোগ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এ সময় ড. খলিলুর রহমান বাংলাদেশের প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের একটি ঐতিহাসিক উদ্যোগের কথা স্মরণ করেন। তিনি উল্লেখ করেন, প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উদ্যোগে সৌদি আরবের আরাফাতের ময়দানে বিপুলসংখ্যক নিমগাছ রোপণ করা হয়েছিল, যা বর্তমানে সেখানে ‘জিয়া ট্রিজ’ বা জিয়া গাছ নামে পরিচিত।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh