গত ৭ মাসে রাষ্ট্রের মদদে মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়নি: মাহদী আমিন
- আপডেট সময় : ০২:০৮:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন দাবি করেছেন, গত সাত মাসে রাষ্ট্রের মদদে বা সরকারের প্রশাসনিক কোনো কারণে মানবাধিকার লঙ্ঘনের কোনো ঘটনা ঘটেনি। মঙ্গলবার ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্রের মদদে’ মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়টি আমি এই কারণে বলছি যে, অতীতে আমরা দেখেছি রাষ্ট্রের শীর্ষ পর্যায়ের ব্যক্তিদের নির্দেশে নিজ গৃহে কিংবা সরাসরি হেফাজতে তালিকা করা হতো। তিনি আরও বলেন, গত সাত মাসে সরকারের মানবাধিকার ও বাকস্বাধীনতার ক্ষেত্রে যে ট্র্যাক রেকর্ড দেখা যাচ্ছে, সেখানে রাষ্ট্রীয় মদদে বা রাজনৈতিক কারণে কাউকে হয়রানি করা হচ্ছে না। এই ইতিবাচক ধারা সরকার ধরে রাখতে চায়।
ড. মাহদী আমিন স্বীকার করেন যে, বিশাল রাষ্ট্র পরিচালনায় বিচ্ছিন্নভাবে তৃণমূলে কোনো ভুলভ্রান্তি বা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটতে পারে। তবে তিনি দৃঢ়তার সাথে বলেন, যখনই কেন্দ্রীয় পর্যায়ে এমন কোনো তথ্য আসে, সাথে সাথে তার বিরুদ্ধে সংশোধনমূলক ব্যবস্থা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হচ্ছে।
আইন প্রণয়নের বিষয়ে তিনি জানান, বর্তমান সরকার দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রায় ১০০টি অধ্যাদেশ পার্লামেন্টের প্রথম অধিবেশনে আইনে রূপান্তর করেছে, যা অভূতপূর্ব। তিনি বলেন, আইন প্রণয়নের সাথে যারা সরাসরি যুক্ত, তাদের কাছে বিভিন্ন মতামতের মানুষের বার্তা পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। প্রেসিডেন্টের অধ্যাদেশ ইতিমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে, তবে এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। যেকোনো আইন প্রণয়নের পর তা সংশোধনের সুযোগ থাকে এবং গ্লোবাল স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী আইনকে আরও উন্নত করতে সুশীল সমাজের সাথে পরামর্শ করা হচ্ছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ১৭ বছর পর গণতান্ত্রিক সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর রাষ্ট্র পরিচালনায় বিভিন্ন আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে ভিন্নমতের মানুষদের অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করছে। শতভাগ পরিবর্তন সম্ভব না হলেও বিভিন্ন স্তরের স্টেকহোল্ডারদের সাথে কথা বলা হচ্ছে এবং তাদের মতামতকে প্রাধান্য দিয়ে প্রয়োজন অনুযায়ী আইন সংশোধন করা হচ্ছে।
আলোচনা সভাটি সঞ্চালনা করেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটির সভাপতি ব্যারিস্টার মুহাম্মদ নওশাদ জমির, বাসদের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ডা. মনীষা চক্রবর্তী এবং চিকিৎসক ও তরুণ রাজনীতিবিদ ডা. তাসনিম জারা।



























