ঢাকা ০২:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভাঙ্গুড়ায় প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো শারদীয় দুর্গোৎসব আখচাষিদের প্রণোদনা তালিকায় এমপি আবু সাঈদ চাঁদের নাম, তুঙ্গে বিতর্ক প্রতিমা বিসর্জনে শেষ হলো শারদীয় দুর্গাপূজা: আবেগঘন বিদায় রংপুরে বাইক চোর চক্রের মূল হোতাসহ গ্রেপ্তার ৬, ৮টি বাইক উদ্ধার প্রশান্ত মহাসাগরে রেকর্ড তাপমাত্রা বৃদ্ধির শঙ্কা, সতর্ক করল জাতিসংঘ প্রধানমন্ত্রীর খুলনা-বাগেরহাট সফর আগামীকাল: মোংলা বন্দর ও বেজা ইকোনমিক জোন পরিদর্শন এবার শীতের তীব্রতা ও স্থায়িত্ব কম হতে পারে: অধিদপ্তর হুতি হামলার মুখে সৌদি আরবে ব্যক্তিগত উড়োজাহাজ ভাড়া ও বিমার খরচ ৫০% বাড়ল দৌলতখানে স্বেচ্ছাসেবক দলের লিফলেট বিতরণ, অতিরিক্ত মুনাফা বন্ধের আহ্বান পীরগঞ্জে পঞ্চগড় এক্সপ্রেসের ধাক্কায় বৃদ্ধের মৃত্যু

আখচাষিদের প্রণোদনা তালিকায় এমপি আবু সাঈদ চাঁদের নাম, তুঙ্গে বিতর্ক

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০১:০৮:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬ ১২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজশাহী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও সংসদ সদস্য আবু সাঈদ চাঁদের নাম আখচাষিদের জন্য বরাদ্দকৃত সরকারি প্রণোদনা পাওয়ার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। সরকারি এই সহায়তার তালিকাভুক্ত প্রথম ১৫ জনের মধ্যে তার নাম থাকায় বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্ন উঠেছে।

ঘটনার সূত্রপাত গত মঙ্গলবার রাজশাহীর হাজী মুহাম্মদ মহসীন উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে। ওই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আখচাষিদের জন্য মোবাইল ব্যাংকিং ও ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে সরকারি সহায়তার অর্থ পাঠানোর কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। রাজশাহী অঞ্চলের ১৫টি সুগার মিল জোনের ৩৮ হাজার ৯৭০ জন আখচাষির জন্য মোট ১২ কোটি টাকা প্রণোদনা বরাদ্দ দেওয়া হয়। সেই অনুষ্ঠানে চেক গ্রহণকারীদের তালিকার শুরুতেই আবু সাঈদ চাঁদের নাম ছিল।

নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে গিয়ে আবু সাঈদ চাঁদ দাবি করেন, সংসদ সদস্য হলেও তিনি একজন নিবন্ধিত আখচাষি। তিনি বলেন, 'আমি একজন কৃষক। আমার বাবাও কৃষক ছিলেন। কৃষক হিসেবে অন্য চাষিদের মতো আমিও প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে আখচাষির প্রণোদনার চেক নিয়েছি।' তিনি জানান, তাদের পরিবার বংশপরম্পরায় আখ চাষের সঙ্গে যুক্ত এবং তিনি নিজেও বিভিন্ন কৃষিপণ্য উৎপাদন করেন। রাজশাহী সুগার মিলে তার আখ সরবরাহের প্রয়োজনীয় নথিপত্র রয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।

একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে তার এই সহায়তা গ্রহণ কতটা যৌক্তিক, তা নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে মতভেদ দেখা দিয়েছে। অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন, আর্থিকভাবে সচ্ছল একজন জনপ্রতিনিধির প্রণোদনা নেওয়া নৈতিকভাবে কতটুকু সঠিক। আনিকুল ইসলাম নামে এক ফেসবুক ব্যবহারকারী মন্তব্য করেন, কৃষক হিসেবে তার পরিচয় সত্য হলেও জনপ্রতিনিধি হিসেবে বিতর্ক এড়াতে তার নাম প্রত্যাহার করা উচিত ছিল। মনিরুল ইসলাম নামে আরেকজন মনে করেন, এই অর্থ কোনো দরিদ্র কৃষকের পাওয়া উচিত ছিল। তবে ইশতিয়াক হাসান রাসেল ও পলাশসহ কয়েকজন ব্যবহারকারী চাঁদের কৃষিজীবী পরিচয়ের সপক্ষে অবস্থান নিয়ে দাবি করেন যে, তিনি দীর্ঘকাল ধরে কৃষিকাজের সঙ্গে জড়িত।

আবু সাঈদ চাঁদ সংবাদ প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট তথ্য যাচাই করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আখ চাষ, আখ সরবরাহ এবং কৃষকদের জন্য সরকারি প্রণোদনা পৃথক বিষয়। বিষয়টি নিয়ে জনমনে তৈরি হওয়া বিতর্ক নিরসনে এবং জনআস্থা ধরে রাখতে উপকারভোগীদের যোগ্যতা ও তালিকা তৈরির প্রক্রিয়া স্বচ্ছ করার দাবি উঠেছে।

প্রকাশ : ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০০: ৩৮আপডেট : ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০০: ৪০

রাজশাহী অঞ্চলের ১৫টি সুগার মিল জোনের ৩৮ হাজার ৯৭০ জন আখচাষির জন্য মোট ১২ কোটি টাকা প্রণোদনা বরাদ্দ দেওয়া হয়। এ অনুষ্ঠানে চেক গ্রহণকারীদের তালিকার প্রথম ১৫ জনের মধ্যে রাজশাহী-৬ (বাঘা-চারঘাট) আসনের সংসদ সদস্য আবু সাঈদ চাঁদের নাম থাকায় বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনায় আসে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

আখচাষিদের প্রণোদনা তালিকায় এমপি আবু সাঈদ চাঁদের নাম, তুঙ্গে বিতর্ক

আপডেট সময় : ০১:০৮:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

রাজশাহী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও সংসদ সদস্য আবু সাঈদ চাঁদের নাম আখচাষিদের জন্য বরাদ্দকৃত সরকারি প্রণোদনা পাওয়ার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। সরকারি এই সহায়তার তালিকাভুক্ত প্রথম ১৫ জনের মধ্যে তার নাম থাকায় বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্ন উঠেছে।

ঘটনার সূত্রপাত গত মঙ্গলবার রাজশাহীর হাজী মুহাম্মদ মহসীন উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে। ওই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আখচাষিদের জন্য মোবাইল ব্যাংকিং ও ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে সরকারি সহায়তার অর্থ পাঠানোর কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। রাজশাহী অঞ্চলের ১৫টি সুগার মিল জোনের ৩৮ হাজার ৯৭০ জন আখচাষির জন্য মোট ১২ কোটি টাকা প্রণোদনা বরাদ্দ দেওয়া হয়। সেই অনুষ্ঠানে চেক গ্রহণকারীদের তালিকার শুরুতেই আবু সাঈদ চাঁদের নাম ছিল।

নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে গিয়ে আবু সাঈদ চাঁদ দাবি করেন, সংসদ সদস্য হলেও তিনি একজন নিবন্ধিত আখচাষি। তিনি বলেন, 'আমি একজন কৃষক। আমার বাবাও কৃষক ছিলেন। কৃষক হিসেবে অন্য চাষিদের মতো আমিও প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে আখচাষির প্রণোদনার চেক নিয়েছি।' তিনি জানান, তাদের পরিবার বংশপরম্পরায় আখ চাষের সঙ্গে যুক্ত এবং তিনি নিজেও বিভিন্ন কৃষিপণ্য উৎপাদন করেন। রাজশাহী সুগার মিলে তার আখ সরবরাহের প্রয়োজনীয় নথিপত্র রয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।

একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে তার এই সহায়তা গ্রহণ কতটা যৌক্তিক, তা নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে মতভেদ দেখা দিয়েছে। অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন, আর্থিকভাবে সচ্ছল একজন জনপ্রতিনিধির প্রণোদনা নেওয়া নৈতিকভাবে কতটুকু সঠিক। আনিকুল ইসলাম নামে এক ফেসবুক ব্যবহারকারী মন্তব্য করেন, কৃষক হিসেবে তার পরিচয় সত্য হলেও জনপ্রতিনিধি হিসেবে বিতর্ক এড়াতে তার নাম প্রত্যাহার করা উচিত ছিল। মনিরুল ইসলাম নামে আরেকজন মনে করেন, এই অর্থ কোনো দরিদ্র কৃষকের পাওয়া উচিত ছিল। তবে ইশতিয়াক হাসান রাসেল ও পলাশসহ কয়েকজন ব্যবহারকারী চাঁদের কৃষিজীবী পরিচয়ের সপক্ষে অবস্থান নিয়ে দাবি করেন যে, তিনি দীর্ঘকাল ধরে কৃষিকাজের সঙ্গে জড়িত।

আবু সাঈদ চাঁদ সংবাদ প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট তথ্য যাচাই করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আখ চাষ, আখ সরবরাহ এবং কৃষকদের জন্য সরকারি প্রণোদনা পৃথক বিষয়। বিষয়টি নিয়ে জনমনে তৈরি হওয়া বিতর্ক নিরসনে এবং জনআস্থা ধরে রাখতে উপকারভোগীদের যোগ্যতা ও তালিকা তৈরির প্রক্রিয়া স্বচ্ছ করার দাবি উঠেছে।

প্রকাশ : ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০০: ৩৮আপডেট : ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০০: ৪০

রাজশাহী অঞ্চলের ১৫টি সুগার মিল জোনের ৩৮ হাজার ৯৭০ জন আখচাষির জন্য মোট ১২ কোটি টাকা প্রণোদনা বরাদ্দ দেওয়া হয়। এ অনুষ্ঠানে চেক গ্রহণকারীদের তালিকার প্রথম ১৫ জনের মধ্যে রাজশাহী-৬ (বাঘা-চারঘাট) আসনের সংসদ সদস্য আবু সাঈদ চাঁদের নাম থাকায় বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনায় আসে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh