ঢাকা ০৮:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ দুবাইয়ে গ্রেফতার রাজধানীতে ৩ দিনে ট্রেনের ধাক্কায় ৪ জনের মৃত্যু টেকনাফে কোস্ট গার্ডের অভিযানে গ্রেনেড, গুলি, গাঁজা উদ্ধার ঠাকুরগাঁওয়ে প্রেমিকাকে ঘুরতে নিয়ে গিয়ে কিশোরীকে গণধর্ষণ প্রেমিক সহ গ্রেফতার-৩ সকাল ৯টায় অফিস, কিন্তু সাড়ে ৯টায়ও খোঁজ নেই অধিকাংশ কর্মকর্তার আবু সাঈদ হত্যা মামলার ৮০৯ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ ঢাকায় আমজাদহাট সোসাইটির ঈদ পুনর্মিলনী ও মতবিনিময় সভা ছাগলনাইয়া মানারাত হাসপাতালে ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় গৃহবধূর মৃত্যু মুগদায় হানি ট্র্যাপ থেকে কিশোর গ্যাং অপরাধ চক্রের দৌরাত্ম্যের অভিযোগ পরশুরামে প্রচেষ্টা স্বেচ্ছাসেবী ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে নতুন কমিটি গঠন

বিয়ে করেও বাঁচতে পারল না কুমারখালীর রেখা!

মো: আকাশ হোসেন কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় : ০৬:৫৮:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৩ ৩২৫ বার পড়া হয়েছে

বিয়ে করেও বাঁচতে পারল না কুমারখালীর রেখা!

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

মো: আকাশ হোসেন কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধিঃ কুষ্টিয়া পৌরসভার হাউজিং ই-ব্লক এলাকায় ভাগার থেকে গতকাল (৬ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় কম্বলে মোড়ানো অবস্থায় রেখা খাতুন (১৮) নামে এক কলেজ ছাত্রী মরদেহ উদ্ধার করে মডেল থানা পুলিশ। প্রেম করে দু-পরিবারের সম্মতিতে গত মাসের ১৮ নভেম্বর বিয়ে হয় সাতক্ষীরার হাফিজুর রহমানের সাথে রেখার। বিয়ের ১৯ দিনের মাথায় রেখাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি তার পরিবারের।

কুষ্টিয়ার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি সোহেল রানা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ধারণা করা হচ্ছে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর ফেলে রেখে যাই খুনিরা। তবে এটি একটি হত্যাকাণ্ড।

নিহত রেখা কুমারখালী উপজেলার নন্দলালপুর ইউনিয়নের বাখই গ্রামের আব্দুর রহিমের ছোটো মেয়ে কুমারখালী মহিলা কলেজের একাদশ শ্রেনীর ছাত্রী।

নিহত রেখার বাবা আব্দুর রহিম বলেন, বুধবার সকাল ৯টায় কলেজে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয় রেখা বিকেল গড়িয়ে গেলেও বাড়িতে না আসায় আত্নীয় স্বজনদের বাড়িতেও খোঁজ করে পাওয়া যাইনি। সন্ধ্যায় জানতে পারেন হাউজিং এলাকায় কম্বলে মোড়ানো অবস্থায় রেখার লাশ পাওয়া গেছে। পড়ে সদর হাসপাতালের মর্গে থেকে তার মেয়ের লাশ তিনি সনাক্ত করেন।

আব্দুর রহিম আরও বলেন, প্রেমের বিয়েতে রাজি ছিলেন না তার বড় জামাই আওলাদ তার পরেও পরিবারের সিদ্ধান্তে বিয়ে দেওয়া হলে বড় জামাই খুব রাগান্বিত হয়ে রেখাকে বকাঝকা করে। এখন কিসের থেকে কি হয়ে গেল আল্লাহ ভালো জানেন।

এবিষয়ে কথা হয় নিহতের দুলাভাই অভিযুক্ত আওলাদ হোসেনের সাথে তিনি বলেন, রেখা ফোনে মেহেদী ও হাফিজুরসহ বিভিন্ন ছেলেদের সাথে কথা বলতো বলে আমি রাগারাগী করতাম। এছাড়া ওর বিয়ের বিপক্ষে বা বিরোধিতা করেছি এমন অভিযোগ সঠিক নয় বলে দাবি তার।

