কিশোর গ্যাং ও মাদক ব্যবসায়ীদের দমনে বড় অভিযানের ভাবনা
- আপডেট সময় : ১১:৩০:১৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

কিশোর গ্যাং, চাঁদাবাজ ও মাদক ব্যবসায়ীদের লাগাম টানতে নতুন করে বড় ধরনের একটি অভিযানের কথা ভাবছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এই বিশেষ অভিযানের ক্ষেত্রে ২০০২ সালে বিএনপি সরকারের সময় পরিচালিত ‘অপারেশন ক্লিনহার্ট’-কে উদাহরণ হিসেবে সামনে রাখা হচ্ছে। নীতিনির্ধারকদের লক্ষ্য হলো অপরাধ দমনে কঠোর পদক্ষেপের দৃশ্যমানতা নিশ্চিত করা এবং পরিস্থিতির আরও অবনতি রোধ করা। এই ‘ভিন্ন’ ধরনের অভিযানের আরেকটি উদ্দেশ্য হলো অপরাধীদের কাছে একটি কঠোর বার্তা পৌঁছে দেওয়া।
সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কয়েকটি ঘটনায় জনমনে নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। কুমিল্লা বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের পেছনে কিশোর গ্যাংয়ের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া গেছে। গত ১৮ সেপ্টেম্বর অপ্রতিম নিখোঁজ হওয়ার পরদিন কুমিল্লা সদর দক্ষিণের সানন্দা গ্রামের লালমাই পাহাড়ের জঙ্গল থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
কুমিল্লার এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ঢাকায় গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকে পরবর্তী ৪৭ ঘণ্টায় দখলচেষ্টা, লুটপাট ও ভাঙচুরের একাধিক ঘটনা ঘটেছে। মিরপুর-১ নম্বরের রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে দুই থেকে আড়াইশ মানুষের একটি দল হামলা চালিয়ে স্থাপনাটি গুঁড়িয়ে দিয়েছে। এছাড়া শনিবার রাতে ইসিবি চত্বরের নিউগিনি প্রপার্টিজে কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা, গুলি, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে, যার রেশ ছড়িয়েছে পার্শ্ববর্তী বাড়ি ও স্থাপনাগুলোতেও। পাশাপাশি মোহাম্মদপুর ও আদাবরে বাড়ি ও জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সূত্র বলছে, এই ধারাবাহিক ঘটনার প্রেক্ষাপটেই নতুন ধরনের অভিযানের বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। এদিকে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, সাম্প্রতিক এই ঘটনাগুলো বিচ্ছিন্ন কোনো বিষয় নয়, বরং ২০২৪ সালের আগস্টের পরবর্তী পরিস্থিতির ধারাবাহিকতা। কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে দখলবাজি ও চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছে সংস্থাটি।




























