ঢাকা ০২:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হৃদরোগে আক্রান্ত ৫ মাসের আব্রাহামের চিকিৎসায় প্রয়োজন ২ লাখ টাকা ব্রেন টিউমার থেকে অনেকটা ঝুঁকিমুক্ত অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চন সৌদির কারাগারে সাড়ে ৭ হাজার বন্দী, মৃত্যুদণ্ডে রায়ের অনুলিপি চায় সরকার উপসাগরীয় দেশগুলোর তেল ও এআই স্থাপনায় হামলার হুমকি ইরানের ভারতের মুসলিমদের নাগরিক অধিকার রক্ষায় সোচ্চার হওয়ার আহ্বান এনসিপি নেতার চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৩৪ মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় ১৫০ জনের মৃত্যু জাতীয় নাগরিক পার্টির ১৯৫ সদস্যের পুনর্গঠিত কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা সিরাজগঞ্জে জাতীয় পার্টির উদ্যোগে ঐতিহাসিক উপজেলা দিবস পালিত গাজীপুরে কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় পুলিশ কর্মকর্তা ও বিএনপি নেতা নিহত চকরিয়ায় বাস-পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২

কিয়ামতের দিন আল্লাহর আরশের ছায়া পাবেন যে সাত শ্রেণির মানুষ

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১১:০৮:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬ ১৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মানুষের জীবনের প্রকৃত সফলতার মানদণ্ড ধন-সম্পদ, ক্ষমতা কিংবা খ্যাতি নয়। ইতিহাস সাক্ষী দেয়, দুনিয়ার সব প্রভাব ও ভোগবিলাস একদিন মাটির নিচে বিলীন হয়ে যাবে। কিয়ামতের দিন সব পার্থিব কীর্তি অর্থহীন হয়ে পড়বে। কোরআনে কিয়ামতের দিনকে ভয়ের ও অসহায়ত্বের দিন হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে, যেখানে সূর্য মানুষের মাথার একেবারে কাছে থাকবে এবং তীব্র উত্তাপে মানুষ ঘামে ডুবে থাকবে। সেদিন আল্লাহর আরশের ছায়া ছাড়া আর কোনো আশ্রয় থাকবে না। পবিত্র কোরআনে এরশাদ হয়েছে, 'সেদিন ধন-সম্পদ কিংবা সন্তান কোনো কাজে আসবে না। শুধু সেই ব্যক্তি ছাড়া, যে আল্লাহর কাছে হাজির হবে কল্যাণময় অন্তর নিয়ে।' (সুরা শুআরা : ৮৮-৮৯)।

রাসুলুল্লাহ (সা.) সেই বিশেষ সৌভাগ্যবান শ্রেণির কথা স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, যাদের আল্লাহ কিয়ামতের দিন তাঁর আরশের ছায়ায় আশ্রয় দেবেন। তিনি বলেন, 'সাত শ্রেণির মানুষকে আল্লাহ তাআলা কিয়ামতের দিন তাঁর আরশের ছায়ায় রাখবেন, সেদিন আল্লাহর ছায়া ছাড়া আর কোনো ছায়া থাকবে না।' (বোখারি : ৬৬০)।

এই সাত শ্রেণির মানুষ হলেন: ১. ন্যায়পরায়ণ শাসক: যিনি ক্ষমতার আসনে থেকেও ন্যায়ের মানদণ্ডে অটল থাকেন। ২. যে যুবক আল্লাহর ইবাদতে বেড়ে ওঠে: দুনিয়ার ভোগবাদী সংস্কৃতিকে অস্বীকার করে যে যুবক নিজেকে আল্লাহর ইচ্ছার কাছে সঁপে দেয়। মহানবী (সা.) বলেন, 'কিয়ামতের দিনে মানুষের দুই পা সরবে না, যতক্ষণ না সে পাঁচটি বিষয়ে হিসাব দেয়—জীবন, যৌবন, সম্পদ, জ্ঞান ও আমল।' (তিরমিজি : ২৪১৬)। ৩. যার অন্তর মসজিদের সঙ্গে জড়িয়ে থাকে: যে বান্দা প্রতিনিয়ত মসজিদে এসে নামাজ আদায় করে। ৪. দুই ব্যক্তি, যারা আল্লাহর জন্য একে অপরকে ভালোবাসে: যাদের সম্পর্ক পার্থিব স্বার্থের ঊর্ধ্বে। ৫. যে মানুষকে কোনো সৌন্দর্যময় নারী ব্যভিচারে আহ্বান করলে সে বলে, 'আমি আল্লাহকে ভয় করি': পাপের আকর্ষণ থাকা সত্ত্বেও যে আল্লাহভীতির কারণে তা থেকে বিরত থাকে। ৬. যে গোপনে দান করে: এমনভাবে দান করে যে তার ডান হাত কী দান করছে তা বাম হাতও জানে না। কোরআনে বলা হয়েছে, 'তোমরা যদি প্রকাশ্যে সদকা দাও, তা ভালো; আর যদি তা গোপনে দিয়ে গরিবদের পৌঁছাও, তবে তা তোমাদের জন্য আরো উত্তম।' (সুরা বাকারা : ২৭১)। ৭. যে একান্তে আল্লাহকে স্মরণ করে চোখের অশ্রু ঝরায়: নির্জনে আল্লাহকে স্মরণ করলে হৃদয় কোমল হয়। মহানবী (সা.) বলেন, 'দু'চোখকে আগুন স্পর্শ করবে না, যার একটি হলো সেই চোখ, যা আল্লাহভীতিতে কেঁদেছে।' (তিরমিজি : ১৬৩৯)।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

কিয়ামতের দিন আল্লাহর আরশের ছায়া পাবেন যে সাত শ্রেণির মানুষ

আপডেট সময় : ১১:০৮:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

মানুষের জীবনের প্রকৃত সফলতার মানদণ্ড ধন-সম্পদ, ক্ষমতা কিংবা খ্যাতি নয়। ইতিহাস সাক্ষী দেয়, দুনিয়ার সব প্রভাব ও ভোগবিলাস একদিন মাটির নিচে বিলীন হয়ে যাবে। কিয়ামতের দিন সব পার্থিব কীর্তি অর্থহীন হয়ে পড়বে। কোরআনে কিয়ামতের দিনকে ভয়ের ও অসহায়ত্বের দিন হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে, যেখানে সূর্য মানুষের মাথার একেবারে কাছে থাকবে এবং তীব্র উত্তাপে মানুষ ঘামে ডুবে থাকবে। সেদিন আল্লাহর আরশের ছায়া ছাড়া আর কোনো আশ্রয় থাকবে না। পবিত্র কোরআনে এরশাদ হয়েছে, 'সেদিন ধন-সম্পদ কিংবা সন্তান কোনো কাজে আসবে না। শুধু সেই ব্যক্তি ছাড়া, যে আল্লাহর কাছে হাজির হবে কল্যাণময় অন্তর নিয়ে।' (সুরা শুআরা : ৮৮-৮৯)।

রাসুলুল্লাহ (সা.) সেই বিশেষ সৌভাগ্যবান শ্রেণির কথা স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, যাদের আল্লাহ কিয়ামতের দিন তাঁর আরশের ছায়ায় আশ্রয় দেবেন। তিনি বলেন, 'সাত শ্রেণির মানুষকে আল্লাহ তাআলা কিয়ামতের দিন তাঁর আরশের ছায়ায় রাখবেন, সেদিন আল্লাহর ছায়া ছাড়া আর কোনো ছায়া থাকবে না।' (বোখারি : ৬৬০)।

এই সাত শ্রেণির মানুষ হলেন: ১. ন্যায়পরায়ণ শাসক: যিনি ক্ষমতার আসনে থেকেও ন্যায়ের মানদণ্ডে অটল থাকেন। ২. যে যুবক আল্লাহর ইবাদতে বেড়ে ওঠে: দুনিয়ার ভোগবাদী সংস্কৃতিকে অস্বীকার করে যে যুবক নিজেকে আল্লাহর ইচ্ছার কাছে সঁপে দেয়। মহানবী (সা.) বলেন, 'কিয়ামতের দিনে মানুষের দুই পা সরবে না, যতক্ষণ না সে পাঁচটি বিষয়ে হিসাব দেয়—জীবন, যৌবন, সম্পদ, জ্ঞান ও আমল।' (তিরমিজি : ২৪১৬)। ৩. যার অন্তর মসজিদের সঙ্গে জড়িয়ে থাকে: যে বান্দা প্রতিনিয়ত মসজিদে এসে নামাজ আদায় করে। ৪. দুই ব্যক্তি, যারা আল্লাহর জন্য একে অপরকে ভালোবাসে: যাদের সম্পর্ক পার্থিব স্বার্থের ঊর্ধ্বে। ৫. যে মানুষকে কোনো সৌন্দর্যময় নারী ব্যভিচারে আহ্বান করলে সে বলে, 'আমি আল্লাহকে ভয় করি': পাপের আকর্ষণ থাকা সত্ত্বেও যে আল্লাহভীতির কারণে তা থেকে বিরত থাকে। ৬. যে গোপনে দান করে: এমনভাবে দান করে যে তার ডান হাত কী দান করছে তা বাম হাতও জানে না। কোরআনে বলা হয়েছে, 'তোমরা যদি প্রকাশ্যে সদকা দাও, তা ভালো; আর যদি তা গোপনে দিয়ে গরিবদের পৌঁছাও, তবে তা তোমাদের জন্য আরো উত্তম।' (সুরা বাকারা : ২৭১)। ৭. যে একান্তে আল্লাহকে স্মরণ করে চোখের অশ্রু ঝরায়: নির্জনে আল্লাহকে স্মরণ করলে হৃদয় কোমল হয়। মহানবী (সা.) বলেন, 'দু'চোখকে আগুন স্পর্শ করবে না, যার একটি হলো সেই চোখ, যা আল্লাহভীতিতে কেঁদেছে।' (তিরমিজি : ১৬৩৯)।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh