ঢাকা ০৮:১৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
২০২৭ সালের দীপাবলিতে মুখোমুখি প্রভাস ও রণবীরের সিনেমা হাসপাতাল ব্যবস্থা ও চিকিৎসাবিজ্ঞানের বিকাশে মুসলমানদের ঐতিহাসিক অবদান প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইন পাস হলে বুমেরাং হতে পারে: টিআইবি বন্ধ কারখানা চালুর ঋণ বিতরণে মন্দা, বিতরণ মাত্র ৫৬১ কোটি টাকা আজকের খেলার সূচি: আফগানিস্তান-জিম্বাবুয়ে ওয়ানডে ও ইউরোপীয় ফুটবলের লড়াই প্রেসিডেন্টস ট্রফিতে ফিরছেন মোহাম্মদ রিজওয়ান বাংলাদেশ নারী টি-টোয়েন্টি দলের নতুন অধিনায়ক নাহিদা আক্তার মহাষ্টমী ও কুমারী পূজার আয়োজনে মুখরিত দেশজুড়ে মণ্ডপগুলো মুন্সীগঞ্জ ডিসি অফিসে ৮০ কিলোওয়াটের সোলার প্যানেল স্থাপন কানাডার সামরিক ঘাঁটিতে বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ড, নিহত অন্তত ৭

জয়পুরহাটে গৃহবধূ সাজেদা হত্যা মামলায় দুইজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৮:০০:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জয়পুরহাট শহরের জানিয়ার বাগান এলাকায় গৃহবধূ সাজেদা ইসলাম সাজু (৩৭) হত্যা মামলায় দুই আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জয়পুরহাট জেলা ও দায়রা জজ আদালত-১-এর বিচারক হাসিবুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে এবং অনাদায়ে আরও এক বছর করে কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন জয়পুরহাট সদর উপজেলার খনজনপুর এলাকার আনিছুর রহমানের ছেলে আবু সাঈদ (২৭) ও একই এলাকার জহুরুল ইসলামের ছেলে রাব্বী হোসেন (২৭)।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২২ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর জয়পুরহাট শহরের জানিয়ার বাগান এলাকায় ডা. পারভীনের পাঁচতলা ভবনের একটি ভাড়া বাসায় সাজেদা ইসলাম সাজুকে হত্যা করা হয়। ঘটনার সময় সাজেদা তার ছোট মেয়ে আরিফাকে নিয়ে ওই বাসায় থাকতেন এবং তার স্বামী হাফিজুল ইসলাম জেলার বাইরে চাকরি করতেন। পুলিশ বাসা থেকে হাত বাঁধা অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করে।

তদন্ত সূত্রে জানা যায়, সাজেদার মেয়ে যে স্কুলে পড়াশোনা করত, সেখানে কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে কাজ করতেন আবু সাঈদ। স্কুলে যাওয়া-আসার সুবাদে সাজেদার সঙ্গে তার পরিচয় ও সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এই সম্পর্কের জের ধরেই আবু সাঈদ ও রাব্বী হোসেন মিলে সাজেদাকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী, তারা সাজেদার মুখে কসটেপ লাগিয়ে এবং গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে তাকে হত্যা করেন।

ঘটনার দুই দিন পর ২৯ সেপ্টেম্বর নিহতের স্বামী হাফিজুল ইসলাম বাদী হয়ে জয়পুরহাট সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ আবু সাঈদ ও রাব্বী হোসেনকে গ্রেপ্তার করে এবং তারা আদালতে হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই জিয়াউর রহমান ২০২৩ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। দীর্ঘ বিচারিক কার্যক্রম শেষে আদালত এই রায় প্রদান করেন। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে সহকারী সরকারি কৌঁসুলি নূর-ই-আলম সিদ্দিক এবং আসামিপক্ষে আইনজীবী রফিকুল ইসলাম তালুকদার তরুণ ও মামুনুর রশীদ শুনানি করেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

জয়পুরহাটে গৃহবধূ সাজেদা হত্যা মামলায় দুইজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আপডেট সময় : ০৮:০০:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জয়পুরহাট শহরের জানিয়ার বাগান এলাকায় গৃহবধূ সাজেদা ইসলাম সাজু (৩৭) হত্যা মামলায় দুই আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জয়পুরহাট জেলা ও দায়রা জজ আদালত-১-এর বিচারক হাসিবুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে এবং অনাদায়ে আরও এক বছর করে কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন জয়পুরহাট সদর উপজেলার খনজনপুর এলাকার আনিছুর রহমানের ছেলে আবু সাঈদ (২৭) ও একই এলাকার জহুরুল ইসলামের ছেলে রাব্বী হোসেন (২৭)।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২২ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর জয়পুরহাট শহরের জানিয়ার বাগান এলাকায় ডা. পারভীনের পাঁচতলা ভবনের একটি ভাড়া বাসায় সাজেদা ইসলাম সাজুকে হত্যা করা হয়। ঘটনার সময় সাজেদা তার ছোট মেয়ে আরিফাকে নিয়ে ওই বাসায় থাকতেন এবং তার স্বামী হাফিজুল ইসলাম জেলার বাইরে চাকরি করতেন। পুলিশ বাসা থেকে হাত বাঁধা অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করে।

তদন্ত সূত্রে জানা যায়, সাজেদার মেয়ে যে স্কুলে পড়াশোনা করত, সেখানে কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে কাজ করতেন আবু সাঈদ। স্কুলে যাওয়া-আসার সুবাদে সাজেদার সঙ্গে তার পরিচয় ও সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এই সম্পর্কের জের ধরেই আবু সাঈদ ও রাব্বী হোসেন মিলে সাজেদাকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী, তারা সাজেদার মুখে কসটেপ লাগিয়ে এবং গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে তাকে হত্যা করেন।

ঘটনার দুই দিন পর ২৯ সেপ্টেম্বর নিহতের স্বামী হাফিজুল ইসলাম বাদী হয়ে জয়পুরহাট সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ আবু সাঈদ ও রাব্বী হোসেনকে গ্রেপ্তার করে এবং তারা আদালতে হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই জিয়াউর রহমান ২০২৩ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। দীর্ঘ বিচারিক কার্যক্রম শেষে আদালত এই রায় প্রদান করেন। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে সহকারী সরকারি কৌঁসুলি নূর-ই-আলম সিদ্দিক এবং আসামিপক্ষে আইনজীবী রফিকুল ইসলাম তালুকদার তরুণ ও মামুনুর রশীদ শুনানি করেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh