ঢাকা ০৫:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৩৫ বছরের পর আইনজীবী হওয়ার পথ বন্ধের উদ্যোগ শুধু রাজনৈতিক নয়, আমলাতন্ত্রেও সংস্কার জরুরি: ডেপুটি স্পিকার ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৯ জনের মৃত্যু, মোট আক্রান্ত ১ লাখ ৩ হাজার ৩৯৬ বগুড়ায় শিক্ষককে পিটিয়ে আহত করা শিক্ষার্থী বহিষ্কৃত, মামলার প্রস্তুতি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম নিয়ন্ত্রণে ডিসিদের কঠোর নির্দেশনা দিল সরকার শাওমি থেকে আইফোন, গ্রে মার্কেটে সয়লাব দেশের স্মার্টফোন বাজার ডেঙ্গু প্রতিরোধে পাড়ায় মাইকিং ও খুতবায় প্রচারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ড. ইউনূসকে হেনস্তায় ব্যবস্থা নেবে সরকার: তথ্য উপদেষ্টা সৌদির ফ্লাইট বিপর্যয়: ক্ষতিগ্রস্ত যাত্রীদের জন্য বেবিচকের সাত জরুরি নির্দেশনা বর্তমান সরকারের মেয়াদেই সচিবালয় আগারগাঁওয়ে স্থানান্তরের পরিকল্পনা

বাংলামোটরে চাঁদাবাজির অভিযোগে সাবেক যুবদল নেতাসহ ৪ জন আটক, আহত ১

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৭:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



রাজধানীর বাংলামোটর এলাকায় চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে মোহাম্মাদ সায়মন নামে সাবেক এক যুবদল নেতাকে তার তিন সহযোগীসহ আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় চাঁদা দাবি ও কথা-কাটাকাটির জেরে সায়মনের পিস্তলের আঘাতে মো. সোহান (৩৫) নামের এক ওষুধ ব্যবসায়ী গুরুতর আহত হন। এ সময় এলাকায় আতঙ্ক ছড়াতে ফাঁকা গুলি বর্ষণ ও মোটরসাইকেল ভাঙচুর-অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী ওষুধ ব্যবসায়ী সোহান জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে বাংলামোটরের রূপায়ণ টাওয়ারের উত্তর পাশের গলিতে সায়মন ও তার কয়েকজন সহযোগী হঠাৎ তার পথরোধ করেন। এ নিয়ে বাগ্‌বিতণ্ডার একপর্যায়ে সায়মন তার কোমর থেকে পিস্তল বের করে সোহানের মাথায় আঘাত করেন। এতে তার মাথা ফেটে রক্তক্ষরণ শুরু হয়। ঘটনার পর রক্তাক্ত সোহানকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

ব্যবসায়ীকে মারধরের পর আশেপাশের লোকজন এগিয়ে এলে সায়মন তাদের ভয় দেখাতে অন্তত দুই রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়েন। এরপরও স্থানীয় বাসিন্দারা জড়ো হয়ে ধাওয়া দিলে সায়মন তার সহযোগীদের নিয়ে পাশের একটি ভবনে আত্মগোপন করেন। ক্ষুব্ধ জনতা সায়মনের বাড়ির সামনে অবস্থান নিয়ে তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি ভাঙচুর করে এবং তাতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এর ফলে পুরো এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

খবর পেয়ে প্রথমে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং সায়মনকে উদ্ধার করতে ব্যর্থ হয়। পরবর্তীতে এআরবি, অতিরিক্ত পুলিশ এবং সোয়াট (SWAT) সদস্যরা সেখানে উপস্থিত হয়ে বিক্ষুব্ধ জনতাকে সরিয়ে দেন। এরপর ওই ভবন থেকে সায়মনসহ চারজনকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের হাতিরঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান জানান, কথা-কাটাকাটির জেরে সোহাগের (সোহান) মাথায় আঘাত করেন সায়মন। এতে তিনি আহত হন। পরবর্তীতে সায়মন দুই রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনার জেরে স্থানীয়রা জড়ো হলে পুলিশ গিয়ে সায়মনসহ চারজনকে আটক করে।

এদিকে অভিযুক্ত সায়মনের বিষয়ে যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদুল মিরাজ জানান, সায়মন দীর্ঘদিন ধরে আগ্নেয়াস্ত্রের ভয় দেখিয়ে মানুষকে তটস্থ করে রাখতেন। সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজির কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে তাকে অনেক আগেই হাতিরঝিল থানা যুবদলের আহ্বায়কের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

বাংলামোটরে চাঁদাবাজির অভিযোগে সাবেক যুবদল নেতাসহ ৪ জন আটক, আহত ১

আপডেট সময় : ০৭:৩৭:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬

রাজধানীর বাংলামোটর এলাকায় চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে মোহাম্মাদ সায়মন নামে সাবেক এক যুবদল নেতাকে তার তিন সহযোগীসহ আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় চাঁদা দাবি ও কথা-কাটাকাটির জেরে সায়মনের পিস্তলের আঘাতে মো. সোহান (৩৫) নামের এক ওষুধ ব্যবসায়ী গুরুতর আহত হন। এ সময় এলাকায় আতঙ্ক ছড়াতে ফাঁকা গুলি বর্ষণ ও মোটরসাইকেল ভাঙচুর-অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী ওষুধ ব্যবসায়ী সোহান জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে বাংলামোটরের রূপায়ণ টাওয়ারের উত্তর পাশের গলিতে সায়মন ও তার কয়েকজন সহযোগী হঠাৎ তার পথরোধ করেন। এ নিয়ে বাগ্‌বিতণ্ডার একপর্যায়ে সায়মন তার কোমর থেকে পিস্তল বের করে সোহানের মাথায় আঘাত করেন। এতে তার মাথা ফেটে রক্তক্ষরণ শুরু হয়। ঘটনার পর রক্তাক্ত সোহানকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

ব্যবসায়ীকে মারধরের পর আশেপাশের লোকজন এগিয়ে এলে সায়মন তাদের ভয় দেখাতে অন্তত দুই রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়েন। এরপরও স্থানীয় বাসিন্দারা জড়ো হয়ে ধাওয়া দিলে সায়মন তার সহযোগীদের নিয়ে পাশের একটি ভবনে আত্মগোপন করেন। ক্ষুব্ধ জনতা সায়মনের বাড়ির সামনে অবস্থান নিয়ে তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি ভাঙচুর করে এবং তাতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এর ফলে পুরো এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

খবর পেয়ে প্রথমে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং সায়মনকে উদ্ধার করতে ব্যর্থ হয়। পরবর্তীতে এআরবি, অতিরিক্ত পুলিশ এবং সোয়াট (SWAT) সদস্যরা সেখানে উপস্থিত হয়ে বিক্ষুব্ধ জনতাকে সরিয়ে দেন। এরপর ওই ভবন থেকে সায়মনসহ চারজনকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের হাতিরঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান জানান, কথা-কাটাকাটির জেরে সোহাগের (সোহান) মাথায় আঘাত করেন সায়মন। এতে তিনি আহত হন। পরবর্তীতে সায়মন দুই রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনার জেরে স্থানীয়রা জড়ো হলে পুলিশ গিয়ে সায়মনসহ চারজনকে আটক করে।

এদিকে অভিযুক্ত সায়মনের বিষয়ে যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদুল মিরাজ জানান, সায়মন দীর্ঘদিন ধরে আগ্নেয়াস্ত্রের ভয় দেখিয়ে মানুষকে তটস্থ করে রাখতেন। সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজির কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে তাকে অনেক আগেই হাতিরঝিল থানা যুবদলের আহ্বায়কের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin