ধর্ষণের অভিযোগে আইনজীবী শামসুল ইসলামের জামিন আবেদন নামঞ্জুর
- আপডেট সময় : ০৫:৫৯:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর পল্টনে শিউলী হক নামে এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় এডভোকেট শামসুল ইসলামের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন হাইকোর্ট। গত ৩০শে সেপ্টেম্বর বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমান ও বিচারপতি মাহমুদ হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন। আদালতের নথিপত্র অনুযায়ী, ক্রিমিনাল আপিল নম্বর ৬৩২৭/২৬-এর অধীনে করা এই জামিন আবেদনটি সরাসরি নামঞ্জুরসহ আইটেম ডিলিট করা হয়েছে। শুনানিতে আসামিপক্ষে এডভোকেট মোহাম্মদ আলী এবং রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যার্টনি জেনারেল এডভোকেট জামিলা বেগম অংশ নেন। অভিযুক্ত এডভোকেট শামসুল ইসলাম সিলেটের হবিগঞ্জ জেলার লাখাই উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
মামলার এজহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী শিউলী হক কাপড় ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। ব্যবসা-সংক্রান্ত একটি মামলায় জেলহাজতে থাকাকালীন জামিনের জন্য তিনি আইনজীবী শামসুল হকের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং পরবর্তীতে তার মাধ্যমেই নিয়মিত আদালতে হাজিরা দিচ্ছিলেন। চলতি বছরের ৩০শে জানুয়ারি তিনি পল্টন মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) ধারায় মামলাটি দায়ের করেন। পুলিশ তদন্ত শেষে গত ২৮শে জুলাই আদালতে চার্জশিট দাখিল করে, যেখানে আসামির বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগের প্রমাণ পাওয়ার কথা উল্লেখ রয়েছে।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ অনুযায়ী, মামলার হাজিরার তারিখ জানার জন্য তিনি চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে বেশ কয়েকবার আইনজীবীর সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগের চেষ্টা করেন। ২৯শে জানুয়ারি সন্ধ্যায় যোগাযোগের পর রাত ৮টা ৮ মিনিটের দিকে আইনজীবী তাকে পল্টন থানার ১৭৭ শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম সরণির বিজয়নগর এলাকার মাহতাব সেন্টারের ১৬ তলার অফিসে ডেকে পাঠান। রাত ৯টার দিকে ওই নারী অফিসে পৌঁছালে সেখানে আইনজীবী একাই ছিলেন। রাত সাড়ে ৯টার দিকে কথা শেষ করে বের হওয়ার সময় আইনজীবী পেছন থেকে তার কাপড় টেনে ধরলে তিনি সোফায় পড়ে যান এবং সেখানেই তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয় বলে এজহারে উল্লেখ করা হয়েছে। ভুক্তভোগী আরও জানান, ধস্তাধস্তির সময় আসামির খামচানোর ফলে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে লালচে জখম হয়। ঘটনার পর বিষয়টি গোপন রাখার জন্য তাকে ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হয়েছিল এবং আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে পরামর্শের কারণে থানায় মামলা করতে বিলম্ব হয়েছে বলে এজহারে জানানো হয়।



























