ঢাকা ০১:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বোয়িংয়ের সঙ্গে ১১টি নতুন বিমান কেনার চুক্তি করল বিমান বাংলাদেশ গ্রাম ও শহর: জীবনযাত্রার ভিন্নতা, শিশুদের স্বাস্থ্যে এগিয়ে গ্রাম উখিয়ায় বিজিবিকে লক্ষ্য করে গুলি, দেড় লাখ ইয়াবা উদ্ধার আজ বীরকন্যা প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারের ৯৪তম আত্মাহুতি দিবস হরমুজ প্রণালীতে আটকে পড়া বাংলাদেশি জাহাজ উদ্ধারে ইরানের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী হরমুজ প্রণালি খুলতে যুক্তরাষ্ট্রকে ৫ দিনের আলটিমেটাম দিল ইরান জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা ও বাড়তি চাপ লোক দেখানো ইবাদত থেকে বাঁচার উপায় ও করণীয় জমি ছাড়ার নোটিশে দিশেহারা নাটোরের দিনমজুরের কলেজপড়ুয়া তিন মেয়ে মক্কা প্রতিরক্ষা জোটের প্রথম মহাসচিব হলেন নোমান মাহমুদ

টাঙ্গাইলে ইউপি চেয়ারম্যান ফারুক হত্যায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৯:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



টাঙ্গাইল সদর উপজেলার দাইন্যা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম ফারুক হোসেন হত্যা মামলায় তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. ফয়সাল আল মামুন এই রায় ঘোষণা করেন। একই মামলায় আরও চার আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে এবং একজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন সাবেক সংসদ সদস্য আতাউর রহমান খানের ছেলে ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পা, মো. আজাদ এবং শাহজাহান। আদালত তাদের প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দিয়েছেন, যা অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। এই তিন আসামিই বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।

আদালত মো. সুজন, ছানোয়ার হোসেন, শফিকুল ইসলাম ও রুজবেলকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেছেন। তাদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে সুজন ও ছানোয়ার কারাগারে থাকলেও শফিকুল ইসলাম ও রুজবেল পলাতক। এছাড়া মামলার অপর আসামি সঞ্জিত ঘোষকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

মামলার নথি ও রাষ্ট্রপক্ষের তথ্যানুযায়ী, ২০১৩ সালের ২০ ডিসেম্বর ভোরে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার আকুরটাকুর বটতলা বাজার এলাকায় রফিকুল ইসলাম ফারুক হোসেনকে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা করে একদল সন্ত্রাসী। ঘটনার পরদিন নিহতের ছোট ভাই লাভলু মিয়া টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলাটি দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১৫ সালের ১৩ আগস্ট আটজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। বাদী নারাজি আবেদন জানালে আদালতের নির্দেশে মামলাটি সিআইডি পুনঃতদন্ত করে। ২০১৮ সালের ২৯ এপ্রিল সিআইডি আগের আট আসামির বিরুদ্ধেই পুনরায় অভিযোগপত্র জমা দেয়। দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়া ও সাক্ষ্যগ্রহণের পর আদালত এই রায় প্রদান করলেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

টাঙ্গাইলে ইউপি চেয়ারম্যান ফারুক হত্যায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় : ০৩:৫৯:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

টাঙ্গাইল সদর উপজেলার দাইন্যা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম ফারুক হোসেন হত্যা মামলায় তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. ফয়সাল আল মামুন এই রায় ঘোষণা করেন। একই মামলায় আরও চার আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে এবং একজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন সাবেক সংসদ সদস্য আতাউর রহমান খানের ছেলে ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পা, মো. আজাদ এবং শাহজাহান। আদালত তাদের প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দিয়েছেন, যা অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। এই তিন আসামিই বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।

আদালত মো. সুজন, ছানোয়ার হোসেন, শফিকুল ইসলাম ও রুজবেলকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেছেন। তাদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে সুজন ও ছানোয়ার কারাগারে থাকলেও শফিকুল ইসলাম ও রুজবেল পলাতক। এছাড়া মামলার অপর আসামি সঞ্জিত ঘোষকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

মামলার নথি ও রাষ্ট্রপক্ষের তথ্যানুযায়ী, ২০১৩ সালের ২০ ডিসেম্বর ভোরে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার আকুরটাকুর বটতলা বাজার এলাকায় রফিকুল ইসলাম ফারুক হোসেনকে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা করে একদল সন্ত্রাসী। ঘটনার পরদিন নিহতের ছোট ভাই লাভলু মিয়া টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলাটি দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১৫ সালের ১৩ আগস্ট আটজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। বাদী নারাজি আবেদন জানালে আদালতের নির্দেশে মামলাটি সিআইডি পুনঃতদন্ত করে। ২০১৮ সালের ২৯ এপ্রিল সিআইডি আগের আট আসামির বিরুদ্ধেই পুনরায় অভিযোগপত্র জমা দেয়। দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়া ও সাক্ষ্যগ্রহণের পর আদালত এই রায় প্রদান করলেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh