ঢাকা ১১:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেড় বছরের সন্তানকে হত্যা করে মায়ের আত্মহত্যা রাজাপুরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে প্রাইভেট কার, দেড় বছরের শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু সিলেট নগরী থেকে ইয়াবা সহ আটক-১ রূপগঞ্জে নির্মাণাধীন ভবনে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে শ্রমিক নিহত দগ্ধ ২ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক পানি নিষ্কাশনের কালভার্টের মুখ বন্ধ করে জায়গা ভরাট ভোগান্তিতে কৃষকরা ফটিকছড়িতে ভিডিও ফাঁসের হুমকি দিয়ে নারীকে ব্ল্যাকমেইলে গ্রেফতার-৬ গ্রামে হাতে তৈরি লাচ্ছা সেমাই এখন ছড়াচ্ছে সুস্বাদ আর সম্ভাবনার গল্প ২৮ মার্চ রংপুরে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার সাংবাদিক ইনসার্ভিস ট্রিইনিং ও গুণীজন সংবর্ধনা ঝড়ো হাওয়া ও ভারি বৃষ্টিপাতে আলুক্ষেতের ব্যাপক ক্ষতি গুলিস্তানে নতুন টাকার বাজারে ম্যাজিস্ট্রেটের অভিযান, পালালেন ব্যবসায়ীরা, ঈদ সামনে রেখে কমিশন বাণিজ্যে ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ

উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের স্বাস্থ্য খাতের সংকট যেন কাটছেই না, ৫৭ কোটির ভবন ফাঁকা, রোগীরা বারান্দায়

স্টাফ রিপোর্টার রংপুর।
  • আপডেট সময় : ০৩:০৩:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৫ ১৭৭ বার পড়া হয়েছে

উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের স্বাস্থ্য খাতের সংকট যেন কাটছেই না, ৫৭ কোটির ভবন ফাঁকা, রোগীরা বারান্দায়

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

স্টাফ রিপোর্টার রংপুর।

উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের স্বাস্থ্য খাতের সংকট যেন কাটছেই না। হস্তান্তরের ৯ মাস পেরিয়ে গেলেও প্রয়োজনীয় জনবল ও জিনিসপত্রের অভাবে সেবা চালু হয়নি পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের ২৫০ শয্যার নতুন বহুতল ভবনে। শূন্য ভবনে জমছে ধুলাবালু।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, জনবল, আসবাব ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির অভাবে ওই ভবনে চিকিৎসাসেবা চালু করা যাচ্ছে না। এ কারণে পুরোনো ভবনে ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি রোগীর সেবা দিতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসকেরা। এখন ১০০ শয্যায় হাসপাতালটিতে চিকিৎসককে সামলাতে হচ্ছে ৩ গুণ বেশি রোগী। সেবা নিতে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে রোগীদের। বছরের পর বছর চিকিৎসকের দাবিতে আন্দোলন করে এলেও তার সুফল এখনো মেলেনি।

জনবল, আসবাব ও যন্ত্রপাতির অভাবে চালু হয়নি নতুন ভবন

চিকিৎসককে সামলাতে হচ্ছে ৩ গুণ বেশি রোগী।

ফার্মাসিস্টদের বিরুদ্ধে রোগী দেখার অভিযোগ।

জানা গেছে, ১০০ শয্যার পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে ৩৭ জন চিকিৎসক পদের বিপরীতে কর্মরত মাত্র ১৬ জন। জ্যেষ্ঠ কনসালট্যান্স ৭টি পদের বিপরীতে ২ জন ও জুনিয়র কনসালট্যান্ট ১১টি পদের বিপরীতে রয়েছেন মাত্র ৪ জন।

সরেজমিনে দেখা গেছে, হাসপাতালের ভেতরে শয্যার তিন গুণ রোগী ভর্তি হয়ে গাদাগাদি করে চিকিৎসা নিতে বাধ্য হচ্ছেন। জায়গা না পাওয়ায় বারান্দা ও মেঝেতে থেকে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে তাঁদের। এক বেডে দুজন রোগীও চিকিৎসা নিচ্ছেন।

হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে, ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে ৫৭ কোটি ৩৮ লাখ টাকা ব্যয়ে পঞ্চগড় ১০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালটি ২৫০ শয্যায় উন্নীতকরণ প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। সাড়ে ৬ বছর পর ২০২৪ সালের জুন মাসে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয় নতুন ভবনটি। হস্তান্তরের ৯ মাস পেরিয়ে গেলেও সেবা চালু করা হয়নি ২৫০ শয্যার নতুন বহুতল ভবনে। প্রয়োজনীয় জনবল ও জিনিসপত্রের অভাবে নতুন ভবনে সেবা স্থানান্তর করা যাচ্ছে বলে দাবি স্বাস্থ্য বিভাগের।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সিভিল সার্জন মিজানুর রহমান জানান, জনবল ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র না থাকায় এখনো নতুন এই ভবনটি চালু করা সম্ভব হচ্ছে না। জনবল ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের চাহিদা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের স্বাস্থ্য খাতের সংকট যেন কাটছেই না, ৫৭ কোটির ভবন ফাঁকা, রোগীরা বারান্দায়

আপডেট সময় : ০৩:০৩:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৫
print news

স্টাফ রিপোর্টার রংপুর।

উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের স্বাস্থ্য খাতের সংকট যেন কাটছেই না। হস্তান্তরের ৯ মাস পেরিয়ে গেলেও প্রয়োজনীয় জনবল ও জিনিসপত্রের অভাবে সেবা চালু হয়নি পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের ২৫০ শয্যার নতুন বহুতল ভবনে। শূন্য ভবনে জমছে ধুলাবালু।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, জনবল, আসবাব ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির অভাবে ওই ভবনে চিকিৎসাসেবা চালু করা যাচ্ছে না। এ কারণে পুরোনো ভবনে ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি রোগীর সেবা দিতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসকেরা। এখন ১০০ শয্যায় হাসপাতালটিতে চিকিৎসককে সামলাতে হচ্ছে ৩ গুণ বেশি রোগী। সেবা নিতে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে রোগীদের। বছরের পর বছর চিকিৎসকের দাবিতে আন্দোলন করে এলেও তার সুফল এখনো মেলেনি।

জনবল, আসবাব ও যন্ত্রপাতির অভাবে চালু হয়নি নতুন ভবন

চিকিৎসককে সামলাতে হচ্ছে ৩ গুণ বেশি রোগী।

ফার্মাসিস্টদের বিরুদ্ধে রোগী দেখার অভিযোগ।

জানা গেছে, ১০০ শয্যার পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে ৩৭ জন চিকিৎসক পদের বিপরীতে কর্মরত মাত্র ১৬ জন। জ্যেষ্ঠ কনসালট্যান্স ৭টি পদের বিপরীতে ২ জন ও জুনিয়র কনসালট্যান্ট ১১টি পদের বিপরীতে রয়েছেন মাত্র ৪ জন।

সরেজমিনে দেখা গেছে, হাসপাতালের ভেতরে শয্যার তিন গুণ রোগী ভর্তি হয়ে গাদাগাদি করে চিকিৎসা নিতে বাধ্য হচ্ছেন। জায়গা না পাওয়ায় বারান্দা ও মেঝেতে থেকে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে তাঁদের। এক বেডে দুজন রোগীও চিকিৎসা নিচ্ছেন।

হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে, ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে ৫৭ কোটি ৩৮ লাখ টাকা ব্যয়ে পঞ্চগড় ১০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালটি ২৫০ শয্যায় উন্নীতকরণ প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। সাড়ে ৬ বছর পর ২০২৪ সালের জুন মাসে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয় নতুন ভবনটি। হস্তান্তরের ৯ মাস পেরিয়ে গেলেও সেবা চালু করা হয়নি ২৫০ শয্যার নতুন বহুতল ভবনে। প্রয়োজনীয় জনবল ও জিনিসপত্রের অভাবে নতুন ভবনে সেবা স্থানান্তর করা যাচ্ছে বলে দাবি স্বাস্থ্য বিভাগের।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সিভিল সার্জন মিজানুর রহমান জানান, জনবল ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র না থাকায় এখনো নতুন এই ভবনটি চালু করা সম্ভব হচ্ছে না। জনবল ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের চাহিদা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।