ঢাকা ০৬:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের প্রধান সহকারীর বদলি ও অনিয়মের অভিযোগ

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১১:৪৫:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



চুয়াডাঙ্গা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালের প্রধান সহকারী আব্দুস সবুরকে গত ১০ সেপ্টেম্বর মেহেরপুরের গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বদলি করা হয়েছে। এই বদলি আদেশের পর থেকেই তা প্রত্যাহারের জন্য নানা মহলে তদবিরের অভিযোগ উঠেছে। আব্দুস সবুর দীর্ঘদিন ধরে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে কর্মরত থাকার পাশাপাশি হাসপাতালের টেন্ডার ও কেনাকাটায় প্রভাব বিস্তারের অভিযোগের মুখে পড়েছেন।

নিজ জেলায় কর্মরত থাকায় মানবিক কারণে বদলি আদেশ প্রত্যাহারের জন্য কিছুটা চেষ্টা করার কথা স্বীকার করেছেন আব্দুস সবুর। তিনি জানান, তার অবসরের আর প্রায় তিন বছর বাকি আছে। তবে তিনি টেন্ডার ও কেনাকাটায় প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন। তার দাবি, হাসপাতালের কেনাকাটা ও টেন্ডার পরিচালনার দায়িত্ব কর্তৃপক্ষের, কর্মচারীদের নয়। সবুর আরও দাবি করেন, তিনি একটানা ১৫-১৭ বছর চুয়াডাঙ্গা হাসপাতালে কর্মরত নন, বরং মাঝখানে বদলি হয়ে পুনরায় ফিরে এসে বর্তমানে প্রায় দুই বছর ধরে কর্মরত আছেন।

হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক বিদ্যুৎ কুমার বিশ্বাস জানান, দীর্ঘদিন চুয়াডাঙ্গায় কর্মরত থাকার পর আব্দুস সবুরকে মেহেরপুরে বদলি করা হলেও তিনি সেখানে না থেকে পুনরায় আগের কর্মস্থলে ফিরে আসেন। তত্ত্বাবধায়কের অভিযোগ, নতুন প্রশাসন বা কর্তৃপক্ষকে প্রভাবিত করে সবুর দীর্ঘ সময় একই কর্মস্থলে থাকার সুযোগ পেয়েছেন। এছাড়া বিভিন্ন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ও কোম্পানির প্রতিনিধিরা হাসপাতালে এসে প্রশাসনিক ও আইনগত বিষয়ে সবুরের সঙ্গে মধ্যস্থতার চেষ্টা করতেন বলেও তিনি দাবি করেন।

চুয়াডাঙ্গার সিভিল সার্জন হাদী জিয়াউদ্দিনও আব্দুস সবুরের একই কর্মস্থলে দীর্ঘদিন থাকার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তার মতে, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও কর্মপরিবেশে গতিশীলতা আনতে নির্দিষ্ট সময় পরপর বদলি হওয়া প্রয়োজন। বর্তমানে এই বদলি আদেশ কার্যকর হওয়ার আগে বা পরে কোনো প্রভাব খাটানো হয়েছে কি না, অতীতে বদলি হয়ে ফেরার প্রক্রিয়া এবং হাসপাতালের টেন্ডারে তার ভূমিকা দাপ্তরিক নথি যাচাই করে খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে।

অন্যদিকে আব্দুস সবুরের দাবি, তিনি একটানা ১৫ থেকে ১৭ বছর চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে কর্মরত নন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের প্রধান সহকারীর বদলি ও অনিয়মের অভিযোগ

আপডেট সময় : ১১:৪৫:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চুয়াডাঙ্গা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালের প্রধান সহকারী আব্দুস সবুরকে গত ১০ সেপ্টেম্বর মেহেরপুরের গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বদলি করা হয়েছে। এই বদলি আদেশের পর থেকেই তা প্রত্যাহারের জন্য নানা মহলে তদবিরের অভিযোগ উঠেছে। আব্দুস সবুর দীর্ঘদিন ধরে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে কর্মরত থাকার পাশাপাশি হাসপাতালের টেন্ডার ও কেনাকাটায় প্রভাব বিস্তারের অভিযোগের মুখে পড়েছেন।

নিজ জেলায় কর্মরত থাকায় মানবিক কারণে বদলি আদেশ প্রত্যাহারের জন্য কিছুটা চেষ্টা করার কথা স্বীকার করেছেন আব্দুস সবুর। তিনি জানান, তার অবসরের আর প্রায় তিন বছর বাকি আছে। তবে তিনি টেন্ডার ও কেনাকাটায় প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন। তার দাবি, হাসপাতালের কেনাকাটা ও টেন্ডার পরিচালনার দায়িত্ব কর্তৃপক্ষের, কর্মচারীদের নয়। সবুর আরও দাবি করেন, তিনি একটানা ১৫-১৭ বছর চুয়াডাঙ্গা হাসপাতালে কর্মরত নন, বরং মাঝখানে বদলি হয়ে পুনরায় ফিরে এসে বর্তমানে প্রায় দুই বছর ধরে কর্মরত আছেন।

হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক বিদ্যুৎ কুমার বিশ্বাস জানান, দীর্ঘদিন চুয়াডাঙ্গায় কর্মরত থাকার পর আব্দুস সবুরকে মেহেরপুরে বদলি করা হলেও তিনি সেখানে না থেকে পুনরায় আগের কর্মস্থলে ফিরে আসেন। তত্ত্বাবধায়কের অভিযোগ, নতুন প্রশাসন বা কর্তৃপক্ষকে প্রভাবিত করে সবুর দীর্ঘ সময় একই কর্মস্থলে থাকার সুযোগ পেয়েছেন। এছাড়া বিভিন্ন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ও কোম্পানির প্রতিনিধিরা হাসপাতালে এসে প্রশাসনিক ও আইনগত বিষয়ে সবুরের সঙ্গে মধ্যস্থতার চেষ্টা করতেন বলেও তিনি দাবি করেন।

চুয়াডাঙ্গার সিভিল সার্জন হাদী জিয়াউদ্দিনও আব্দুস সবুরের একই কর্মস্থলে দীর্ঘদিন থাকার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তার মতে, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও কর্মপরিবেশে গতিশীলতা আনতে নির্দিষ্ট সময় পরপর বদলি হওয়া প্রয়োজন। বর্তমানে এই বদলি আদেশ কার্যকর হওয়ার আগে বা পরে কোনো প্রভাব খাটানো হয়েছে কি না, অতীতে বদলি হয়ে ফেরার প্রক্রিয়া এবং হাসপাতালের টেন্ডারে তার ভূমিকা দাপ্তরিক নথি যাচাই করে খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে।

অন্যদিকে আব্দুস সবুরের দাবি, তিনি একটানা ১৫ থেকে ১৭ বছর চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে কর্মরত নন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh