ঢাকা ০২:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পরশুরামে বিএনপি নেতার অ্যাম্বুলেন্সে মিললো ১১৭ বোতল ভারতীয় মদ সহ গ্রেফতার-২ ব্রাহ্মণপাড়া থানা পুলিশের অভিযানে ইয়াবা সহ আটক-৫ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হাত থেকে সম্মাননা পদক পেলেন আদাবর থানার ওসি জাহিদ ইসলাম রামপুরায় শীর্ষ সন্ত্রাসী কাইল্লা পলাশ গুলিবিদ্ধ ১ সপ্তাহের পর মারা গিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া ইয়াবা সহ নারী মাদক কারবারি গ্রেফতার রংপুরে নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াতি ও প্রক্সি চক্রের ৬ জন সদস্য আটক করেছেন মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ রাজশাহীতে বিদ্যুতের খুঁটিতে উঠে চুরির সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নিহত-১ পরীমনির কাণ্ডে এডিসি সাকলায়েনকে বাধ্যতা মূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার চৌদ্দগ্রামে দাড়িয়ে থাকা ট্রাকের পিছনে বাসের ধাক্কায় নিহত-১, আহত-৫ নরসিংদীতে মোবাইল কোর্টের সাঁড়াশি অভিযান অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগে প্রতিষ্ঠান জরিমানা ও সিলগালা

ছেলের লাগানো আগুনে সর্বস্বান্ত হলো আলমডাঙ্গার খলিলুর রহমান। পুড়ে ছাই মেয়ের বইখাতা

হুমায়ন আহমেদ চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০১:৩৯:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৩ ২৩১ বার পড়া হয়েছে

ছেলের লাগানো আগুনে সর্বস্বান্ত হলো আলমডাঙ্গার খলিলুর রহমান। পুড়ে ছাই মেয়ের বইখাতা

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

তীব্র তাপদাহে পড়ছে চুয়াডাঙ্গা। সামান্য একটু আগুনের আভাস পেলে মুহূর্তের মধ্যেই দমকে উঠছে সেই আগুন। এবার বসতভিটা পুড়ে ছাই হলো দিনমজুর খলিলুর রহমানের। খলিলুর রহমান চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার চিৎলা বাজার পাড়ার বাসিন্দা। আজ বেলা সাড়ে ১০টার দিকে আগুনে পুড়ে ধ্বংস হয়েছে লক্ষাধিক টাকার সম্পত্তি। পরনের কাপড় আর শোকেসের মধ্যে থাকা কয়েকটি থালা-বাসন ছাড়া কিছুই রক্ষা করতে পারেনি। পুড়ে ছাই হয়েছে ক্লাস নাইনে পড়ুয়া লামিয়ার সমস্ত বই-পুস্তিক ও পবিত্র গ্রন্থ কোরআন শরীফ।
আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে জানতে চাইলে খলিলুর রহমানের স্ত্রী বলেন, আমরা বাড়িতে ছিলাম না। আমার প্রতিবন্ধী ছেলে সাঈম(৬) খেলার ছলে ঘরের ব্যারে আগুন লাগিয়ে দেয়। ওই সময় রৌদ্রের তাপমাত্রা ছিল অনেক বেশি যার কারণে মুহূর্তেই পুরো ঘর ও ঘরের মধ্যে থাকা লক্ষাধিক টাকার মালামাল নষ্ট হয়েছে।
এখন আমার নিজেদের বলে আর কিছু নেই। আমাদের অর্থনীতি সচ্ছলতা নেই। আমার স্বামী দিনমজুর, দিন আনি দিন খাই। আমি আপনার মাধ্যমে সকল হৃদয়বান ব্যাক্তিদের কাছে সাহায্য পাওয়া পত্যাশা করছি।
খলিলুর রহমানের মেয়ে নবম শ্রেণীর ছাত্রী লামিয়া বলেন, আমি অনেক কষ্ট করে পড়াশোনা করি। আমার বইখাতা সব পুড়ে গেছে। আমি রক্ষা করার চেষ্টা করেও ব্যার্থ হয়েছি। আমার বইখাতার সাথে কোরআন শরীফ ছিল সেটাও পুড়ে গেছে। এখন আমার পিতার পক্ষে সম্ভব নয় যে আমাকে আবার নতুন বই ড্রেস ও যাবতীয় জিনিসপত্র কিনে আমাকে পড়াবে। আমি সাহায্য চাই। তা না হলে আমার পড়াশোনা হয়ত এখানেই থেমে যাবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, খলিল একজন সরল সোজা মানুষ। দিন আনে দিন খায়। আমরা আগুনে তার ঘর পুড়ে যাওয়ার দৃশ্য দেখেছি কিন্তু অনেক চেষ্টা করেও রক্ষা করতে পারিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

ছেলের লাগানো আগুনে সর্বস্বান্ত হলো আলমডাঙ্গার খলিলুর রহমান। পুড়ে ছাই মেয়ের বইখাতা

আপডেট সময় : ০১:৩৯:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৩
print news

তীব্র তাপদাহে পড়ছে চুয়াডাঙ্গা। সামান্য একটু আগুনের আভাস পেলে মুহূর্তের মধ্যেই দমকে উঠছে সেই আগুন। এবার বসতভিটা পুড়ে ছাই হলো দিনমজুর খলিলুর রহমানের। খলিলুর রহমান চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার চিৎলা বাজার পাড়ার বাসিন্দা। আজ বেলা সাড়ে ১০টার দিকে আগুনে পুড়ে ধ্বংস হয়েছে লক্ষাধিক টাকার সম্পত্তি। পরনের কাপড় আর শোকেসের মধ্যে থাকা কয়েকটি থালা-বাসন ছাড়া কিছুই রক্ষা করতে পারেনি। পুড়ে ছাই হয়েছে ক্লাস নাইনে পড়ুয়া লামিয়ার সমস্ত বই-পুস্তিক ও পবিত্র গ্রন্থ কোরআন শরীফ।
আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে জানতে চাইলে খলিলুর রহমানের স্ত্রী বলেন, আমরা বাড়িতে ছিলাম না। আমার প্রতিবন্ধী ছেলে সাঈম(৬) খেলার ছলে ঘরের ব্যারে আগুন লাগিয়ে দেয়। ওই সময় রৌদ্রের তাপমাত্রা ছিল অনেক বেশি যার কারণে মুহূর্তেই পুরো ঘর ও ঘরের মধ্যে থাকা লক্ষাধিক টাকার মালামাল নষ্ট হয়েছে।
এখন আমার নিজেদের বলে আর কিছু নেই। আমাদের অর্থনীতি সচ্ছলতা নেই। আমার স্বামী দিনমজুর, দিন আনি দিন খাই। আমি আপনার মাধ্যমে সকল হৃদয়বান ব্যাক্তিদের কাছে সাহায্য পাওয়া পত্যাশা করছি।
খলিলুর রহমানের মেয়ে নবম শ্রেণীর ছাত্রী লামিয়া বলেন, আমি অনেক কষ্ট করে পড়াশোনা করি। আমার বইখাতা সব পুড়ে গেছে। আমি রক্ষা করার চেষ্টা করেও ব্যার্থ হয়েছি। আমার বইখাতার সাথে কোরআন শরীফ ছিল সেটাও পুড়ে গেছে। এখন আমার পিতার পক্ষে সম্ভব নয় যে আমাকে আবার নতুন বই ড্রেস ও যাবতীয় জিনিসপত্র কিনে আমাকে পড়াবে। আমি সাহায্য চাই। তা না হলে আমার পড়াশোনা হয়ত এখানেই থেমে যাবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, খলিল একজন সরল সোজা মানুষ। দিন আনে দিন খায়। আমরা আগুনে তার ঘর পুড়ে যাওয়ার দৃশ্য দেখেছি কিন্তু অনেক চেষ্টা করেও রক্ষা করতে পারিনি।