কুষ্টিয়া মডেল থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক আলমগীর হোসেন জানান, প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে যে পরিকল্পিতভাবে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট পেলেই ঘটনার আসল কারণ জানা যাবে।

কুষ্টিয়া মডেল থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি সোহেল রানা বলেন, বুধবার রাতে হাউজিং এলাকায় কম্বল মোড়ানো এক নারীর মরদেহ ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এটি একটি হত্যাকান্ড। এঘটনায় এখনও কেউ অভিযোগ দেইনি। তবে যারাই এই হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত থাক তাদের গ্রেফতার করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

বিয়ে করেও বাঁচতে পারল না কুমারখালীর রেখা!

আপডেট সময় : ০৬:৫৮:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৩
print news

মো: আকাশ হোসেন কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধিঃ কুষ্টিয়া পৌরসভার হাউজিং ই-ব্লক এলাকায় ভাগার থেকে গতকাল (৬ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় কম্বলে মোড়ানো অবস্থায় রেখা খাতুন (১৮) নামে এক কলেজ ছাত্রী মরদেহ উদ্ধার করে মডেল থানা পুলিশ। প্রেম করে দু-পরিবারের সম্মতিতে গত মাসের ১৮ নভেম্বর বিয়ে হয় সাতক্ষীরার হাফিজুর রহমানের সাথে রেখার। বিয়ের ১৯ দিনের মাথায় রেখাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি তার পরিবারের।

কুষ্টিয়ার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি সোহেল রানা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ধারণা করা হচ্ছে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর ফেলে রেখে যাই খুনিরা। তবে এটি একটি হত্যাকাণ্ড।

নিহত রেখা কুমারখালী উপজেলার নন্দলালপুর ইউনিয়নের বাখই গ্রামের আব্দুর রহিমের ছোটো মেয়ে কুমারখালী মহিলা কলেজের একাদশ শ্রেনীর ছাত্রী।

নিহত রেখার বাবা আব্দুর রহিম বলেন, বুধবার সকাল ৯টায় কলেজে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয় রেখা বিকেল গড়িয়ে গেলেও বাড়িতে না আসায় আত্নীয় স্বজনদের বাড়িতেও খোঁজ করে পাওয়া যাইনি। সন্ধ্যায় জানতে পারেন হাউজিং এলাকায় কম্বলে মোড়ানো অবস্থায় রেখার লাশ পাওয়া গেছে। পড়ে সদর হাসপাতালের মর্গে থেকে তার মেয়ের লাশ তিনি সনাক্ত করেন।

আব্দুর রহিম আরও বলেন, প্রেমের বিয়েতে রাজি ছিলেন না তার বড় জামাই আওলাদ তার পরেও পরিবারের সিদ্ধান্তে বিয়ে দেওয়া হলে বড় জামাই খুব রাগান্বিত হয়ে রেখাকে বকাঝকা করে। এখন কিসের থেকে কি হয়ে গেল আল্লাহ ভালো জানেন।

এবিষয়ে কথা হয় নিহতের দুলাভাই অভিযুক্ত আওলাদ হোসেনের সাথে তিনি বলেন, রেখা ফোনে মেহেদী ও হাফিজুরসহ বিভিন্ন ছেলেদের সাথে কথা বলতো বলে আমি রাগারাগী করতাম। এছাড়া ওর বিয়ের বিপক্ষে বা বিরোধিতা করেছি এমন অভিযোগ সঠিক নয় বলে দাবি তার।

কুষ্টিয়া মডেল থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক আলমগীর হোসেন জানান, প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে যে পরিকল্পিতভাবে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট পেলেই ঘটনার আসল কারণ জানা যাবে।

কুষ্টিয়া মডেল থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি সোহেল রানা বলেন, বুধবার রাতে হাউজিং এলাকায় কম্বল মোড়ানো এক নারীর মরদেহ ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এটি একটি হত্যাকান্ড। এঘটনায় এখনও কেউ অভিযোগ দেইনি। তবে যারাই এই হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত থাক তাদের গ্রেফতার করা হবে।