ঢাকা ০২:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্কুলে ঢুকে ছাত্রকে মারধর, ছাত্রদল সভাপতি আজীবন বহিষ্কার আফগানিস্তানের ১০টি লক্ষ্যবস্তুতে পাকিস্তানের বিমান ও ড্রোন হামলা দাউদকান্দি থানায় ১৭ কিশোরের পালানোর অভিযোগ, অস্বীকার পুলিশের বোয়িংয়ের সঙ্গে ১১টি নতুন বিমান কেনার চুক্তি করল বিমান বাংলাদেশ গ্রাম ও শহর: জীবনযাত্রার ভিন্নতা, শিশুদের স্বাস্থ্যে এগিয়ে গ্রাম উখিয়ায় বিজিবিকে লক্ষ্য করে গুলি, দেড় লাখ ইয়াবা উদ্ধার আজ বীরকন্যা প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারের ৯৪তম আত্মাহুতি দিবস হরমুজ প্রণালীতে আটকে পড়া বাংলাদেশি জাহাজ উদ্ধারে ইরানের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী হরমুজ প্রণালি খুলতে যুক্তরাষ্ট্রকে ৫ দিনের আলটিমেটাম দিল ইরান জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা ও বাড়তি চাপ

৯ ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে ফিক্সিংয়ের অভিযোগ: বিসিবির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১২:২৯:২০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



ফিক্সিংয়ের অভিযোগে অভিযুক্ত দেশের নয় ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের মতো পর্যাপ্ত তথ্য-প্রমাণ না পাওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে এখনো কোনো চার্জ গঠন করেনি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে বিসিবি ইনটিগ্রিটি ইউনিটের প্রধান অ্যালেক্স মার্শাল এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তবে তিনি জানিয়েছেন, সন্দেহের তালিকায় থাকা এসব ক্রিকেটারের ওপর ইনটিগ্রিটি ইউনিটের নজরদারি অব্যাহত থাকবে।

বর্তমানে ওই ক্রিকেটারদের ওপর কোনো ধরনের নিষেধাজ্ঞা বা বিধিনিষেধ নেই। অ্যালেক্স মার্শাল জানান, বিপিএলের দ্বাদশ আসরের জন্য তাদের সম্পৃক্ত না করার যে সুপারিশ ছিল, তা কেবল ওই আসরের জন্যই প্রযোজ্য ছিল। এছাড়া বিসিবির জেনারেল কাউন্সিলর ব্যারিস্টার মাহিন এম রহমান জানিয়েছেন, পর্যাপ্ত প্রমাণ পাওয়া গেলে ভবিষ্যতে যে কোনো সময় তাদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করা হতে পারে। সন্দেহের তালিকায় থাকা ক্রিকেটারদের নজরদারিতে রাখার বিষয়টি ই-মেইলের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড়দের জানানোর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।

উল্লেখ্য, বিপিএলের একাদশ আসরের ফিক্সিংয়ের অভিযোগ অনুসন্ধানে গঠিত স্বাধীন তদন্ত কমিটি প্রায় ৯০০ পৃষ্ঠার প্রতিবেদন জমা দিয়েছিল। ওই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এনামুল হক বিজয়, শফিউল ইসলাম, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, আলাউদ্দিন বাবু, আল আমিন হোসেন, মিজানুর রহমান, আরিফুল হক, মোহাম্মদ নিহাদুজ্জামান ও সানজামুল ইসলামকে বিপিএলের দ্বাদশ আসরের ড্রাফটে রাখা হয়নি। তবে বিপিএল ছাড়া দেশের অন্যান্য ঘরোয়া লিগ ও টুর্নামেন্টে খেলতে তাদের কোনো বাধা নেই। এমনকি মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত জাতীয় দলেও নিয়মিত খেলছেন। বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবালও এর আগে জানিয়েছিলেন যে, অকাট্য প্রমাণ না থাকায় তাদের খেলতে কোনো বাধা নেই।

ব্যারিস্টার মাহিন এম রহমান আরও স্পষ্ট করেছেন যে, বিসিবি বা অ্যালেক্স মার্শাল আনুষ্ঠানিকভাবে এই নয় ক্রিকেটারের নাম প্রকাশ করেননি, বরং একটি মামলার সূত্র ধরে তাদের নাম প্রকাশ্যে এসেছে। বিসিবি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভবিষ্যতে নতুন কোনো তথ্য বা অকাট্য প্রমাণ পাওয়া গেলে তা পর্যালোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

৯ ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে ফিক্সিংয়ের অভিযোগ: বিসিবির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত

আপডেট সময় : ১২:২৯:২০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ফিক্সিংয়ের অভিযোগে অভিযুক্ত দেশের নয় ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের মতো পর্যাপ্ত তথ্য-প্রমাণ না পাওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে এখনো কোনো চার্জ গঠন করেনি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে বিসিবি ইনটিগ্রিটি ইউনিটের প্রধান অ্যালেক্স মার্শাল এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তবে তিনি জানিয়েছেন, সন্দেহের তালিকায় থাকা এসব ক্রিকেটারের ওপর ইনটিগ্রিটি ইউনিটের নজরদারি অব্যাহত থাকবে।

বর্তমানে ওই ক্রিকেটারদের ওপর কোনো ধরনের নিষেধাজ্ঞা বা বিধিনিষেধ নেই। অ্যালেক্স মার্শাল জানান, বিপিএলের দ্বাদশ আসরের জন্য তাদের সম্পৃক্ত না করার যে সুপারিশ ছিল, তা কেবল ওই আসরের জন্যই প্রযোজ্য ছিল। এছাড়া বিসিবির জেনারেল কাউন্সিলর ব্যারিস্টার মাহিন এম রহমান জানিয়েছেন, পর্যাপ্ত প্রমাণ পাওয়া গেলে ভবিষ্যতে যে কোনো সময় তাদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করা হতে পারে। সন্দেহের তালিকায় থাকা ক্রিকেটারদের নজরদারিতে রাখার বিষয়টি ই-মেইলের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড়দের জানানোর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।

উল্লেখ্য, বিপিএলের একাদশ আসরের ফিক্সিংয়ের অভিযোগ অনুসন্ধানে গঠিত স্বাধীন তদন্ত কমিটি প্রায় ৯০০ পৃষ্ঠার প্রতিবেদন জমা দিয়েছিল। ওই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এনামুল হক বিজয়, শফিউল ইসলাম, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, আলাউদ্দিন বাবু, আল আমিন হোসেন, মিজানুর রহমান, আরিফুল হক, মোহাম্মদ নিহাদুজ্জামান ও সানজামুল ইসলামকে বিপিএলের দ্বাদশ আসরের ড্রাফটে রাখা হয়নি। তবে বিপিএল ছাড়া দেশের অন্যান্য ঘরোয়া লিগ ও টুর্নামেন্টে খেলতে তাদের কোনো বাধা নেই। এমনকি মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত জাতীয় দলেও নিয়মিত খেলছেন। বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবালও এর আগে জানিয়েছিলেন যে, অকাট্য প্রমাণ না থাকায় তাদের খেলতে কোনো বাধা নেই।

ব্যারিস্টার মাহিন এম রহমান আরও স্পষ্ট করেছেন যে, বিসিবি বা অ্যালেক্স মার্শাল আনুষ্ঠানিকভাবে এই নয় ক্রিকেটারের নাম প্রকাশ করেননি, বরং একটি মামলার সূত্র ধরে তাদের নাম প্রকাশ্যে এসেছে। বিসিবি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভবিষ্যতে নতুন কোনো তথ্য বা অকাট্য প্রমাণ পাওয়া গেলে তা পর্যালোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh