ঢাকা ০৯:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জগন্নাথপুরে প্রবাসীর স্ত্রী হত্যায় জিতেশ চন্দ্র গোপের মৃত্যুদণ্ড আর না ফেরার শর্তে চুয়েট ছাড়লেন উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম পুনর্গঠন হচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটি ইন্দোনেশিয়ায় ভয়াবহ দাবানলে ৩০০ বাড়ি ভস্মীভূত, ঘরছাড়া হাজারো মানুষ পল্লবীতে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু, মাসে পাবেন আড়াই হাজার টাকা আবুধাবি টেস্টে জয়ের সুবাস পেয়েও ড্রয়ে হতাশ বাংলাদেশ ৩০ ঘণ্টা পর অবরুদ্ধ চুয়েট উপাচার্যকে উদ্ধার করলেন ডিসি–এসপি বিএনপির মুখে জুলাই আর অন্তরে আওয়ামী লীগ: হাসনাত আব্দুল্লাহ বোরহানউদ্দিনে সবজি চাষ ও বাজারজাতকরণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা ঢাবি ক্যাম্পাসে গাড়িচাপায় ৭ শিক্ষার্থী আহত, চালক সহপাঠী আটক

সাতক্ষীরায় দেড় লক্ষাধিক দিয়াশলাই কাঠিতে তৈরি দুর্গা প্রতিমা

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১২:০৭:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



শরতের মেঘ আর কাশফুলের দোলায় মর্ত্যে দেবীপক্ষের সূচনা হয়েছে। এই উৎসবের আমেজ এখন সাতক্ষীরার মন্দির ও পূজামণ্ডপগুলোতে। সাতক্ষীরা সদরের ধুলিহর-ব্রহ্মরাজপুর শ্রীশ্রী দুর্গাপূজা মণ্ডপে এবার এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দর্শনার্থীদের জন্য বাঁশ, খড় ও মাটির কাঠামোর ওপর দেড় লক্ষাধিক দিয়াশলাই কাঠি এবং ১০ কেজিরও বেশি রেশমি সুতা ব্যবহার করে একটি দৃষ্টিনন্দন দুর্গা প্রতিমা তৈরি করা হয়েছে। এই ব্যতিক্রমী আয়োজন দেখতে এখন থেকেই দর্শনার্থীরা ভিড় জমাচ্ছেন।

প্রতিমা শিল্পী নবদ্বীপ সরকার জানান, ২০২৩ সালে কলকাতায় কাজের অভিজ্ঞতার আলোকে তিনি এই উদ্যোগ নিয়েছেন। চারজন শিল্পী দিন-রাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে এই প্রতিমা তৈরি করছেন। দিয়াশলাই কাঠির মাথার বারুদের দাহ্যতা বা তেজস্ক্রিয়তা দূর করতে বিশেষ আঠা ও মেডিসিন ব্যবহার করা হয়েছে, ফলে কোনো ঝুঁকির আশঙ্কা নেই। এছাড়া নিরাপত্তার স্বার্থে মন্দির চত্বরটি সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে। গত ১৬ সেপ্টেম্বর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অর্ণব কুমার দত্ত, সদর থানার ওসি এবং ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তারা প্রতিমাটি পর্যবেক্ষণ ও ট্রায়াল সম্পন্ন করেছেন।

ব্রহ্মরাজপুর সার্বজনীন শ্রী শ্রী দুর্গা মন্দির পরিচালনা কমিটির সহকারী কোষাধ্যক্ষ অমিত কুমার ঘোষ জানান, কেবল প্রতিমা তৈরির পারিশ্রমিক বাবদ শিল্পীদের ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে এবং সব মিলিয়ে পূজার ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৫ লাখ টাকা। জমিদার পশুপতি মিত্রের প্রতিষ্ঠিত এই পূজা ২০০ বছরের বেশি সময় ধরে পালিত হয়ে আসছে। গত বছরও ১০০ কেজি চিনিগুঁড়া ধান দিয়ে প্রতিমা বানিয়ে সাড়া ফেলেছিল এই মন্দির কর্তৃপক্ষ।

সাতক্ষীরা জেলায় এবার ৫৯০টি মণ্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যা গত বছরের তুলনায় বেশি। বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, সাতক্ষীরা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক বিশ্বনাথ ঘোষ জানান, গত শুক্রবার মহালয়ার মাধ্যমে দেবীর মর্ত্যে আগমনের শুভ সূচনা হয়েছে। আগামী ১৭ অক্টোবর মহাষষ্ঠী এবং ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমীর মধ্য দিয়ে শারদীয়া দুর্গোৎসব শেষ হবে। মা এবার ঘোড়ায় চড়ে আসবেন এবং নৌকায় বিদায় নেবেন।

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, সাতক্ষীরা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক বিশ্বনাথ ঘোষ জানান, গত বছর জেলায় ৫৮৭টি পূজা অনুষ্ঠিত হলেও এবার ৫৯০টি মণ্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

সাতক্ষীরায় দেড় লক্ষাধিক দিয়াশলাই কাঠিতে তৈরি দুর্গা প্রতিমা

আপডেট সময় : ১২:০৭:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬

শরতের মেঘ আর কাশফুলের দোলায় মর্ত্যে দেবীপক্ষের সূচনা হয়েছে। এই উৎসবের আমেজ এখন সাতক্ষীরার মন্দির ও পূজামণ্ডপগুলোতে। সাতক্ষীরা সদরের ধুলিহর-ব্রহ্মরাজপুর শ্রীশ্রী দুর্গাপূজা মণ্ডপে এবার এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দর্শনার্থীদের জন্য বাঁশ, খড় ও মাটির কাঠামোর ওপর দেড় লক্ষাধিক দিয়াশলাই কাঠি এবং ১০ কেজিরও বেশি রেশমি সুতা ব্যবহার করে একটি দৃষ্টিনন্দন দুর্গা প্রতিমা তৈরি করা হয়েছে। এই ব্যতিক্রমী আয়োজন দেখতে এখন থেকেই দর্শনার্থীরা ভিড় জমাচ্ছেন।

প্রতিমা শিল্পী নবদ্বীপ সরকার জানান, ২০২৩ সালে কলকাতায় কাজের অভিজ্ঞতার আলোকে তিনি এই উদ্যোগ নিয়েছেন। চারজন শিল্পী দিন-রাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে এই প্রতিমা তৈরি করছেন। দিয়াশলাই কাঠির মাথার বারুদের দাহ্যতা বা তেজস্ক্রিয়তা দূর করতে বিশেষ আঠা ও মেডিসিন ব্যবহার করা হয়েছে, ফলে কোনো ঝুঁকির আশঙ্কা নেই। এছাড়া নিরাপত্তার স্বার্থে মন্দির চত্বরটি সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে। গত ১৬ সেপ্টেম্বর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অর্ণব কুমার দত্ত, সদর থানার ওসি এবং ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তারা প্রতিমাটি পর্যবেক্ষণ ও ট্রায়াল সম্পন্ন করেছেন।

ব্রহ্মরাজপুর সার্বজনীন শ্রী শ্রী দুর্গা মন্দির পরিচালনা কমিটির সহকারী কোষাধ্যক্ষ অমিত কুমার ঘোষ জানান, কেবল প্রতিমা তৈরির পারিশ্রমিক বাবদ শিল্পীদের ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে এবং সব মিলিয়ে পূজার ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৫ লাখ টাকা। জমিদার পশুপতি মিত্রের প্রতিষ্ঠিত এই পূজা ২০০ বছরের বেশি সময় ধরে পালিত হয়ে আসছে। গত বছরও ১০০ কেজি চিনিগুঁড়া ধান দিয়ে প্রতিমা বানিয়ে সাড়া ফেলেছিল এই মন্দির কর্তৃপক্ষ।

সাতক্ষীরা জেলায় এবার ৫৯০টি মণ্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যা গত বছরের তুলনায় বেশি। বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, সাতক্ষীরা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক বিশ্বনাথ ঘোষ জানান, গত শুক্রবার মহালয়ার মাধ্যমে দেবীর মর্ত্যে আগমনের শুভ সূচনা হয়েছে। আগামী ১৭ অক্টোবর মহাষষ্ঠী এবং ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমীর মধ্য দিয়ে শারদীয়া দুর্গোৎসব শেষ হবে। মা এবার ঘোড়ায় চড়ে আসবেন এবং নৌকায় বিদায় নেবেন।

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, সাতক্ষীরা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক বিশ্বনাথ ঘোষ জানান, গত বছর জেলায় ৫৮৭টি পূজা অনুষ্ঠিত হলেও এবার ৫৯০টি মণ্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh