ঢাকা ১১:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হাইতিতে জাতিসংঘ মিশনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৫০ সদস্যের অগ্রবর্তী দল বাংলাদেশের কৃষিকে লাভজনক খাতে রূপান্তরের আহ্বান রাষ্ট্রপতির ৪৫তম বিসিএস গেজেট থেকে বাদ পড়াদের শাহবাগে আত্মাহুতির হুমকি ২০২৭ সালের মধ্যে জাপানকে টপকে চতুর্থ অর্থনীতি হচ্ছে ভারত নেত্রকোনায় দোকানে বসে থাকা সাংবাদিককে গুলি করে হত্যা অপরাধ করলে শাস্তি পেতেই হবে: এসআরবি ডিজি যুদ্ধ বন্ধে ইউক্রেনের অনীহাই বড় বাধা: ক্রেমলিন বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গভর্নিং বডি ও কমিটি গঠন স্থগিত লালমোহনে ডেঙ্গু প্রতিরোধে স্বাস্থ্য বিভাগের সচেতনতামূলক প্রচারণা যুব উন্নয়ন নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসে গ্রেপ্তার ৫

টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব ও অংশগ্রহণ অপরিহার্য: আইরিন জুবাইদা

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৮:৪২:৩০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সমাজে ন্যায়বিচার, সমতা, মানবাধিকার ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার মাধ্যমেই কেবল টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়ে তোলা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত আইরিন জুবাইদা খান। তিনি শান্তি বিনির্মাণ প্রক্রিয়ায় নারীর নেতৃত্বের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করে বৈশ্বিক প্রচেষ্টা আরও জোরদার করার আহ্বান জানান।

স্থানীয় সময় বুধবার জাতিসংঘ সদর দপ্তরে শান্তির সংস্কৃতিবিষয়ক উচ্চপর্যায়ের ফোরামে বক্তব্য রাখেন রাষ্ট্রদূত খান। সেখানে তিনি নারীর নেতৃত্বকে এগিয়ে নিতে তিনটি প্রধান অগ্রাধিকারের কথা তুলে ধরেন। এর মধ্যে রয়েছে শান্তি প্রক্রিয়ার প্রতিটি পর্যায়ে নারীর পূর্ণ, সমান ও অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা। পাশাপাশি, কিশোরী ও তরুণ নারীদের নেতৃত্ব বিকাশে বিশেষ করে ডিজিটাল প্রযুক্তিতে প্রবেশাধিকার ও ডিজিটাল সাক্ষরতা বৃদ্ধিতে বিনিয়োগের আহ্বান জানান তিনি। এছাড়া, সংঘাত প্রতিরোধ, মানবিক সহায়তা, কমিউনিটির সহনশীলতা ও সামাজিক সংহতি রক্ষায় নারী-নেতৃত্বাধীন সংগঠনগুলোকে টেকসই ও লক্ষ্যভিত্তিক সহায়তা প্রদানের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

রাষ্ট্রদূত খান দুঃখপ্রকাশ করে বলেন, ‘নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা’ এজেন্ডা থাকা সত্ত্বেও শান্তি প্রক্রিয়ায় নারীর প্রতিনিধিত্ব এখনো পর্যাপ্ত নয়। অনেক ক্ষেত্রে নারীদের জীবন ও ভবিষ্যৎ-সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময় তাদের উপেক্ষিত রাখা হয়।

আলোচনায় তিনি শান্তির সংস্কৃতি গড়ে তুলতে বাংলাদেশের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। একইসঙ্গে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশি নারী শান্তিরক্ষীদের অবদানের কথা উল্লেখ করেন। এছাড়া, তৃণমূল পর্যায় থেকে শুরু করে দেশের নাগরিক সমাজে মানবাধিকার ও টেকসই উন্নয়নের পথ সুগম করতে নারী নেতৃত্বের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার বিষয়টিও তিনি তুলে ধরেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব ও অংশগ্রহণ অপরিহার্য: আইরিন জুবাইদা

আপডেট সময় : ০৮:৪২:৩০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সমাজে ন্যায়বিচার, সমতা, মানবাধিকার ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার মাধ্যমেই কেবল টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়ে তোলা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত আইরিন জুবাইদা খান। তিনি শান্তি বিনির্মাণ প্রক্রিয়ায় নারীর নেতৃত্বের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করে বৈশ্বিক প্রচেষ্টা আরও জোরদার করার আহ্বান জানান।

স্থানীয় সময় বুধবার জাতিসংঘ সদর দপ্তরে শান্তির সংস্কৃতিবিষয়ক উচ্চপর্যায়ের ফোরামে বক্তব্য রাখেন রাষ্ট্রদূত খান। সেখানে তিনি নারীর নেতৃত্বকে এগিয়ে নিতে তিনটি প্রধান অগ্রাধিকারের কথা তুলে ধরেন। এর মধ্যে রয়েছে শান্তি প্রক্রিয়ার প্রতিটি পর্যায়ে নারীর পূর্ণ, সমান ও অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা। পাশাপাশি, কিশোরী ও তরুণ নারীদের নেতৃত্ব বিকাশে বিশেষ করে ডিজিটাল প্রযুক্তিতে প্রবেশাধিকার ও ডিজিটাল সাক্ষরতা বৃদ্ধিতে বিনিয়োগের আহ্বান জানান তিনি। এছাড়া, সংঘাত প্রতিরোধ, মানবিক সহায়তা, কমিউনিটির সহনশীলতা ও সামাজিক সংহতি রক্ষায় নারী-নেতৃত্বাধীন সংগঠনগুলোকে টেকসই ও লক্ষ্যভিত্তিক সহায়তা প্রদানের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

রাষ্ট্রদূত খান দুঃখপ্রকাশ করে বলেন, ‘নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা’ এজেন্ডা থাকা সত্ত্বেও শান্তি প্রক্রিয়ায় নারীর প্রতিনিধিত্ব এখনো পর্যাপ্ত নয়। অনেক ক্ষেত্রে নারীদের জীবন ও ভবিষ্যৎ-সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময় তাদের উপেক্ষিত রাখা হয়।

আলোচনায় তিনি শান্তির সংস্কৃতি গড়ে তুলতে বাংলাদেশের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। একইসঙ্গে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশি নারী শান্তিরক্ষীদের অবদানের কথা উল্লেখ করেন। এছাড়া, তৃণমূল পর্যায় থেকে শুরু করে দেশের নাগরিক সমাজে মানবাধিকার ও টেকসই উন্নয়নের পথ সুগম করতে নারী নেতৃত্বের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার বিষয়টিও তিনি তুলে ধরেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin