বিদায়ী ম্যাচে বেনিনের বিশেষ উপহার পেলেন মেসি ও স্ত্রী
- আপডেট সময় : ০৮:৫৭:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

আর্জেন্টিনার জার্সিতে লিওনেল মেসির ২১ বছরের বর্ণাঢ্য আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি ঘটেছে। ৩৭ দিন আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অবসরের ঘোষণা দিলেও, আজ ঘরের মাঠে দর্শকদের সামনে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় নিলেন এই কিংবদন্তি। ভোরবেলায় অনুষ্ঠিত আর্জেন্টিনা-বেনিন ম্যাচটি কেবল একটি খেলাই ছিল না, বরং ছিল এক আবেগময় বিদায়ের মঞ্চ।
বিদায়ী এই বিশেষ দিনে বেনিন ফুটবল দল মেসি ও তার স্ত্রী আন্তোনেলা রোকুজ্জোকে সম্মান জানাতে বিশেষ উপহারের আয়োজন করে। বেনিনের মিডফিল্ডার সেসি দি আলমেদা মাঠে মেসির সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং তাকে দাহোমের অ্যামাজনের একটি ক্ষুদ্র প্রতিকৃতি উপহার দেন। দি আলমেদা স্প্যানিশ ভাষায় ব্যাখ্যা করে জানান, এটি একটি মহান শক্তির প্রতীক এবং মূলত মেসির স্ত্রীর জন্য এই উপহারটি আনা হয়েছে।
উপহারের তালিকায় শুধু প্রতিকৃতিই ছিল না, বেনিন দল মেসিকে একটি গোলাপ, দুই জাতীয় দলের মধ্যে প্রথাগত পেন্যান্ট এবং ফুটবলারদের পক্ষ থেকে একটি হাতে লেখা চিঠিও উপহার দেয়। সব উপহার গ্রহণ করে মেসি রেফারিদের সঙ্গে দুই অধিনায়কের ঐতিহ্যবাহী ছবির জন্য পোজ দেন। এরপরই শুরু হয় ম্যাচটি।
ম্যাচ শেষে মেসির বিদায় মুহূর্তটি ছিল অত্যন্ত আবেগঘন। নিজের বিদায়ী ভাষণে মেসি কান্নায় ভেঙে পড়েন এবং আবেগ সামলে দীর্ঘ বক্তব্য রাখেন। মনুমেন্টাল স্টেডিয়ামে উপস্থিত দর্শকসহ কোচ লিওনেল স্কালোনি এবং সতীর্থ এনজো ফের্নান্দেসকেও কাঁদতে দেখা যায়। ২০২২ বিশ্বকাপ ও ২০২৪ কোপা আমেরিকা জয়ের সঙ্গী ফের্নান্দেস বলেন, লিও এই রাতটি উপভোগ করছেন আশা করছি, তবে তাকে আমরা খুব মিস করব।
বিদায়ী ম্যাচে মেসি নিজের নামের প্রতি সুবিচার করেছেন। দলের তিনটি গোলের পেছনেই ছিল তার অবদান। তিনি নিকো পাস ও নিকোলাস ওতামেন্দিকে দিয়ে গোল করিয়েছেন এবং ৭১ মিনিটে পেনাল্টি থেকে নিজে গোল করেছেন। মেসির পাশাপাশি ওতামেন্দিও এই ম্যাচের মাধ্যমে আর্জেন্টিনার জার্সিতে নিজের শেষ ম্যাচ খেলে ফেললেন। এছাড়া মেসির বন্ধু আনহেল দি মারিয়াও আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন। আতশবাজি ও সমর্থকদের উল্লাসের মধ্য দিয়ে বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা এই তারকার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের সমাপ্তি ঘটল।
আবেগ সামলে দীর্ঘ বক্তব্য দিয়েছেন আর্জেন্টিনার ৩৯ বছর বয়সী ফুটবলার।
২৫ বছর বয়সী আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার বলেন, ‘আসলেই দিনটা খুব আবেগঘন।



























