ঢাকা ০৬:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সোবহানার সেঞ্চুরি, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের রেকর্ড সংগ্রহ ৫ বছর পর ন্যান্সি ও জাহিদ নিরবের দ্বৈত গান ‘দিওয়ানা দিল’ তুরস্কে পর্যটকবাহী বাস ও টো ট্রাকের সংঘর্ষে নিহত ১১, আহত ২৭ পিরোজপুরে ডেঙ্গু ও কিশোর গ্যাং দমনে প্রতিমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশনা জাতীয় ক্রিকেট লিগে একদিনে পাঁচ ব্যাটারের সেঞ্চুরি দিল্লির রাজপথে প্রতিবাদের ভূত যেভাবে মোদি সরকারকে তাড়া করছে দুর্গাপূজায় নৈরাজ্য সৃষ্টির অপচেষ্টা রুখতে সজাগ থাকার আহ্বান রিজভীর আয়াসসহ চারজনের বিরুদ্ধে যেসব ধারায় মামলা, রিমান্ডের আদেশ চাঁদপুরে জেলেদের ৫ টন চাল জব্দ, তদন্ত কমিটি গঠন নতুন রেকর্ডের হাতছানি হানসি ফ্লিকের বার্সেলোনার সামনে

হ্যান্ডকাপসহ পালিয়ে যাওয়া সেই আওয়ামী লীগ নেতা অবশেষে গ্রেপ্তার

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৭:০২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে হ্যান্ডকাপসহ আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত কুড়ালগাছি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি আবু সিদ্দীককে (৬০) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টার দিকে চুয়াডাঙ্গা সদর বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ নিয়ে আলোচিত এই ঘটনায় মোট নয়জনকে গ্রেপ্তার করা হলো।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাতে উপজেলার চণ্ডীপুর পূর্বপাড়া গ্রামের একটি মন্দিরের সামনে অভিযান চালিয়ে আবু সিদ্দীককে আটক করা হয়েছিল। তাঁকে থানায় নিয়ে আসার পথে তাঁর পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এতে দুই পুলিশ সদস্য আহত হন এবং হামলাকারীরা পুলিশের একটি মোটরসাইকেলের হেডলাইট ও লুকিং গ্লাস ভাঙচুর করেন। সেই সুযোগে আবু সিদ্দীক হ্যান্ডকাপসহ পালিয়ে যান।

এই ঘটনার পর পুলিশি অভিযানে চারজন নারীসহ আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের কাছ থেকে নয়টি বাঁশের লাঠি ও দুটি হাসুয়া জব্দ করা হয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন লক্ষণ হালদার, ফিরোজ হোসেন, ফরহাদ হোসেন, সোনালী হালদার, কণা রাণী, নাছিমা বেগম, আলম বাদশা ও ফুলন হালদার।

চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার মেহেদী শাহরিয়ার জানান, পুলিশের ওপর হামলা ও আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনাটি জানার পরপরই তাৎক্ষণিক অভিযান শুরু করা হয়। আটজনকে গ্রেপ্তারের পর মূল আসামি আবু সিদ্দীককেও আইনের আওতায় আনা হয়েছে। তিনি আরও জানান, এই ঘটনায় জড়িত অন্যান্যদেরও দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে। এর আগে বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে দর্শনা থানার ওসি তদন্ত মোহাম্মদ মোখলেছুর রহমানের নির্দেশে একাধিক মামলার আসামি আবু সিদ্দীককে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুর দেড়টার দিকে চুয়াডাঙ্গা সদর বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে আবু সিদ্দীককে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—উপজেলার চণ্ডীপুর গ্রামের রবি হালদারের ছেলে লক্ষণ হালদার (৩৮), সেলিম উদ্দিনের ছেলে ফিরোজ হোসেন (১৯), হারুনা রশিদের ছেলে ফরহাদ হোসেন (১৯), মিলনের স্ত্রী সোনালী হালদার (৩০), নবকুমারীর স্ত্রী কণা রাণী (২৫), খোকনের স্ত্রী নাছিমা বেগম (৪০), সদর মণ্ডলের ছেলে আলম বাদশা (৫৫) ও ফুলন হালদার (৩২)।

নিউজটি শেয়ার করুন

হ্যান্ডকাপসহ পালিয়ে যাওয়া সেই আওয়ামী লীগ নেতা অবশেষে গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ০৪:৩৭:০২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে হ্যান্ডকাপসহ আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত কুড়ালগাছি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি আবু সিদ্দীককে (৬০) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টার দিকে চুয়াডাঙ্গা সদর বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ নিয়ে আলোচিত এই ঘটনায় মোট নয়জনকে গ্রেপ্তার করা হলো।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাতে উপজেলার চণ্ডীপুর পূর্বপাড়া গ্রামের একটি মন্দিরের সামনে অভিযান চালিয়ে আবু সিদ্দীককে আটক করা হয়েছিল। তাঁকে থানায় নিয়ে আসার পথে তাঁর পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এতে দুই পুলিশ সদস্য আহত হন এবং হামলাকারীরা পুলিশের একটি মোটরসাইকেলের হেডলাইট ও লুকিং গ্লাস ভাঙচুর করেন। সেই সুযোগে আবু সিদ্দীক হ্যান্ডকাপসহ পালিয়ে যান।

এই ঘটনার পর পুলিশি অভিযানে চারজন নারীসহ আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের কাছ থেকে নয়টি বাঁশের লাঠি ও দুটি হাসুয়া জব্দ করা হয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন লক্ষণ হালদার, ফিরোজ হোসেন, ফরহাদ হোসেন, সোনালী হালদার, কণা রাণী, নাছিমা বেগম, আলম বাদশা ও ফুলন হালদার।

চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার মেহেদী শাহরিয়ার জানান, পুলিশের ওপর হামলা ও আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনাটি জানার পরপরই তাৎক্ষণিক অভিযান শুরু করা হয়। আটজনকে গ্রেপ্তারের পর মূল আসামি আবু সিদ্দীককেও আইনের আওতায় আনা হয়েছে। তিনি আরও জানান, এই ঘটনায় জড়িত অন্যান্যদেরও দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে। এর আগে বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে দর্শনা থানার ওসি তদন্ত মোহাম্মদ মোখলেছুর রহমানের নির্দেশে একাধিক মামলার আসামি আবু সিদ্দীককে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুর দেড়টার দিকে চুয়াডাঙ্গা সদর বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে আবু সিদ্দীককে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—উপজেলার চণ্ডীপুর গ্রামের রবি হালদারের ছেলে লক্ষণ হালদার (৩৮), সেলিম উদ্দিনের ছেলে ফিরোজ হোসেন (১৯), হারুনা রশিদের ছেলে ফরহাদ হোসেন (১৯), মিলনের স্ত্রী সোনালী হালদার (৩০), নবকুমারীর স্ত্রী কণা রাণী (২৫), খোকনের স্ত্রী নাছিমা বেগম (৪০), সদর মণ্ডলের ছেলে আলম বাদশা (৫৫) ও ফুলন হালদার (৩২)।