ঢাকা ০৩:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার রায়পুরে সাহাবীর হত্যা মামলায় বাবা-ছেলে কারাগারে নারায়ণগঞ্জে জুলাই বিপ্লব বার্ষিকীর মাসব্যাপী কর্মসূচি উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন ও কর্মসূচি ঘোষণা। মোঃ ইসমাইল হোসেন, ছাগলনাইয়াতে ট্রাক্টর ও সিএনজির সংঘর্ষে নিহত-১ ঢাকার ১৯ গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে এআই ক্যামেরা চালু, দেড় হাজার মামলা রেকর্ড সোনাগাজীতে ময়লার স্তূপে কারণে অতিষ্ঠ জনজীবন মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই খুনি গ্রেফতার, রক্তমাখা ছুরি উদ্ধার চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্রে বিলীন ২৫ বসতঘর, আতঙ্কে তীরবর্তী মানুষ রংপুরে ডিবি’র অভিযানে ৩ কেজি গাঁজা উদ্ধার, মাদক কারবারি আটক-১ লালমনিরহাটে ভারত গজলডোবা ব্যারাজের ৪০টি গেট খুলে দেওয়ায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি কুমিল্লায় স্কুল ছাত্র গুলিবিদ্ধের ঘটনায় বিদেশি পিস্তল ও গুলি সহ গ্রেফতার-৪

ঝালকাঠিতে আত্মহত্যার ছয় দিন পরে শ্লীলতাহানীর অভিযোগে মামলা

আবু সায়েম আকন ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় : ০৫:১৮:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জুন ২০২৩ ২৯১ বার পড়া হয়েছে

ঝালকাঠিতে আত্মহত্যার ছয় দিন পরে শ্লীলতাহানীর অভিযোগে মামলা

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

ঝালকাঠির রাজাপুরে আত্মহত্যার ছয় দিন পরে শ্লীলতাহানির অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। রবিবার রাতে ভূক্তভোগী মাদ্রাসা ছাত্রীর মা ও চল্লিশ কাহনিয়ার আব্দুল মজিদ খানের স্ত্রী নাছিমা বেগম বাদী হয়ে একই এলাকার খলিল মোল্লার ছেলে মিজান মোল্লা ও তার দুই সহযোগীসহ অজ্ঞাত দুই জনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে রাজাপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। ঘটনার পর থেকে আসামিরা পলাতক রয়েছে।

মামলা সূত্রে জানাগেছে, গত ১১জুন বিকালে নাসিমা বেগমের বড় মেয়ে মোসাঃ কেয়া মনি সহপাঠীদের সাথে উত্তমপুর বাজারে ছবি তুলতে যায়। ছবি তুলে বাড়ী আসার পথে চল্লিশ কাহনিয়া এলাকার মাঝি বাড়ী ও মোল্লা বাড়ীর মধ্যবর্তী নির্জন রাস্তার উপর আসলে মিজান তার দুই সহযোগীদের সাথে নিয়ে কেয়া মনির পথ আটকায়। এ সময় মিজান কেয়া মনিকে প্রেমসহ বিভিন্ন কু-প্রস্তাব দিয়ে হাত ধরে টানাটানি করে শ্লীলতাহানী করে। এ সময় মিজানের দুই সহযোগী পাশে দাড়িয়ে হাসাহাসি করে। স্থানীয়দের দেখে মিজান ও তার সহযোগীরা পালিয়ে গেলে কেয়া মনিও বাড়িতে চলে যায়। তবে কাউকে কিছু না বললেও ঘটনাটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে কেয়া মনি সকলের নানা প্রশ্নের সম্মুখীন হয়। পরে লোকলজ্জার ভয়ে ১৩ জুন নিজ বসত ঘরের দ্বিতীয় তলার আড়ার সাথে গলায় ওড়না পেচিয়ে আত্মহত্যা করে।

থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায় আর একটি অপমৃত্যুর মামলা রেকর্ড করেন। পরে ঘটনা বিভিন্ন জনের মাধ্যমে জানতে পেরে গত ১৮ জুন রায়ে নাসিমা বেগম মামলা দায়ের করেন। মামলা নম্বর- ০৭।

রাজাপুর থানা অফিসার ইনচার্জ পুলক চন্দ্র রায় মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মামলার স্বার্থে সকল আসামিদের নাম প্রকাশ করা যাচ্ছে না।তবে আসামিদের গ্রেপ্তার করতে অভিযান চলছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

ঝালকাঠিতে আত্মহত্যার ছয় দিন পরে শ্লীলতাহানীর অভিযোগে মামলা

আপডেট সময় : ০৫:১৮:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জুন ২০২৩
print news

ঝালকাঠির রাজাপুরে আত্মহত্যার ছয় দিন পরে শ্লীলতাহানির অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। রবিবার রাতে ভূক্তভোগী মাদ্রাসা ছাত্রীর মা ও চল্লিশ কাহনিয়ার আব্দুল মজিদ খানের স্ত্রী নাছিমা বেগম বাদী হয়ে একই এলাকার খলিল মোল্লার ছেলে মিজান মোল্লা ও তার দুই সহযোগীসহ অজ্ঞাত দুই জনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে রাজাপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। ঘটনার পর থেকে আসামিরা পলাতক রয়েছে।

মামলা সূত্রে জানাগেছে, গত ১১জুন বিকালে নাসিমা বেগমের বড় মেয়ে মোসাঃ কেয়া মনি সহপাঠীদের সাথে উত্তমপুর বাজারে ছবি তুলতে যায়। ছবি তুলে বাড়ী আসার পথে চল্লিশ কাহনিয়া এলাকার মাঝি বাড়ী ও মোল্লা বাড়ীর মধ্যবর্তী নির্জন রাস্তার উপর আসলে মিজান তার দুই সহযোগীদের সাথে নিয়ে কেয়া মনির পথ আটকায়। এ সময় মিজান কেয়া মনিকে প্রেমসহ বিভিন্ন কু-প্রস্তাব দিয়ে হাত ধরে টানাটানি করে শ্লীলতাহানী করে। এ সময় মিজানের দুই সহযোগী পাশে দাড়িয়ে হাসাহাসি করে। স্থানীয়দের দেখে মিজান ও তার সহযোগীরা পালিয়ে গেলে কেয়া মনিও বাড়িতে চলে যায়। তবে কাউকে কিছু না বললেও ঘটনাটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে কেয়া মনি সকলের নানা প্রশ্নের সম্মুখীন হয়। পরে লোকলজ্জার ভয়ে ১৩ জুন নিজ বসত ঘরের দ্বিতীয় তলার আড়ার সাথে গলায় ওড়না পেচিয়ে আত্মহত্যা করে।

থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায় আর একটি অপমৃত্যুর মামলা রেকর্ড করেন। পরে ঘটনা বিভিন্ন জনের মাধ্যমে জানতে পেরে গত ১৮ জুন রায়ে নাসিমা বেগম মামলা দায়ের করেন। মামলা নম্বর- ০৭।

রাজাপুর থানা অফিসার ইনচার্জ পুলক চন্দ্র রায় মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মামলার স্বার্থে সকল আসামিদের নাম প্রকাশ করা যাচ্ছে না।তবে আসামিদের গ্রেপ্তার করতে অভিযান চলছে।