ঢাকা ০৭:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আজকের খেলার সূচি: বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ে ওয়ানডে ও ইউরোপীয় ফুটবলের লড়াই স্পেসএক্সের রকেট প্রযুক্তিতে আকাশে উড়বে টেসলার ‘রোডস্টার ২’ গণহত্যাকারী দল হিসেবে আ.লীগের বিচার ও কার্যক্রম নিয়ে সংশয় গায়ে হলুদের দিনই ডেঙ্গুতে প্রাণ হারালেন বর ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ তাইজ দখল করতে চায় হুতিরা পেরুর আন্দিজে মেসির নামে নতুন উদ্ভিদ ‘সালভিয়া মেসি’র সন্ধান যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রশ্ন ফাঁসে এনবিআর কর্মীসহ গ্রেপ্তার ৭ রাউজানে এক অপরাধী চক্র গ্রেপ্তারের পর মাথাচাড়া দিচ্ছে আলম-আজিজ বাহিনী জামায়াত, এনসিপি ও গণঅধিকার নেতাদের তীব্র রাজনৈতিক কাদা ছোড়াছুড়ি আরিফিন শুভর সঙ্গে ছবি পোস্ট করে বিয়ের রহস্য উসকে দিলেন চমক

দিনে ১১০ কোটি টাকা ছাড়াল বাংলা কিউআরের লেনদেন

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১০:৩৬:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬ ১৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দেশে সর্বজনীন ডিজিটাল পেমেন্ট মাধ্যম ‘বাংলা কিউআর’-এর ব্যবহার ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ‘এক দেশ, এক কিউআর’ নীতি চালুর মাত্র দেড় মাসের ব্যবধানে এই মাধ্যমে দৈনিক লেনদেনের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ এবং আর্থিক লেনদেনের পরিমাণ প্রায় তিনগুণে পৌঁছেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, বর্তমানে দিনে লেনদেনের পরিমাণ ১১০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান থেকে জানা যায়, গত জুলাই মাসের শুরুর দিকে বাংলা কিউআরের মাধ্যমে প্রতিদিন গড়ে ১ লাখ ৭৮ হাজারটি লেনদেন সম্পন্ন হতো, যার আর্থিক মূল্য ছিল প্রায় ৩৭ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। তবে গত সপ্তাহে এসে দৈনিক গড় লেনদেনের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৩ হাজারে। একই সঙ্গে দৈনিক লেনদেনের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়ে ১১০ কোটি ৩৮ লাখ টাকায় পৌঁছেছে。

এই লেনদেন বৃদ্ধির পেছনে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একটি নীতিগত সিদ্ধান্ত বড় ভূমিকা রেখেছে। গত ১ জুলাই থেকে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর নিজস্ব কিউআর কোড ব্যবহারের পরিবর্তে একটি সাধারণ বা একক ‘বাংলা কিউআর’ ব্যবহার করা বাধ্যতামূল করে বাংলাদেশ ব্যাংক। এই নির্দেশনা কার্যকরের পর থেকেই এর ব্যবহার দ্রুত বাড়তে শুরু করে। একই সঙ্গে এই প্রযুক্তির আওতায় আসা মার্চেন্টের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। জুলাইয়ের শুরুতে যেখানে মার্চেন্টের সংখ্যা ছিল প্রায় ১৬ লাখ, বর্তমানে তা বেড়ে প্রায় ৩০ লাখে উন্নীত হয়েছে।

বর্তমানে মূলত বিভিন্ন দোকান ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে পণ্য কেনাকাটা বা সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে বাংলা কিউআর ব্যবহৃত হচ্ছে। তবে এবার এই ব্যবস্থাকে আরও বিস্তৃত করতে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি পর্যায়ে (পিটুপি) অর্থ স্থানান্তরের সুবিধা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এই নতুন সেবা চালু হলে প্রতিটি ব্যক্তির জন্য একটি সুনির্দিষ্ট কিউআর কোড থাকবে। গ্রাহকরা সেই কোড স্ক্যান করে নিজস্ব ব্যাংক বা মোবাইল আর্থিক সেবা (এমএফএস) হিসাব থেকে অন্য যেকোনো হিসাবে সহজে টাকা পাঠাতে পারবেন। এর ফলে ব্যাংক থেকে ব্যাংক, এমএফএস থেকে এমএফএস এবং ব্যাংক থেকে এমএফএস হিসাবে অর্থ স্থানান্তর আরও সহজতর হবে।

আগামী ১ নভেম্বরের মধ্যে ব্যক্তি পর্যায়ে এই বাংলা কিউআরভিত্তিক অর্থ স্থানান্তর ব্যবস্থা চালু করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করা হচ্ছে। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার (পিএসপি), পেমেন্ট সিস্টেম অপারেটর (পিএসও) এবং এমএফএস প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন এ বিষয়ে বলেন, দেশে ক্যাশলেস বা নগদবিহীন লেনদেন উৎসাহিত করতে বাংলা কিউআরকে আরও সহজ ও জনবান্ধব করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী ১ নভেম্বর থেকে ব্যক্তি পর্যায়ে এই লেনদেন ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা নিয়ে কাজ চলছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din

নিউজটি শেয়ার করুন

দিনে ১১০ কোটি টাকা ছাড়াল বাংলা কিউআরের লেনদেন

আপডেট সময় : ১০:৩৬:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

দেশে সর্বজনীন ডিজিটাল পেমেন্ট মাধ্যম ‘বাংলা কিউআর’-এর ব্যবহার ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ‘এক দেশ, এক কিউআর’ নীতি চালুর মাত্র দেড় মাসের ব্যবধানে এই মাধ্যমে দৈনিক লেনদেনের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ এবং আর্থিক লেনদেনের পরিমাণ প্রায় তিনগুণে পৌঁছেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, বর্তমানে দিনে লেনদেনের পরিমাণ ১১০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান থেকে জানা যায়, গত জুলাই মাসের শুরুর দিকে বাংলা কিউআরের মাধ্যমে প্রতিদিন গড়ে ১ লাখ ৭৮ হাজারটি লেনদেন সম্পন্ন হতো, যার আর্থিক মূল্য ছিল প্রায় ৩৭ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। তবে গত সপ্তাহে এসে দৈনিক গড় লেনদেনের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৩ হাজারে। একই সঙ্গে দৈনিক লেনদেনের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়ে ১১০ কোটি ৩৮ লাখ টাকায় পৌঁছেছে。

এই লেনদেন বৃদ্ধির পেছনে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একটি নীতিগত সিদ্ধান্ত বড় ভূমিকা রেখেছে। গত ১ জুলাই থেকে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর নিজস্ব কিউআর কোড ব্যবহারের পরিবর্তে একটি সাধারণ বা একক ‘বাংলা কিউআর’ ব্যবহার করা বাধ্যতামূল করে বাংলাদেশ ব্যাংক। এই নির্দেশনা কার্যকরের পর থেকেই এর ব্যবহার দ্রুত বাড়তে শুরু করে। একই সঙ্গে এই প্রযুক্তির আওতায় আসা মার্চেন্টের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। জুলাইয়ের শুরুতে যেখানে মার্চেন্টের সংখ্যা ছিল প্রায় ১৬ লাখ, বর্তমানে তা বেড়ে প্রায় ৩০ লাখে উন্নীত হয়েছে।

বর্তমানে মূলত বিভিন্ন দোকান ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে পণ্য কেনাকাটা বা সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে বাংলা কিউআর ব্যবহৃত হচ্ছে। তবে এবার এই ব্যবস্থাকে আরও বিস্তৃত করতে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি পর্যায়ে (পিটুপি) অর্থ স্থানান্তরের সুবিধা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এই নতুন সেবা চালু হলে প্রতিটি ব্যক্তির জন্য একটি সুনির্দিষ্ট কিউআর কোড থাকবে। গ্রাহকরা সেই কোড স্ক্যান করে নিজস্ব ব্যাংক বা মোবাইল আর্থিক সেবা (এমএফএস) হিসাব থেকে অন্য যেকোনো হিসাবে সহজে টাকা পাঠাতে পারবেন। এর ফলে ব্যাংক থেকে ব্যাংক, এমএফএস থেকে এমএফএস এবং ব্যাংক থেকে এমএফএস হিসাবে অর্থ স্থানান্তর আরও সহজতর হবে।

আগামী ১ নভেম্বরের মধ্যে ব্যক্তি পর্যায়ে এই বাংলা কিউআরভিত্তিক অর্থ স্থানান্তর ব্যবস্থা চালু করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করা হচ্ছে। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার (পিএসপি), পেমেন্ট সিস্টেম অপারেটর (পিএসও) এবং এমএফএস প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন এ বিষয়ে বলেন, দেশে ক্যাশলেস বা নগদবিহীন লেনদেন উৎসাহিত করতে বাংলা কিউআরকে আরও সহজ ও জনবান্ধব করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী ১ নভেম্বর থেকে ব্যক্তি পর্যায়ে এই লেনদেন ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা নিয়ে কাজ চলছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din