ঢাকা ০১:২৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সংসদ ভবনের সামনে শিক্ষিকার মৃত্যুর মামলায় আসামি রাকিবের জামিন লোরকা থেকে এভারেট: পাঠজীবন ও লেখার গল্প শোনালেন রেবেকা পেরি সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড: আগে না জানানোয় ঢাকার উদ্বেগ যুক্তরাষ্ট্রে ৩ বছর অপেক্ষার পর গ্রিন কার্ড পেলেন অভিনেত্রী মৌসুমী ঋণগ্রস্ত দেশের ৪৭ শতাংশ পরিবার, গ্রামে আর্থিক চাপ সবচেয়ে বেশি ইশরাকের পিস্তল উঁচানোর দৃশ্য ত্রাসের রাজত্বের বহিঃপ্রকাশ: জামায়াত সিভিতে জালিয়াতির অভিযোগে পুতুলের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন দুদকের ভোলায় জুয়ার আসরে ডিবি পুলিশের অভিযান, ছাত্র সমাজ নেতাসহ গ্রেপ্তার ৭ শেরেবাংলা নগরে সরছে সচিবালয়, মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পেল প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রী ৭টি সেনা ইউনিটকে জাতীয় পতাকা দিলেন সাভার সেনানিবাসে

২০২৭ শিক্ষাবর্ষে স্কুলে ভর্তিতে সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ কোটা নির্ধারণ

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০২:২৭:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১০ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দেশের সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে নতুন একটি কোটা পদ্ধতি অনুসরণের উদ্যোগ নিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে কার্যকর করার লক্ষ্যে এই ভর্তি নীতিমালার একটি খসড়া এরই মধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। মন্ত্রণালয় চূড়ান্ত অনুমোদন দিলে এবং প্রয়োজনে সভার মাধ্যমে আলোচনার প্রেক্ষিতে এতে পরিবর্তন আসতে পারে।

খসড়া নীতিমালার তথ্য অনুযায়ী, সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে মোট আসনের ১৪ শতাংশ কোটা সংরক্ষিত থাকবে। এর মধ্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা বা শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য ৫ শতাংশ, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য ২ শতাংশ, যমজদের জন্য ২ শতাংশ, সহোদর বা ভাই-বোনদের জন্য ৩ শতাংশ এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য ১ শতাংশ ও মন্ত্রণালয়ের অধীন অধিদপ্তর বা সংস্থায় কর্মরতদের সন্তানদের জন্য ১ শতাংশ কোটা রাখা হয়েছে।

বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে কোটার হার কিছুটা ভিন্ন। এখানে মোট ১৫ শতাংশ কোটা রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। সরকারি খাতের ১৪ শতাংশ কোটার সব নিয়ম এখানে বহাল থাকলেও অতিরিক্ত ১ শতাংশ কোটা বরাদ্দ রাখা হয়েছে লিল্লাহ বোর্ডিংয়ের শিশুদের জন্য। এই শিশুদের মূলধারার শিক্ষার সাথে সম্পৃক্ত করতেই প্রতিষ্ঠানগুলো এই কোটা ব্যবহারের সুযোগ পাবে।

রাজধানীর সরকারি বিদ্যালয়গুলোর ক্ষেত্রে আগের মতোই ক্যাচমেন্ট এরিয়া কোটা বহাল রাখা হয়েছে। ঢাকা মহানগরের সরকারি স্কুলগুলোতে স্থানীয় শিক্ষার্থীদের জন্য ৪০ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে। মাউশি সংশ্লিষ্ট সবাইকে এই ক্যাচমেন্ট এরিয়া সম্পর্কে অবহিত করবে। এছাড়া, স্বতন্ত্র সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পঞ্চম শ্রেণি পাস করা শিক্ষার্থীদের জন্য ষষ্ঠ শ্রেণিতে মোট আসনের ১০ শতাংশ সংরক্ষিত থাকবে।

মাউশির মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল জানান, সহোদর কোটা ৩ শতাংশে উন্নীত করার মাধ্যমে একই প্রতিষ্ঠানে ভাই-বোনদের পড়ার সুযোগ বাড়ানো হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এতে অভিভাবকদের ভোগান্তি ও নিরাপত্তাহীনতা অনেকাংশে কমে আসবে। এই খসড়া নীতিমালাটি এখন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

২০২৭ শিক্ষাবর্ষে স্কুলে ভর্তিতে সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ কোটা নির্ধারণ

আপডেট সময় : ০২:২৭:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশের সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে নতুন একটি কোটা পদ্ধতি অনুসরণের উদ্যোগ নিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে কার্যকর করার লক্ষ্যে এই ভর্তি নীতিমালার একটি খসড়া এরই মধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। মন্ত্রণালয় চূড়ান্ত অনুমোদন দিলে এবং প্রয়োজনে সভার মাধ্যমে আলোচনার প্রেক্ষিতে এতে পরিবর্তন আসতে পারে।

খসড়া নীতিমালার তথ্য অনুযায়ী, সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে মোট আসনের ১৪ শতাংশ কোটা সংরক্ষিত থাকবে। এর মধ্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা বা শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য ৫ শতাংশ, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য ২ শতাংশ, যমজদের জন্য ২ শতাংশ, সহোদর বা ভাই-বোনদের জন্য ৩ শতাংশ এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য ১ শতাংশ ও মন্ত্রণালয়ের অধীন অধিদপ্তর বা সংস্থায় কর্মরতদের সন্তানদের জন্য ১ শতাংশ কোটা রাখা হয়েছে।

বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে কোটার হার কিছুটা ভিন্ন। এখানে মোট ১৫ শতাংশ কোটা রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। সরকারি খাতের ১৪ শতাংশ কোটার সব নিয়ম এখানে বহাল থাকলেও অতিরিক্ত ১ শতাংশ কোটা বরাদ্দ রাখা হয়েছে লিল্লাহ বোর্ডিংয়ের শিশুদের জন্য। এই শিশুদের মূলধারার শিক্ষার সাথে সম্পৃক্ত করতেই প্রতিষ্ঠানগুলো এই কোটা ব্যবহারের সুযোগ পাবে।

রাজধানীর সরকারি বিদ্যালয়গুলোর ক্ষেত্রে আগের মতোই ক্যাচমেন্ট এরিয়া কোটা বহাল রাখা হয়েছে। ঢাকা মহানগরের সরকারি স্কুলগুলোতে স্থানীয় শিক্ষার্থীদের জন্য ৪০ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে। মাউশি সংশ্লিষ্ট সবাইকে এই ক্যাচমেন্ট এরিয়া সম্পর্কে অবহিত করবে। এছাড়া, স্বতন্ত্র সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পঞ্চম শ্রেণি পাস করা শিক্ষার্থীদের জন্য ষষ্ঠ শ্রেণিতে মোট আসনের ১০ শতাংশ সংরক্ষিত থাকবে।

মাউশির মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল জানান, সহোদর কোটা ৩ শতাংশে উন্নীত করার মাধ্যমে একই প্রতিষ্ঠানে ভাই-বোনদের পড়ার সুযোগ বাড়ানো হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এতে অভিভাবকদের ভোগান্তি ও নিরাপত্তাহীনতা অনেকাংশে কমে আসবে। এই খসড়া নীতিমালাটি এখন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh