ঢাকা ০৩:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সোবহানার সেঞ্চুরি, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের রেকর্ড সংগ্রহ ৫ বছর পর ন্যান্সি ও জাহিদ নিরবের দ্বৈত গান ‘দিওয়ানা দিল’ তুরস্কে পর্যটকবাহী বাস ও টো ট্রাকের সংঘর্ষে নিহত ১১, আহত ২৭ পিরোজপুরে ডেঙ্গু ও কিশোর গ্যাং দমনে প্রতিমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশনা জাতীয় ক্রিকেট লিগে একদিনে পাঁচ ব্যাটারের সেঞ্চুরি দিল্লির রাজপথে প্রতিবাদের ভূত যেভাবে মোদি সরকারকে তাড়া করছে দুর্গাপূজায় নৈরাজ্য সৃষ্টির অপচেষ্টা রুখতে সজাগ থাকার আহ্বান রিজভীর আয়াসসহ চারজনের বিরুদ্ধে যেসব ধারায় মামলা, রিমান্ডের আদেশ চাঁদপুরে জেলেদের ৫ টন চাল জব্দ, তদন্ত কমিটি গঠন নতুন রেকর্ডের হাতছানি হানসি ফ্লিকের বার্সেলোনার সামনে

মালয়েশিয়ায় ২৬৫ বাংলাদেশির পাসপোর্ট জব্দ, আটক ২০

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৮:২৮:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



মালয়েশিয়ায় বিদেশি কর্মী নিয়োগের কোটা অপব্যবহারের বিরুদ্ধে বড় ধরনের অভিযান চালিয়েছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ। এই অভিযানে ২৬৫টি বাংলাদেশিসহ মোট ৩৪১টি বিদেশি পাসপোর্ট জব্দ করা হয়েছে। একই সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ১১ জন বাংলাদেশিসহ ২০ জনকে আটক করা হয়েছে।

দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা বারনামার বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, গত বৃহস্পতিবার মালয়েশিয়ার তামান দাতুক আহমাদ রাজালি এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়। অভিবাসন বিভাগের গোয়েন্দা ও বিশেষ অভিযান বিভাগ এবং অভ্যন্তরীণ রাজস্ব বোর্ডের কর্মকর্তারা যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করেন। গোপন সূত্রে পাওয়া তথ্য ও গোয়েন্দা অনুসন্ধানের ভিত্তিতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান জানিয়েছেন, আটক ব্যক্তিদের বয়স ২৩ থেকে ৪৭ বছরের মধ্যে। তাদের মধ্যে চক্রটির সঙ্গে জড়িত সন্দেহে দুই বাংলাদেশি পুরুষ ও ছয়জন স্থানীয় নারী কর্মী রয়েছেন। এ ছাড়া ‘গ্রাহক’ হিসেবে ১২ জন বিদেশিকে আটক করা হয়েছে, যাদের মধ্যে নয়জন বাংলাদেশি পুরুষ এবং তিনজন ইন্দোনেশীয় নারী রয়েছেন।

প্রাথমিক তদন্তের তথ্যানুযায়ী, একটি চক্র বিদেশি কর্মী নিয়োগের অনুমোদিত কোটা ব্যবহার করে অবৈধভাবে মোটা অঙ্কের অর্থ উপার্জন করছিল। চক্রটি একটি প্রতিষ্ঠানের নামে অস্থায়ী কর্মসংস্থান ভিজিট পাসের (পিএলকেএস) আওতায় কর্মী এনেছিল। তবে তাদের নিজস্ব প্রতিষ্ঠানে কাজ না দিয়ে অর্থের বিনিময়ে অন্য প্রতিষ্ঠানের কাছে সরবরাহ করা হতো। কোটা পাওয়ার জন্য প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রকৃত অবস্থার সঙ্গে মেলে না এমন ভুয়া তথ্য জমা দেওয়ার বিষয়টিও খতিয়ে দেখছে কর্তৃপক্ষ।

তদন্তে আরও দেখা গেছে, কোটা পাওয়া কর্মীরা মূল নিয়োগকর্তার অধীনে কাজ করতেন না। এই অবৈধ চক্রটি প্রতি কর্মী বাবদ ৩ হাজার ৮০০ থেকে ৫ হাজার মালয়েশীয় রিঙ্গিত পর্যন্ত অবৈধ মুনাফা করত বলে ধারণা করা হচ্ছে। পাশাপাশি, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো প্রকৃত আর্থিক হিসাবের তুলনায় কম মুনাফা দেখিয়ে কর ফাঁকি দিয়েছে এবং ২০২০ থেকে ২০২৩ করবর্ষে ব্যক্তিগত আয় ঘোষণা করেনি বলেও তদন্তে উঠে এসেছে।

অভিযান চলাকালে বাংলাদেশিদের ২৬৫টি পাসপোর্ট ছাড়াও ইন্দোনেশিয়ার ৬৩টি, পাকিস্তানের ১২টি এবং ভারতের একটি পাসপোর্ট জব্দ করা হয়। এছাড়া অবৈধভাবে উপার্জিত বলে সন্দেহভাজন ৬ হাজার ৭০০ মালয়েশীয় রিঙ্গিত নগদ অর্থ উদ্ধার করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

মালয়েশিয়ায় ২৬৫ বাংলাদেশির পাসপোর্ট জব্দ, আটক ২০

আপডেট সময় : ০৮:২৮:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬

মালয়েশিয়ায় বিদেশি কর্মী নিয়োগের কোটা অপব্যবহারের বিরুদ্ধে বড় ধরনের অভিযান চালিয়েছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ। এই অভিযানে ২৬৫টি বাংলাদেশিসহ মোট ৩৪১টি বিদেশি পাসপোর্ট জব্দ করা হয়েছে। একই সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ১১ জন বাংলাদেশিসহ ২০ জনকে আটক করা হয়েছে।

দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা বারনামার বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, গত বৃহস্পতিবার মালয়েশিয়ার তামান দাতুক আহমাদ রাজালি এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়। অভিবাসন বিভাগের গোয়েন্দা ও বিশেষ অভিযান বিভাগ এবং অভ্যন্তরীণ রাজস্ব বোর্ডের কর্মকর্তারা যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করেন। গোপন সূত্রে পাওয়া তথ্য ও গোয়েন্দা অনুসন্ধানের ভিত্তিতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান জানিয়েছেন, আটক ব্যক্তিদের বয়স ২৩ থেকে ৪৭ বছরের মধ্যে। তাদের মধ্যে চক্রটির সঙ্গে জড়িত সন্দেহে দুই বাংলাদেশি পুরুষ ও ছয়জন স্থানীয় নারী কর্মী রয়েছেন। এ ছাড়া ‘গ্রাহক’ হিসেবে ১২ জন বিদেশিকে আটক করা হয়েছে, যাদের মধ্যে নয়জন বাংলাদেশি পুরুষ এবং তিনজন ইন্দোনেশীয় নারী রয়েছেন।

প্রাথমিক তদন্তের তথ্যানুযায়ী, একটি চক্র বিদেশি কর্মী নিয়োগের অনুমোদিত কোটা ব্যবহার করে অবৈধভাবে মোটা অঙ্কের অর্থ উপার্জন করছিল। চক্রটি একটি প্রতিষ্ঠানের নামে অস্থায়ী কর্মসংস্থান ভিজিট পাসের (পিএলকেএস) আওতায় কর্মী এনেছিল। তবে তাদের নিজস্ব প্রতিষ্ঠানে কাজ না দিয়ে অর্থের বিনিময়ে অন্য প্রতিষ্ঠানের কাছে সরবরাহ করা হতো। কোটা পাওয়ার জন্য প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রকৃত অবস্থার সঙ্গে মেলে না এমন ভুয়া তথ্য জমা দেওয়ার বিষয়টিও খতিয়ে দেখছে কর্তৃপক্ষ।

তদন্তে আরও দেখা গেছে, কোটা পাওয়া কর্মীরা মূল নিয়োগকর্তার অধীনে কাজ করতেন না। এই অবৈধ চক্রটি প্রতি কর্মী বাবদ ৩ হাজার ৮০০ থেকে ৫ হাজার মালয়েশীয় রিঙ্গিত পর্যন্ত অবৈধ মুনাফা করত বলে ধারণা করা হচ্ছে। পাশাপাশি, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো প্রকৃত আর্থিক হিসাবের তুলনায় কম মুনাফা দেখিয়ে কর ফাঁকি দিয়েছে এবং ২০২০ থেকে ২০২৩ করবর্ষে ব্যক্তিগত আয় ঘোষণা করেনি বলেও তদন্তে উঠে এসেছে।

অভিযান চলাকালে বাংলাদেশিদের ২৬৫টি পাসপোর্ট ছাড়াও ইন্দোনেশিয়ার ৬৩টি, পাকিস্তানের ১২টি এবং ভারতের একটি পাসপোর্ট জব্দ করা হয়। এছাড়া অবৈধভাবে উপার্জিত বলে সন্দেহভাজন ৬ হাজার ৭০০ মালয়েশীয় রিঙ্গিত নগদ অর্থ উদ্ধার করা হয়েছে।