দীঘিনালায় নারী ফুটবল টুর্নামেন্ট শুরু, উদ্বোধনী ম্যাচে বাবুছড়ার বড় জয়
- আপডেট সময় : ০৪:০০:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে

খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে ‘দীঘিনালা ফুটবল কাপ টুর্নামেন্ট (নারী)-২০২৬’। নারীদের ক্রীড়া প্রতিভা বিকাশ, তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলায় উৎসাহিত করা এবং সামাজিক সম্প্রীতি জোরদার করার লক্ষ্যে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টায় দীঘিনালা মিনি স্টেডিয়ামে টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
দীঘিনালা জোনের জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আল-আমিন পিএসসি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দীঘিনালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানজিল পারভেজ এবং দীঘিনালা জোনের জোন উপ-অধিনায়ক মেজর শিহাবুন সাকিব রূশাদ, পিএসসি। এছাড়া আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদের সদস্য মো. মোশাররফ হোসেন, শান্তিপ্রিয় চাকমা এবং দীঘিনালা উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
এবারের টুর্নামেন্টে মোট আটটি দল অংশ নিচ্ছে। উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল বাবুছড়া মহিলা একাদশ ও বোয়ালখালী মহিলা একাদশ। প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এই ম্যাচে বোয়ালখালী মহিলা একাদশকে ৫-০ গোলের বড় ব্যবধানে হারিয়ে জয় তুলে নেয় বাবুছড়া মহিলা একাদশ। এদিকে, টুর্নামেন্টের জমজমাট ফাইনালে বোয়ালখালী ইউনিয়ন পরিষদ একাদশকে ৫-০ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে বাবুছড়া ইউনিয়ন পরিষদ একাদশ। আয়োজকরা জানান, টুর্নামেন্টের পরবর্তী ম্যাচগুলোতে আগামী ১৩ আগস্ট সম্প্রীতি একাদশ ও ঐক্য একাদশ, ২০ আগস্ট দীঘিনালা উপজেলা ও বাঘাইছড়ি উপজেলা এবং ২৩ আগস্ট দীঘিনালা উপজেলা ও লংগদু উপজেলা পরস্পরের মুখোমুখি হবে।
উদ্বোধনী বক্তব্যে দীঘিনালা জোনের জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল আল আমিন পিএসসি বলেন, দীঘিনালা উপজেলার মানুষ খেলাধুলা দেখতে এবং খেলতে ভীষণ পছন্দ করেন। আমরা চাই দীঘিনালা সবসময় সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের একটি অনন্য উদাহরণ হয়ে থাকুক। এই টুর্নামেন্টের মূল উদ্দেশ্য হলো নারী খেলোয়াড়দের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ তৈরি করা। সুপর্ণা চাকমার মতো আরও প্রতিভাবান নারী খেলোয়াড় তৈরি করতে চাই, যারা ভবিষ্যতে জাতীয় পর্যায়ে খেলবে এবং দীঘিনালার জন্য গৌরব বয়ে আনবে।
আয়োজকদের প্রত্যাশা, এ ধরনের টুর্নামেন্টের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্ম মাঠমুখী হবে এবং মাদকসহ বিভিন্ন সামাজিক অপরাধের বিরুদ্ধে একটি ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি হবে। একই সঙ্গে বিভিন্ন এলাকার খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ আরও শক্তিশালী হবে বলে তারা মনে করেন।




























