ঢাকা ০৯:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রিয়াদে প্রাণঘাতী হামলার আগে সৌদির আগাম সতর্কবার্তা ব্যবস্থা কেন নীরব ছিল সৌদি আরবের আরামকো তেল স্থাপনায় হুতি বিদ্রোহীদের হামলা রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রে আধুনিক স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা স্থাপন সম্পন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে ধৈর্য ও আল্লাহর স্মরণে মুমিনের করণীয় প্রথম ভারতীয় সুপারস্টার অশোক কুমারের জীবন ও ক্যারিয়ারের অজানা কথা আখাউড়া প্রশাসনে বহিরাগত ‘পাবলিক পেশকার’ আমজাদের দাপট বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া নারী ক্রিকেট ও চ্যাম্পিয়নস লিগের আজকের সূচি আজ ৫৭তম বিশ্ব মান দিবস: সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব জ্বালানিতে জোর ময়মনসিংহে স্কুলে শিক্ষক-শিক্ষিকার মারামারির ভিডিও ভাইরাল দুর্যোগ মোকাবিলায় তালতলীতে ৬০ স্বেচ্ছাসেবককে বিশেষ প্রশিক্ষণ

প্রাকৃতিক দুর্যোগে ধৈর্য ও আল্লাহর স্মরণে মুমিনের করণীয়

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৮:১০:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় বিচলিত না হয়ে ধৈর্য ধারণ করা একজন মুমিনের প্রকৃত পরিচয়। আল্লাহ তায়ালা বিভিন্ন বিপদাপদ দিয়ে মানুষকে পরীক্ষা ও সতর্ক করেন। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ বলেন, 'আমি অবশ্যই কিছু ভয়, ক্ষুধা এবং জানমাল ও ফলফলাদির ক্ষতির মাধ্যমে তোমাদের পরীক্ষা করব। তুমি ধৈর্যশীলদের সুসংবাদ দাও, যারা নিজেদের বিপদ-মসিবতের সময় বলে, নিশ্চয় আমরা আল্লাহর জন্য এবং নিশ্চয় আমরা আল্লাহর কাছেই ফিরে যাব। তাদের ওপর রয়েছে তাদের রবের পক্ষ থেকে মাগফিরাত ও রহমত এবং তারাই হেদায়াতপ্রাপ্ত।'

দুর্যোগের সময় ক্ষয়ক্ষতি থেকে বাঁচতে এবং আল্লাহর রহমত পেতে কিছু সুন্নত আমল অনুসরণ করা জরুরি। ভূমিকম্প, সূর্যগ্রহণ, প্রবল ঝোড়ো বাতাস বা বন্যার মতো দুর্যোগের মুহূর্তে সবার উচিত আল্লাহর কাছে তওবা করা, ক্ষমা প্রার্থনা করা, তাঁকে স্মরণ করা এবং নিরাপত্তার জন্য দোয়া করা। রাসুলুল্লাহ (সা.) নির্দেশ দিয়েছেন, 'দ্রুততার সঙ্গে আল্লাহর জিকির কর, তাঁর কাছে তওবা কর।'

আল্লাহকে স্মরণ করার সর্বোত্তম উপায় হলো নামাজ পড়া, কোরআন তেলাওয়াত করা এবং দোয়া-দরুদ পাঠ করা। দুর্যোগের সময় বিপন্মুক্ত থাকতে ইস্তিগফার ও তাসবিহ পাঠ করাও কার্যকর উপায়। হাদিসে বর্ণিত আছে, যখন প্রচণ্ড ঝোড়ো হাওয়া বইত, তখন রাসুলুল্লাহ (সা.) মসজিদে যেতেন এবং নামাজে মশগুল হতেন (মিশকাতুল মাসাবিহ : ৬৯৬)।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

প্রাকৃতিক দুর্যোগে ধৈর্য ও আল্লাহর স্মরণে মুমিনের করণীয়

আপডেট সময় : ০৮:১০:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় বিচলিত না হয়ে ধৈর্য ধারণ করা একজন মুমিনের প্রকৃত পরিচয়। আল্লাহ তায়ালা বিভিন্ন বিপদাপদ দিয়ে মানুষকে পরীক্ষা ও সতর্ক করেন। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ বলেন, 'আমি অবশ্যই কিছু ভয়, ক্ষুধা এবং জানমাল ও ফলফলাদির ক্ষতির মাধ্যমে তোমাদের পরীক্ষা করব। তুমি ধৈর্যশীলদের সুসংবাদ দাও, যারা নিজেদের বিপদ-মসিবতের সময় বলে, নিশ্চয় আমরা আল্লাহর জন্য এবং নিশ্চয় আমরা আল্লাহর কাছেই ফিরে যাব। তাদের ওপর রয়েছে তাদের রবের পক্ষ থেকে মাগফিরাত ও রহমত এবং তারাই হেদায়াতপ্রাপ্ত।'

দুর্যোগের সময় ক্ষয়ক্ষতি থেকে বাঁচতে এবং আল্লাহর রহমত পেতে কিছু সুন্নত আমল অনুসরণ করা জরুরি। ভূমিকম্প, সূর্যগ্রহণ, প্রবল ঝোড়ো বাতাস বা বন্যার মতো দুর্যোগের মুহূর্তে সবার উচিত আল্লাহর কাছে তওবা করা, ক্ষমা প্রার্থনা করা, তাঁকে স্মরণ করা এবং নিরাপত্তার জন্য দোয়া করা। রাসুলুল্লাহ (সা.) নির্দেশ দিয়েছেন, 'দ্রুততার সঙ্গে আল্লাহর জিকির কর, তাঁর কাছে তওবা কর।'

আল্লাহকে স্মরণ করার সর্বোত্তম উপায় হলো নামাজ পড়া, কোরআন তেলাওয়াত করা এবং দোয়া-দরুদ পাঠ করা। দুর্যোগের সময় বিপন্মুক্ত থাকতে ইস্তিগফার ও তাসবিহ পাঠ করাও কার্যকর উপায়। হাদিসে বর্ণিত আছে, যখন প্রচণ্ড ঝোড়ো হাওয়া বইত, তখন রাসুলুল্লাহ (সা.) মসজিদে যেতেন এবং নামাজে মশগুল হতেন (মিশকাতুল মাসাবিহ : ৬৯৬)।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh