ঢাকা ০১:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গ্রাম ও শহর: জীবনযাত্রার ভিন্নতা, শিশুদের স্বাস্থ্যে এগিয়ে গ্রাম উখিয়ায় বিজিবিকে লক্ষ্য করে গুলি, দেড় লাখ ইয়াবা উদ্ধার আজ বীরকন্যা প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারের ৯৪তম আত্মাহুতি দিবস হরমুজ প্রণালীতে আটকে পড়া বাংলাদেশি জাহাজ উদ্ধারে ইরানের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী হরমুজ প্রণালি খুলতে যুক্তরাষ্ট্রকে ৫ দিনের আলটিমেটাম দিল ইরান জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা ও বাড়তি চাপ লোক দেখানো ইবাদত থেকে বাঁচার উপায় ও করণীয় জমি ছাড়ার নোটিশে দিশেহারা নাটোরের দিনমজুরের কলেজপড়ুয়া তিন মেয়ে মক্কা প্রতিরক্ষা জোটের প্রথম মহাসচিব হলেন নোমান মাহমুদ হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে শপথ নিলেন দেবাশীষ রায় চৌধুরী

রিয়াল মাদ্রিদে মোরিনহোর সেই অসমাপ্ত স্বপ্ন ছোঁয়ার নতুন লড়াই

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৬:৪০:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



চ্যাম্পিয়নস লিগে জোসে মোরিনহোর ক্যারিয়ার যেন এক অসমাপ্ত গল্পের মতো। ২০০৪ সালে পোর্তো এবং ২০১০ সালে ইন্টার মিলানের হয়ে ইউরোপসেরার মুকুট পরলেও, তৃতীয় ট্রফিটি এখনো তাঁর জন্য অধরা। সেই আক্ষেপ ঘোচানোর নতুন অভিযান এবার শুরু হচ্ছে রিয়াল মাদ্রিদের ডাগআউটে দাঁড়িয়ে, সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে। কাকতালীয়ভাবে, স্প্যানিশ ক্লাবটির হয়ে তাঁর প্রথম প্রতিপক্ষ সেই ইন্টার মিলান, যাদের ডাগআউটে থেকে ২০১০ সালে নিজের দ্বিতীয় চ্যাম্পিয়নস লিগ উঁচিয়ে ধরেছিলেন এই পর্তুগিজ মাস্টারমাইন্ড।

২০১০ সালের সেই ঐতিহাসিক ফাইনালের স্মৃতি এখনো ফুটবলপ্রেমীদের মনে তাজা। দিয়েগো মিলিতোর জোড়া গোলে ইন্টার মিলান চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর অশ্রুসিক্ত চোখে বিদায় নিয়েছিলেন মোরিনহো। এর ঠিক পরদিনই রিয়াল মাদ্রিদের কোচের দায়িত্ব নেন তিনি, যার একমাত্র লক্ষ্য ছিল গ্যালাকটিকোদের ইউরোপের সিংহাসনে ফিরিয়ে আনা। তবে সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে তাঁর সেই যাত্রা সফল হয়নি। ২০১০-১১ মৌসুমে বার্সেলোনা, ২০১১-১২ মৌসুমে বায়ার্ন মিউনিখ এবং ২০১২-১৩ মৌসুমে বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের কাছে হেরে টানা তিনবার সেমিফাইনাল থেকেই বিদায় নিতে হয়েছিল তাঁকে। ফাইনালের এত কাছে গিয়েও প্রতিবারই ফিরতে হয়েছে খালি হাতে।

এবার তাই ফুটবল বিশ্বের নজর কেবল রিয়ালের পারফরম্যান্সের ওপরই নয়, বরং মোরিনহোর ইতিহাস গড়ার দিকেও। তিনটি ভিন্ন ক্লাবের হয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ের অনন্য কীর্তি এখনো কোনো কোচ গড়তে পারেননি। তবে এই মহাকাব্যিক যাত্রা শুরুর আগেই বড় ধাক্কা খেয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। ঘরোয়া লিগে রিয়াল বেতিসের কাছে ১-০ গোলে হেরে ব্যাকফুটে রয়েছে দল। এর ওপর যোগ হয়েছে চোট ও খেলোয়াড়দের অনুপস্থিতিজনিত সমস্যা। বিশেষ করে মাঝমাঠে খেলোয়াড় সংকটে ধুঁকছে দলটি, যেখানে ফেদেরিকো ভালভের্দেই একমাত্র ফিট ও স্বীকৃত বিশেষজ্ঞ মিডফিল্ডার হিসেবে দলে আছেন।

এমন পরিস্থিতিতে মোরিনহোকে তাঁর কৌশল নিয়ে নতুন করে ভাবতে হচ্ছে। মাঝমাঠের শূন্যতা পূরণে তাঁকে হয়তো জুড বেলিংহামকে কিছুটা নিচে নামিয়ে খেলাতে হবে, অথবা কোনো তরুণ ফুটবলারকে সুযোগ দিতে হবে। নতুবা পুরো খেলার ধরনেই পরিবর্তন আনতে হবে। চ্যাম্পিয়নস লিগে মোরিনহোর এই প্রত্যাবর্তন কেবল একটি ম্যাচ নয়, বরং তাঁর অতীত ও বর্তমানের এক রোমাঞ্চকর লড়াই। নিজের ক্যারিয়ারের এই অসমাপ্ত গল্পটি সম্পূর্ণ করার জন্য এটিই হতে পারে তাঁর শেষ বড় সুযোগ।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

রিয়াল মাদ্রিদে মোরিনহোর সেই অসমাপ্ত স্বপ্ন ছোঁয়ার নতুন লড়াই

আপডেট সময় : ০৬:৪০:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চ্যাম্পিয়নস লিগে জোসে মোরিনহোর ক্যারিয়ার যেন এক অসমাপ্ত গল্পের মতো। ২০০৪ সালে পোর্তো এবং ২০১০ সালে ইন্টার মিলানের হয়ে ইউরোপসেরার মুকুট পরলেও, তৃতীয় ট্রফিটি এখনো তাঁর জন্য অধরা। সেই আক্ষেপ ঘোচানোর নতুন অভিযান এবার শুরু হচ্ছে রিয়াল মাদ্রিদের ডাগআউটে দাঁড়িয়ে, সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে। কাকতালীয়ভাবে, স্প্যানিশ ক্লাবটির হয়ে তাঁর প্রথম প্রতিপক্ষ সেই ইন্টার মিলান, যাদের ডাগআউটে থেকে ২০১০ সালে নিজের দ্বিতীয় চ্যাম্পিয়নস লিগ উঁচিয়ে ধরেছিলেন এই পর্তুগিজ মাস্টারমাইন্ড।

২০১০ সালের সেই ঐতিহাসিক ফাইনালের স্মৃতি এখনো ফুটবলপ্রেমীদের মনে তাজা। দিয়েগো মিলিতোর জোড়া গোলে ইন্টার মিলান চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর অশ্রুসিক্ত চোখে বিদায় নিয়েছিলেন মোরিনহো। এর ঠিক পরদিনই রিয়াল মাদ্রিদের কোচের দায়িত্ব নেন তিনি, যার একমাত্র লক্ষ্য ছিল গ্যালাকটিকোদের ইউরোপের সিংহাসনে ফিরিয়ে আনা। তবে সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে তাঁর সেই যাত্রা সফল হয়নি। ২০১০-১১ মৌসুমে বার্সেলোনা, ২০১১-১২ মৌসুমে বায়ার্ন মিউনিখ এবং ২০১২-১৩ মৌসুমে বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের কাছে হেরে টানা তিনবার সেমিফাইনাল থেকেই বিদায় নিতে হয়েছিল তাঁকে। ফাইনালের এত কাছে গিয়েও প্রতিবারই ফিরতে হয়েছে খালি হাতে।

এবার তাই ফুটবল বিশ্বের নজর কেবল রিয়ালের পারফরম্যান্সের ওপরই নয়, বরং মোরিনহোর ইতিহাস গড়ার দিকেও। তিনটি ভিন্ন ক্লাবের হয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ের অনন্য কীর্তি এখনো কোনো কোচ গড়তে পারেননি। তবে এই মহাকাব্যিক যাত্রা শুরুর আগেই বড় ধাক্কা খেয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। ঘরোয়া লিগে রিয়াল বেতিসের কাছে ১-০ গোলে হেরে ব্যাকফুটে রয়েছে দল। এর ওপর যোগ হয়েছে চোট ও খেলোয়াড়দের অনুপস্থিতিজনিত সমস্যা। বিশেষ করে মাঝমাঠে খেলোয়াড় সংকটে ধুঁকছে দলটি, যেখানে ফেদেরিকো ভালভের্দেই একমাত্র ফিট ও স্বীকৃত বিশেষজ্ঞ মিডফিল্ডার হিসেবে দলে আছেন।

এমন পরিস্থিতিতে মোরিনহোকে তাঁর কৌশল নিয়ে নতুন করে ভাবতে হচ্ছে। মাঝমাঠের শূন্যতা পূরণে তাঁকে হয়তো জুড বেলিংহামকে কিছুটা নিচে নামিয়ে খেলাতে হবে, অথবা কোনো তরুণ ফুটবলারকে সুযোগ দিতে হবে। নতুবা পুরো খেলার ধরনেই পরিবর্তন আনতে হবে। চ্যাম্পিয়নস লিগে মোরিনহোর এই প্রত্যাবর্তন কেবল একটি ম্যাচ নয়, বরং তাঁর অতীত ও বর্তমানের এক রোমাঞ্চকর লড়াই। নিজের ক্যারিয়ারের এই অসমাপ্ত গল্পটি সম্পূর্ণ করার জন্য এটিই হতে পারে তাঁর শেষ বড় সুযোগ।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin