মহেশখালীর হোয়ানকে প্যারাবন দখল নিতে ফের মরিয়া ভূমিদস্যু এরশাদ গং
- আপডেট সময় : ০৫:৪৪:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ২৪১ বার পড়া হয়েছে

কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার হোয়ানকের কালাগাজি পাড়ায় প্যারাবন নিধনকারীরা বগাচরঘোনার লাগোয়া সরকারি প্রায় ৩০০ একর জায়গা ফের দখলে নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে ভূমিদস্যু এরশাদ গং।
এনিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে সহ বিভিন্ন পত্রিকায় একাধিক নিউজ প্রকাশিত হলেও, নব বিভাগের নজরদারীনা থাকায় ফের দখলের চেষ্টায়। ৫টি স্কেভেটর দিয়ে চতুরদিকে বাঁধ নির্মাণ করে অধিকাংশ কাজ শেষে পথে।
এ দখলযজ্ঞে ভূমিদস্যুদের বেশীর ভাগই জামায়াত- বিএনপির রাজনীতির সাথে যুক্ত থাকায় নতুন করে দখল নিতে হোয়ানকে ক্ষমতাশীন দলের স্থানীয় সাবেক এক ছাত্রনেতা ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের এক নেতার সাথে গোপনে বৈঠক করেছে বলে সূত্রে প্রকাশ পেয়েছে। এবার তাদেরকেসহ যুক্ত করে নতুন ভাবে সরকারি জমি দখলের পাঁয়তারায় মেতেছে ভূমিদস্যু এরশাদ চক্র। কিছু দিন আগে বন বিভাগের মহেশখালী উপজেলা রেঞ্জ কর্মকর্তা আনিসুর রহমানের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে, সরকারি জমি দখলমুক্ত করে, ভূমিদস্যু এরশাদ, আবদুল মতিন, নাজেম উদ্দিন নাজু সহ একাধিক ব্যকির বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে ছিলেন। তারা হাইকোর্ট থেকে জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর, বন-বিভাগকে ম্যানেজ করে ফের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।
এদিকে প্যারাবন কেটে চিংড়ি ঘের নির্মাণে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যকর সৃষ্টি হয়েছে, সাধারণ জনগণ মানবন্ধন করার প্রস্তুতি নিয়েছে। এরপরও রেঞ্জ কর্মকর্তা আনিসুর রহমানের নিরবতা দেখে, গোপনে তদন্তে নেমেছেন একদল সচেতন মহল।
তারা বলেন, প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের সাগরের উত্তাল ঢেউ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য, দ্বীপের পশ্চিমে হাজার কোটি টাকার বাইন গাছ রোপন করে লাখ মানুষকে সুরক্ষিত রেখেছে। আজ সে প্যারাবন কেটে ঘের নির্মাণ করছে অসাধু একটি চক্র, এসব বিষয়ে বিভাগকে অবগত করার পরেও তারা নিরব রয়েছে। তাই আমরা উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি জানান, এ চক্রটি বেশ কয়েকজন জলদস্যু নিয়োগ করে প্রকাশ্যে অস্ত্র সহ পাহারা বসিয়ে দীর্ঘদিন ধরে এ চিংড়ি ঘের নির্মাণের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।
এদিকে প্যারাবন রক্ষায় রেঞ্জ কর্মকর্তা আনিসুর রহমান অবহেলায় সুবিধা করতে পারছে ভূমিদস্যুরা। অন্যদিকে প্যারাবন নিধনকারী ভূমিদস্যুদের সাথে দৈনিক অবৈধ লেনদেন লিপ্ত রয়েছে তিনি।
এ বিষয়ে মহেশখালী উপজেলা রেঞ্জ কর্মকর্তা আনিসুর রহমানের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করিলে সাংবাদিক পরিচয় দেয়ার সাথে সাথে ফোন কেটে দিয়ে আর রিসিভ করেন না।

























