ঢাকা ০৩:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সৌন্দর্যের ভেতর ইতিহাসের শরীর: হেগেল ও মার্কসের নন্দনতত্ত্বের তুলনামূলক পাঠ আওয়ামী সন্ত্রাসীদের যেখানেই পাওয়া যাবে সেখানেই প্রতিহত করা হবে: এস এম জিলানী জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধিতে নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা বনশ্রীতে কুকুরকে খাওয়াতে গিয়ে তরুণীকে মারধর, থানায় অভিযোগ ঈশ্বরদীতে ক্রেতা সেজে দুই ভরি স্বর্ণের মালা নিয়ে চম্পট গোপালগঞ্জে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে অনুদানের চেক বিতরণ ইবির আইন অনুষদের ১৯ শিক্ষার্থী সিভিল জজ পদে মনোনীত নিষেধাজ্ঞার মুখে ইরান কখনো মাথা নত করবে না: পেজেশকিয়ান যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত নিরসনে নতুন আশাবাদ, নিউইয়র্কে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ক্রোয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তারেক রহমানের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শনে আবেগাপ্লুত মির্জা ফখরুল

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৪:৫০:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করে অশ্রুসজল চোখে প্রেসিডেন্ট মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মন্তব্য করেছেন যে, ফ্যাসিস্টদের হাত থেকে মুক্তি ও গণতন্ত্র ফিরে পাওয়া গেলেও এর জন্য জাতি অনেক চড়া মূল্য দিয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, জুলাইয়ের শহীদ ও আহত যোদ্ধাদের ঋণ রাষ্ট্র কখনোই শোধ করতে পারবে না। ভবিষ্যতে যেন দেশে আর কোনোদিন এমন নিষ্ঠুর ও মর্মান্তিক হত্যাযজ্ঞ না ঘটে, সেই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি। প্রেসিডেন্টের প্রেস উইং জানায়, পরিদর্শনের সময় তার সঙ্গে ছিলেন সহধর্মিণী রাহাত আরা বেগম।

সকাল ১১টায় জাদুঘরে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম, প্রধানমন্ত্রীর পলিসি এবং স্ট্র্যাটেজি বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান, মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং জাদুঘরের মহাপরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। জাদুঘর পরিদর্শনকালে তাকে স্থাপনা ও দলিলপত্র সম্পর্কে ব্রিফ করেন গবেষণা দলের সদস্য জুবায়ের ইবনে কামাল ও ফারহান মাসুদ। এ সময় জাদুঘর পরিচালনা পর্ষদের সদস্য সানজিদা ইসলাম তুলি, আবরার ইলিয়াস এবং মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ উপস্থিত ছিলেন।

দর্শনার্থী হিসেবে টিকিট সংগ্রহ করে জাদুঘরে প্রবেশ করেন প্রেসিডেন্ট। তিনি 'লংওয়াক টু ডেমোক্রেসি' বা দীর্ঘ গণতান্ত্রিক যাত্রার ওয়াকওয়ে ধরে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহাসিক চিত্র অবলোকন করেন। এসময় তিনি ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনে শহীদদের স্মরণে নির্মিত মেমোরিয়াল ও রেপ্লিকা আয়নাঘর ঘুরে দেখেন। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে জাদুঘর চত্বরে একটি বৃক্ষরোপণ করেন তিনি।

জাদুঘরের বিডিআর ম্যাসাকার, শাপলা ম্যাসাকার, নির্যাতন সামগ্রী এবং গুমের সেকশনগুলো ঘুরে দেখার সময় শহীদদের স্মারক ও চিঠি দেখে তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। শিক্ষার্থী-জনতার সংগ্রামের বিভিন্ন অংশ দেখার পর তিনি মনসুন থিয়েটারে একটি প্রামাণ্যচিত্র দেখেন এবং পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন। পরিশেষে মির্জা ফখরুল বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনাকে ধারণ করে একটি মানবিক, ন্যায়ভিত্তিক ও বৈষম্যহীন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়ে তোলা আমাদের দায়িত্ব। নতুন প্রজন্মের কাছে এই ইতিহাস তুলে ধরতে জাদুঘরের ভূমিকা অপরিসীম। তিনি শহীদদের আত্মার মাগফিরাত এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শনে আবেগাপ্লুত মির্জা ফখরুল

আপডেট সময় : ০৪:৫০:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করে অশ্রুসজল চোখে প্রেসিডেন্ট মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মন্তব্য করেছেন যে, ফ্যাসিস্টদের হাত থেকে মুক্তি ও গণতন্ত্র ফিরে পাওয়া গেলেও এর জন্য জাতি অনেক চড়া মূল্য দিয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, জুলাইয়ের শহীদ ও আহত যোদ্ধাদের ঋণ রাষ্ট্র কখনোই শোধ করতে পারবে না। ভবিষ্যতে যেন দেশে আর কোনোদিন এমন নিষ্ঠুর ও মর্মান্তিক হত্যাযজ্ঞ না ঘটে, সেই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি। প্রেসিডেন্টের প্রেস উইং জানায়, পরিদর্শনের সময় তার সঙ্গে ছিলেন সহধর্মিণী রাহাত আরা বেগম।

সকাল ১১টায় জাদুঘরে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম, প্রধানমন্ত্রীর পলিসি এবং স্ট্র্যাটেজি বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান, মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং জাদুঘরের মহাপরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। জাদুঘর পরিদর্শনকালে তাকে স্থাপনা ও দলিলপত্র সম্পর্কে ব্রিফ করেন গবেষণা দলের সদস্য জুবায়ের ইবনে কামাল ও ফারহান মাসুদ। এ সময় জাদুঘর পরিচালনা পর্ষদের সদস্য সানজিদা ইসলাম তুলি, আবরার ইলিয়াস এবং মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ উপস্থিত ছিলেন।

দর্শনার্থী হিসেবে টিকিট সংগ্রহ করে জাদুঘরে প্রবেশ করেন প্রেসিডেন্ট। তিনি 'লংওয়াক টু ডেমোক্রেসি' বা দীর্ঘ গণতান্ত্রিক যাত্রার ওয়াকওয়ে ধরে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহাসিক চিত্র অবলোকন করেন। এসময় তিনি ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনে শহীদদের স্মরণে নির্মিত মেমোরিয়াল ও রেপ্লিকা আয়নাঘর ঘুরে দেখেন। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে জাদুঘর চত্বরে একটি বৃক্ষরোপণ করেন তিনি।

জাদুঘরের বিডিআর ম্যাসাকার, শাপলা ম্যাসাকার, নির্যাতন সামগ্রী এবং গুমের সেকশনগুলো ঘুরে দেখার সময় শহীদদের স্মারক ও চিঠি দেখে তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। শিক্ষার্থী-জনতার সংগ্রামের বিভিন্ন অংশ দেখার পর তিনি মনসুন থিয়েটারে একটি প্রামাণ্যচিত্র দেখেন এবং পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন। পরিশেষে মির্জা ফখরুল বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনাকে ধারণ করে একটি মানবিক, ন্যায়ভিত্তিক ও বৈষম্যহীন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়ে তোলা আমাদের দায়িত্ব। নতুন প্রজন্মের কাছে এই ইতিহাস তুলে ধরতে জাদুঘরের ভূমিকা অপরিসীম। তিনি শহীদদের আত্মার মাগফিরাত এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin