মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন উপস্থিতি নিরাপত্তাহীনতা ছাড়া কিছুই দেয়নি: ইরান
- আপডেট সময় : ১১:০৩:১৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র এবং তাদের মিত্র দেশগুলোর সামরিক উপস্থিতি সহিংসতা, নিরাপত্তাহীনতা, বিভাজন ও সন্ত্রাসবাদ ছাড়া আর কিছুই বয়ে আনেনি বলে মন্তব্য করেছে ইরান। একই সঙ্গে ইরাকের জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার প্রতি সম্মান জানানোর ওপর বিশেষ জোর দিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
ইরাক থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য বিদেশি সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে তেহরান। এক বিবৃতিতে ইরান এই পদক্ষেপকে ইরাকের সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতাকে সুসংহত করার ক্ষেত্রে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেছে।
বিবৃতিতে তেহরান দাবি করেছে, ২০০৩ সালে ‘গণবিধ্বংসী অস্ত্র’ থাকার অজুহাতে ইরাকে মার্কিন হামলার পর দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা সামরিক উপস্থিতির কারণে সেখানে ব্যাপক প্রাণহানি ঘটেছে। এছাড়া এই সময়ে ব্যাপক অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি, পরিবেশ বিপর্যয় এবং নানা যুদ্ধাপরাধের ঘটনা ঘটেছে বলেও অভিযোগ করেছে ইরান।
ইরানের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের এই দীর্ঘকালীন সামরিক উপস্থিতি পরবর্তীতে ইরাক এবং তার আশপাশের অঞ্চলে উগ্রপন্থী গোষ্ঠী আইএসসহ (ইসলামিক স্টেট) বিভিন্ন সন্ত্রাসী সংগঠনের উত্থানের পথ সুগম করে দিয়েছিল।
ইরাকের দখলদারিত্ব এবং সন্ত্রাসবিরোধী লড়াইয়ে যারা প্রাণ হারিয়েছেন, তাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছে ইরান। একই সঙ্গে এসব ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে জবাবদিহির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
প্রকাশ : ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০: ২৫আপডেট : ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০: ৩১




























