ঢাকা ০৯:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়ার স্বাস্থ্য পোর্টালে এআই এজেন্টের অননুমোদিত প্রবেশ, তীব্র উদ্বেগ ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২ নতুন রোগী এশিয়ান গেমসের সেমিফাইনালে বাংলাদেশের দ্রুততম মানব ইমরানুর ক্রিকেটার রবিন দাসের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ, আদালতে হাজিরা ৯ অক্টোবর বিকাশ, রবিসহ ৪ ডিজিটাল ব্যাংককে প্রাথমিক অনুমোদন দিল বাংলাদেশ ব্যাংক শাহ আলীতে পলিথিন ব্যাগ থেকে নবজাতক উদ্ধার, ৯৯৯-এ ফোন সৌদি আরবের বিভিন্ন এলাকায় সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় উচ্চ সতর্কতা রাজশাহীতে মাদকাসক্ত ছেলের হাসুয়ার কোপে মা নিহত, বাবা আহত সিভিল জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত গোবিপ্রবির ৫ শিক্ষার্থী মক্কা-জেদ্দাসহ সৌদির বিভিন্ন এলাকায় সিভিল ডিফেন্সের সতর্কতা জারি

মালদ্বীপের স্বাধীনতা দিবসের কুচকাওয়াজে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০২:২০:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬ ২৬ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



মালদ্বীপের ৬১তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজে দেশটির সরকারের বিশেষ অতিথি হিসেবে যোগ দিয়েছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। সোমবার (২৭ জুলাই) দেশটির রাজধানী মালের রিপাবলিক স্কয়ারে এই কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে পৌঁছালে তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান মালদ্বীপের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরুথিশাম আদাম।

অনুষ্ঠানে মালদ্বীপ ন্যাশনাল ডিফেন্স ফোর্সের বিভিন্ন কন্টিনজেন্ট আকর্ষণীয় মার্চপাস্ট ও বিভিন্ন কসরত প্রদর্শন করে। কুচকাওয়াজ উপভোগ করার পর ড. খলিলুর রহমান মালদ্বীপের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে তুলে ধরে আয়োজিত একটি বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

এর আগে, সোমবার সকালে মালেতে অবস্থিত লোনুজিয়ারাই পার্কে একটি গাছের চারা রোপণ করেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ড. মোহাম্মদ মুইজ্জুর ‘ফাইভ মিলিয়ন ট্রিজ প্রজেক্ট’-এর আওতায় তিনি এই চারা রোপণ করেন। বৃক্ষরোপণ শেষে প্রেসিডেন্ট মুইজ্জুর পরিবেশবান্ধব ও সবুজায়ন উদ্যোগের প্রশংসা করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সরকারও আগামী পাঁচ বছরে দেশজুড়ে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর এক বিশাল কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা ও টেকসই পরিবেশ গড়ে তুলতে দুই দেশের এই অভিন্ন উদ্যোগ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এ সময় ড. খলিলুর রহমান বাংলাদেশের প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের একটি ঐতিহাসিক উদ্যোগের কথা স্মরণ করেন। তিনি উল্লেখ করেন, প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উদ্যোগে সৌদি আরবের আরাফাতের ময়দানে বিপুলসংখ্যক নিমগাছ রোপণ করা হয়েছিল, যা বর্তমানে সেখানে ‘জিয়া ট্রিজ’ বা জিয়া গাছ নামে পরিচিত।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

মালদ্বীপের স্বাধীনতা দিবসের কুচকাওয়াজে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান

আপডেট সময় : ০২:২০:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬

মালদ্বীপের ৬১তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজে দেশটির সরকারের বিশেষ অতিথি হিসেবে যোগ দিয়েছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। সোমবার (২৭ জুলাই) দেশটির রাজধানী মালের রিপাবলিক স্কয়ারে এই কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে পৌঁছালে তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান মালদ্বীপের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরুথিশাম আদাম।

অনুষ্ঠানে মালদ্বীপ ন্যাশনাল ডিফেন্স ফোর্সের বিভিন্ন কন্টিনজেন্ট আকর্ষণীয় মার্চপাস্ট ও বিভিন্ন কসরত প্রদর্শন করে। কুচকাওয়াজ উপভোগ করার পর ড. খলিলুর রহমান মালদ্বীপের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে তুলে ধরে আয়োজিত একটি বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

এর আগে, সোমবার সকালে মালেতে অবস্থিত লোনুজিয়ারাই পার্কে একটি গাছের চারা রোপণ করেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ড. মোহাম্মদ মুইজ্জুর ‘ফাইভ মিলিয়ন ট্রিজ প্রজেক্ট’-এর আওতায় তিনি এই চারা রোপণ করেন। বৃক্ষরোপণ শেষে প্রেসিডেন্ট মুইজ্জুর পরিবেশবান্ধব ও সবুজায়ন উদ্যোগের প্রশংসা করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সরকারও আগামী পাঁচ বছরে দেশজুড়ে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর এক বিশাল কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা ও টেকসই পরিবেশ গড়ে তুলতে দুই দেশের এই অভিন্ন উদ্যোগ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এ সময় ড. খলিলুর রহমান বাংলাদেশের প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের একটি ঐতিহাসিক উদ্যোগের কথা স্মরণ করেন। তিনি উল্লেখ করেন, প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উদ্যোগে সৌদি আরবের আরাফাতের ময়দানে বিপুলসংখ্যক নিমগাছ রোপণ করা হয়েছিল, যা বর্তমানে সেখানে ‘জিয়া ট্রিজ’ বা জিয়া গাছ নামে পরিচিত।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh