ঢাকা ০৪:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তেলুগু তারকা নানির ক্যারিয়ার, সম্পদ ও আসন্ন সিনেমার গল্প জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রক্রিয়া ও স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন সৌন্দর্যের ভেতর ইতিহাসের শরীর: হেগেল ও মার্কসের নন্দনতত্ত্বের তুলনামূলক পাঠ আওয়ামী সন্ত্রাসীদের যেখানেই পাওয়া যাবে সেখানেই প্রতিহত করা হবে: এস এম জিলানী জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধিতে নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা বনশ্রীতে কুকুরকে খাওয়াতে গিয়ে তরুণীকে মারধর, থানায় অভিযোগ ঈশ্বরদীতে ক্রেতা সেজে দুই ভরি স্বর্ণের মালা নিয়ে চম্পট গোপালগঞ্জে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে অনুদানের চেক বিতরণ ইবির আইন অনুষদের ১৯ শিক্ষার্থী সিভিল জজ পদে মনোনীত নিষেধাজ্ঞার মুখে ইরান কখনো মাথা নত করবে না: পেজেশকিয়ান

সিরাজগঞ্জে মাচা পদ্ধতিতে করোলার বাম্পার ফলন, দাম পেয়ে খুশি চাষিরা

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১২:১২:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



সিরাজগঞ্জের বিভিন্ন অঞ্চলে গ্রীষ্মকালীন করোলার বাম্পার ফলন হয়েছে। বাজারে ভালো দাম পাওয়ায় হাসি ফুটেছে স্থানীয় চাষিদের মুখে। বিশেষ করে মাচা পদ্ধতিতে করোলা চাষ করে জেলার অনেক ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষক নিজেদের ভাগ্যবদল করছেন, ফিরছে তাদের সচ্ছলতা।

যমুনা নদীর তীরবর্তী কাজিপুর, বেলকুচি, চৌহালী, শাহজাদপুর ও সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার চরাঞ্চলসহ শস্যভান্ডারখ্যাত উল্লাপাড়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এবার করোলার আশাতীত ফলন হয়েছে। সদর উপজেলার খোকশাবাড়ি, বহুলী, রাজাপুর, জগৎগাঁতী, শিয়ালকোল, ধিতপুর, রঘুরগাতী ও খাগাসহ বিভিন্ন গ্রামে মাচা পদ্ধতিতে এই সবজি চাষ করা হয়েছে। চাষিরা জানান, প্রায় তিন মাস ধরে জমি থেকে করোলা তোলা হচ্ছে। বর্তমানে খুচরা বাজারে প্রতি কেজি করোলা বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকা দরে। এর মধ্যে 'টিয়া' জাতের করোলার চাহিদা সবচেয়ে বেশি।

কৃষকেরা জানান, দফায় দফায় ভারী বর্ষণের কারণে অনেক সবজির বাগান নষ্ট হলেও গ্রীষ্মকালীন করোলা চাষে খরচ কম এবং লাভ বেশি হওয়ায় তারা এই চাষে বেশি আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। করোলার পাশাপাশি বেগুন, ঢেঁড়স, পটোল, কুমড়া, মিষ্টি কুমড়া, লাউ, ডাঁটা, সিম ও বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি চাষ করেছেন তারা, যা প্রায় তিন মাস আগে শুরু হয়েছিল। এছাড়া জেলার বিভিন্ন স্থানে সারা বছরই হাইব্রিড জাতের সবজি চাষ হয়। মাঠের পাশাপাশি বাড়ির আঙিনা, পুকুরপাড় এবং গ্রামীণ রাস্তার পাশেও চাষাবাদ হচ্ছে, যার রক্ষণাবেক্ষণে স্থানীয় গৃহবধূরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন।

কৃষি বিভাগের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কৃষিবিদ কর্মকর্তা জানান, এবার প্রান্তিক চাষিদের গ্রীষ্মকালীন বিভিন্ন সবজির বীজ ও সার দেওয়া হয়েছে এবং স্থানীয় কৃষি বিভাগ থেকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। চরাঞ্চলের কৃষকেরা করোলা চাষে দারুণ লাভবান হয়েছেন এবং বাজারে ভালো দাম থাকায় তারা অত্যন্ত খুশি। তিনি আরও জানান, শীতকালীন সবজি চাষের জন্য কৃষকেরা ইতিমধ্যেই প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

সিরাজগঞ্জে মাচা পদ্ধতিতে করোলার বাম্পার ফলন, দাম পেয়ে খুশি চাষিরা

আপডেট সময় : ১২:১২:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সিরাজগঞ্জের বিভিন্ন অঞ্চলে গ্রীষ্মকালীন করোলার বাম্পার ফলন হয়েছে। বাজারে ভালো দাম পাওয়ায় হাসি ফুটেছে স্থানীয় চাষিদের মুখে। বিশেষ করে মাচা পদ্ধতিতে করোলা চাষ করে জেলার অনেক ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষক নিজেদের ভাগ্যবদল করছেন, ফিরছে তাদের সচ্ছলতা।

যমুনা নদীর তীরবর্তী কাজিপুর, বেলকুচি, চৌহালী, শাহজাদপুর ও সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার চরাঞ্চলসহ শস্যভান্ডারখ্যাত উল্লাপাড়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এবার করোলার আশাতীত ফলন হয়েছে। সদর উপজেলার খোকশাবাড়ি, বহুলী, রাজাপুর, জগৎগাঁতী, শিয়ালকোল, ধিতপুর, রঘুরগাতী ও খাগাসহ বিভিন্ন গ্রামে মাচা পদ্ধতিতে এই সবজি চাষ করা হয়েছে। চাষিরা জানান, প্রায় তিন মাস ধরে জমি থেকে করোলা তোলা হচ্ছে। বর্তমানে খুচরা বাজারে প্রতি কেজি করোলা বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকা দরে। এর মধ্যে 'টিয়া' জাতের করোলার চাহিদা সবচেয়ে বেশি।

কৃষকেরা জানান, দফায় দফায় ভারী বর্ষণের কারণে অনেক সবজির বাগান নষ্ট হলেও গ্রীষ্মকালীন করোলা চাষে খরচ কম এবং লাভ বেশি হওয়ায় তারা এই চাষে বেশি আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। করোলার পাশাপাশি বেগুন, ঢেঁড়স, পটোল, কুমড়া, মিষ্টি কুমড়া, লাউ, ডাঁটা, সিম ও বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি চাষ করেছেন তারা, যা প্রায় তিন মাস আগে শুরু হয়েছিল। এছাড়া জেলার বিভিন্ন স্থানে সারা বছরই হাইব্রিড জাতের সবজি চাষ হয়। মাঠের পাশাপাশি বাড়ির আঙিনা, পুকুরপাড় এবং গ্রামীণ রাস্তার পাশেও চাষাবাদ হচ্ছে, যার রক্ষণাবেক্ষণে স্থানীয় গৃহবধূরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন।

কৃষি বিভাগের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কৃষিবিদ কর্মকর্তা জানান, এবার প্রান্তিক চাষিদের গ্রীষ্মকালীন বিভিন্ন সবজির বীজ ও সার দেওয়া হয়েছে এবং স্থানীয় কৃষি বিভাগ থেকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। চরাঞ্চলের কৃষকেরা করোলা চাষে দারুণ লাভবান হয়েছেন এবং বাজারে ভালো দাম থাকায় তারা অত্যন্ত খুশি। তিনি আরও জানান, শীতকালীন সবজি চাষের জন্য কৃষকেরা ইতিমধ্যেই প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh