ঢাকা ০৯:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ইউল্যাবে রবীন্দ্র-নজরুল স্মরণ ও বর্ষা বন্দনা ১৪৩৩ উদযাপন মার্কিন সেনাদের আস্তানা থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানাল ইরান রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুল সেরা প্রার্থী : ড. আসিফ নজরুল বাসে যৌন হয়রানির শিকার চবি ছাত্রী, অভিযুক্ত আটক স্পেনে জরুরি অবস্থা জারি, ইইউর সহায়তা চাইল ফ্রান্স মাদককারবারিকে মুক্তি দিয়ে ১০ লাখ টাকা ঘুষ, ক্লোজড ৪ পুলিশ বিনিয়োগ বাড়াতে কাতারের আমিরকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি পাঠালেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের দায়িত্ব নিলেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল মালিতে সামরিক অভিযানের পরিকল্পনা করছে ট্রাম্প প্রশাসন ফ্যাসিবাদের শেষ ছায়া দূর হলো: রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে জামায়াত আমির

স্পেনে জরুরি অবস্থা জারি, ইইউর সহায়তা চাইল ফ্রান্স

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৫০:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

ইউরোপজুড়ে চলমান তীব্র তাপপ্রবাহের জেরে বিভিন্ন দেশে ভয়াবহ দাবানল ছড়িয়ে পড়েছে। প্রাণহানি এড়াতে ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশাল অঞ্চলের বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এই বৈরী আবহাওয়ার প্রেক্ষাপটে শুক্রবার (২৪ জুলাই) স্পেনে প্রথমবারের মতো দাবানলজনিত জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে।

স্পেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফার্নান্দো গ্রান্দে-মার্লাসকা জানিয়েছেন, জরুরি অবস্থা জারির ফলে বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে কাজের সমন্বয় ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হবে। তিনি জানান, রাজধানী মাদ্রিদের পশ্চিমাঞ্চলীয় পাহাড়ি এলাকার বিভিন্ন শহর থেকে ১০ হাজারের বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। সীমান্তবর্তী আভিলা প্রদেশের তিনটি আলাদা দাবানল যেন একত্রিত হয়ে আরও বিধ্বংসী রূপ নিতে না পারে, সেজন্য ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা নিরলস চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

অন্যদিকে, ফ্রান্সে দাবানল পরিস্থিতির অবনতি ঘটায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) কাছে জরুরি সহায়তা চেয়েছে ফরাসি প্রশাসন। দেশটির জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র ক্যাফ ফেহে উপদ্বীপে লোকালয়ের একদম কাছাকাছি আগুনের শিখা ও ধোঁয়া পৌঁছে যাওয়ায় পুরো এলাকা খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত ওই অঞ্চল থেকে প্রায় ৬৩ হাজার বাসিন্দাকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে, যার একটি বড় অংশকে নৌপথে উদ্ধার করা হয়।

ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরেন নুনেজ জানিয়েছেন, ক্যাফ ফেহেরের উত্তর প্রান্তের ‘সাওমুস’ এলাকা থেকে শুরু হওয়া এই আগুন উপদ্বীপ থেকে বেরোনোর প্রধান সড়কটিকে প্রায় অবরুদ্ধ করে ফেলেছে। এটি চলতি বছরের মধ্যে ফ্রান্সে ঘটা সবচেয়ে ভয়াবহ দাবানল। এই অগ্নিকাণ্ডে এখন পর্যন্ত প্রায় ১০ হাজার হেক্টর এলাকা ভস্মীভূত হয়েছে এবং অন্তত ৮০টি বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার মধ্যে ৫০টি পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) শেষ রাতে এলাকা ছেড়ে আসা ২৬ বছর বয়সী স্থানীয় বাসিন্দা ইয়োয়ান ইউরিয়েল স্মৃতিচারণ করে বলেন, আমাদের বসতবাড়ি থেকেই আগুনের ভয়াবহ রূপ দেখা যাচ্ছিল এবং আকাশজুড়ে ধোঁয়ার মেঘ ক্রমশ কালো ও গাঢ় হয়ে উঠছিল, যা আমরা প্রত্যক্ষ করছিলাম।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

স্পেনে জরুরি অবস্থা জারি, ইইউর সহায়তা চাইল ফ্রান্স

আপডেট সময় : ০৮:৫০:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
print news

ইউরোপজুড়ে চলমান তীব্র তাপপ্রবাহের জেরে বিভিন্ন দেশে ভয়াবহ দাবানল ছড়িয়ে পড়েছে। প্রাণহানি এড়াতে ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশাল অঞ্চলের বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এই বৈরী আবহাওয়ার প্রেক্ষাপটে শুক্রবার (২৪ জুলাই) স্পেনে প্রথমবারের মতো দাবানলজনিত জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে।

স্পেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফার্নান্দো গ্রান্দে-মার্লাসকা জানিয়েছেন, জরুরি অবস্থা জারির ফলে বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে কাজের সমন্বয় ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হবে। তিনি জানান, রাজধানী মাদ্রিদের পশ্চিমাঞ্চলীয় পাহাড়ি এলাকার বিভিন্ন শহর থেকে ১০ হাজারের বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। সীমান্তবর্তী আভিলা প্রদেশের তিনটি আলাদা দাবানল যেন একত্রিত হয়ে আরও বিধ্বংসী রূপ নিতে না পারে, সেজন্য ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা নিরলস চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

অন্যদিকে, ফ্রান্সে দাবানল পরিস্থিতির অবনতি ঘটায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) কাছে জরুরি সহায়তা চেয়েছে ফরাসি প্রশাসন। দেশটির জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র ক্যাফ ফেহে উপদ্বীপে লোকালয়ের একদম কাছাকাছি আগুনের শিখা ও ধোঁয়া পৌঁছে যাওয়ায় পুরো এলাকা খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত ওই অঞ্চল থেকে প্রায় ৬৩ হাজার বাসিন্দাকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে, যার একটি বড় অংশকে নৌপথে উদ্ধার করা হয়।

ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরেন নুনেজ জানিয়েছেন, ক্যাফ ফেহেরের উত্তর প্রান্তের ‘সাওমুস’ এলাকা থেকে শুরু হওয়া এই আগুন উপদ্বীপ থেকে বেরোনোর প্রধান সড়কটিকে প্রায় অবরুদ্ধ করে ফেলেছে। এটি চলতি বছরের মধ্যে ফ্রান্সে ঘটা সবচেয়ে ভয়াবহ দাবানল। এই অগ্নিকাণ্ডে এখন পর্যন্ত প্রায় ১০ হাজার হেক্টর এলাকা ভস্মীভূত হয়েছে এবং অন্তত ৮০টি বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার মধ্যে ৫০টি পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) শেষ রাতে এলাকা ছেড়ে আসা ২৬ বছর বয়সী স্থানীয় বাসিন্দা ইয়োয়ান ইউরিয়েল স্মৃতিচারণ করে বলেন, আমাদের বসতবাড়ি থেকেই আগুনের ভয়াবহ রূপ দেখা যাচ্ছিল এবং আকাশজুড়ে ধোঁয়ার মেঘ ক্রমশ কালো ও গাঢ় হয়ে উঠছিল, যা আমরা প্রত্যক্ষ করছিলাম।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh