ঢাকা ০৮:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দিল্লিতে সিজেপির বিক্ষোভ পণ্ড, সাবেক মুখ্যমন্ত্রীসহ আটক ৮ হাজার সেগুনবাগিচায় গ্রাফিতি মোছার চেষ্টায় আটক আ ন ম আয়াস সিলেট বিভাগীয় ভিলেজ ইলেকট্রিশিয়ানদের সম্মেলন অনুষ্ঠিত সাত দিনে সংস্কার শেষে রাড্ডা স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র হস্তান্তর করলেন প্রতিমন্ত্রী দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে ধরপাকড় ও কড়াকড়ি, আটক শীর্ষ রাজনৈতিক নেতারা প্রাইম ব্যাংকের প্রায়োরিটি গ্রাহকদের জন্য প্ল্যান মেডি ট্রিপের বিশেষ সুবিধা বিক্ষোভকারীদের মুক্তি না দিলে অনশনের হুঁশিয়ারি সোনম ওয়াংচুকের দিল্লিতে সিজেপি প্রধান দিপকে আটক, আন্দোলনের নেতৃত্বে অজিঙ্ক শিন্ডে প্রাচীন মিশরীয় চিকিৎসা ও মস্তিষ্কের আঘাতের বৈজ্ঞানিক পর্যবেক্ষণ কোটালীপাড়ায় পোস্টার লাগানোর সময় ধারালো ছুরিসহ যুবক আটক

নেত্রকোনায় কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: আদালতে আত্মসমর্পণ ৩ জনের

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১২:৫৯:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



নেত্রকোনার দুর্গাপুরে এক কিশোরীকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ এবং ঘটনার ভিডিও ধারণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে চার যুবকের বিরুদ্ধে। অভিযুক্তরা কিশোরীর ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে অশ্লীল ভিডিও ধারণের চেষ্টা করেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। গত ১৭ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত ৩টার দিকে উপজেলার গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়নের পূর্ব দুবরাজপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত চার যুবক হলেন পূর্ব দুবরাজপুর গ্রামের সিরাজ মিয়ার ছেলে নাঈম মিয়া, ফরিদ মিয়ার ছেলে ঝুটন মিয়া, লাল মিয়ার ছেলে রুহুল আমিন এবং ডেকোরেশন মিস্ত্রি আজিজুল ইসলাম। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কিশোরী গত ১৮ সেপ্টেম্বর দুর্গাপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গত ৩০ সেপ্টেম্বর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দুর্গাপুর চৌকিতে অভিযুক্ত তিনজন আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। আদালতের বিচারক নুরুল আলম ভূইয়া তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। তবে আজিজুল ইসলাম বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।

ভুক্তভোগী পরিবার ও অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার দিন সন্ধ্যায় কিশোরী তার এক বান্ধবীর বড় ভাইয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়ার জন্য নাঈম মিয়ার বাড়িতে যান। বিয়ের কাজে সহযোগিতার পর রাত ৩টার দিকে বাড়ি ফেরার পথে অভিযুক্তরা তাকে পূর্ব দুবরাজপুর গ্রামের একটি পরিত্যক্ত ভিটায় নিয়ে যায়। অভিযোগে বলা হয়, সেখানে আজিজুল ইসলাম কিশোরীর মুখ চেপে ধরলে নাঈম যৌন নির্যাতন করেন। ঝুটন মিয়া তার কাপড় ছিঁড়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন এবং রুহুল আমিন মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে অশ্লীল ভিডিও ধারণের চেষ্টা করেন। কিশোরীর চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এলে অভিযুক্তরা মোবাইল ফোনটি নিয়ে পালিয়ে যায়। ফোনটির আনুমানিক মূল্য ১২ হাজার টাকা।

ভুক্তভোগী কিশোরী অভিযোগ করেন, ঘটনার পর স্থানীয় কয়েকজন মাতব্বর বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেছিলেন। তবে তিনি আইনি প্রতিকার চেয়ে থানায় অভিযোগ করেন। দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার শাকের আহমেদ জানিয়েছেন, পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে এবং পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং সচেতন মহল ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেছেন।

গত ১৮ সেপ্টেম্বর দুর্গাপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দেন ভুক্তভোগী কিশোরী (১৭)। অভিযোগে দুর্গাপুর উপজেলার গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়নের পূর্ব দুবরাজপুর গ্রামের নাঈম (২০), ঝুটন (২১), রুহুল আমিন (২৬)সহ একজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়। তবে ওই ঘটনায় অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবে উল্লেখ করা ব্যক্তি ডেকোরেশন মিস্ত্রি আজিজুল ইসলাম (১৯) বলে জানা গে

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

নেত্রকোনায় কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: আদালতে আত্মসমর্পণ ৩ জনের

আপডেট সময় : ১২:৫৯:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬

নেত্রকোনার দুর্গাপুরে এক কিশোরীকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ এবং ঘটনার ভিডিও ধারণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে চার যুবকের বিরুদ্ধে। অভিযুক্তরা কিশোরীর ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে অশ্লীল ভিডিও ধারণের চেষ্টা করেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। গত ১৭ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত ৩টার দিকে উপজেলার গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়নের পূর্ব দুবরাজপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত চার যুবক হলেন পূর্ব দুবরাজপুর গ্রামের সিরাজ মিয়ার ছেলে নাঈম মিয়া, ফরিদ মিয়ার ছেলে ঝুটন মিয়া, লাল মিয়ার ছেলে রুহুল আমিন এবং ডেকোরেশন মিস্ত্রি আজিজুল ইসলাম। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কিশোরী গত ১৮ সেপ্টেম্বর দুর্গাপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গত ৩০ সেপ্টেম্বর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দুর্গাপুর চৌকিতে অভিযুক্ত তিনজন আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। আদালতের বিচারক নুরুল আলম ভূইয়া তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। তবে আজিজুল ইসলাম বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।

ভুক্তভোগী পরিবার ও অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার দিন সন্ধ্যায় কিশোরী তার এক বান্ধবীর বড় ভাইয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়ার জন্য নাঈম মিয়ার বাড়িতে যান। বিয়ের কাজে সহযোগিতার পর রাত ৩টার দিকে বাড়ি ফেরার পথে অভিযুক্তরা তাকে পূর্ব দুবরাজপুর গ্রামের একটি পরিত্যক্ত ভিটায় নিয়ে যায়। অভিযোগে বলা হয়, সেখানে আজিজুল ইসলাম কিশোরীর মুখ চেপে ধরলে নাঈম যৌন নির্যাতন করেন। ঝুটন মিয়া তার কাপড় ছিঁড়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন এবং রুহুল আমিন মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে অশ্লীল ভিডিও ধারণের চেষ্টা করেন। কিশোরীর চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এলে অভিযুক্তরা মোবাইল ফোনটি নিয়ে পালিয়ে যায়। ফোনটির আনুমানিক মূল্য ১২ হাজার টাকা।

ভুক্তভোগী কিশোরী অভিযোগ করেন, ঘটনার পর স্থানীয় কয়েকজন মাতব্বর বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেছিলেন। তবে তিনি আইনি প্রতিকার চেয়ে থানায় অভিযোগ করেন। দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার শাকের আহমেদ জানিয়েছেন, পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে এবং পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং সচেতন মহল ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেছেন।

গত ১৮ সেপ্টেম্বর দুর্গাপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দেন ভুক্তভোগী কিশোরী (১৭)। অভিযোগে দুর্গাপুর উপজেলার গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়নের পূর্ব দুবরাজপুর গ্রামের নাঈম (২০), ঝুটন (২১), রুহুল আমিন (২৬)সহ একজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়। তবে ওই ঘটনায় অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবে উল্লেখ করা ব্যক্তি ডেকোরেশন মিস্ত্রি আজিজুল ইসলাম (১৯) বলে জানা গে

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh