ঢাকা ০৫:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিএনপিকেও শেখ হাসিনার ভূতে ধরেছে: মামুনুল হক মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতায় বাংলাদেশের শ্রমবাজার ও রেমিট্যান্স নিয়ে শঙ্কা নোয়াখালীতে খুঁটিতে বেঁধে যুবককে পিটিয়ে হত্যার ভিডিও ভাইরাল তৈরি পোশাক রপ্তানিতে নন-কটন পণ্যের সক্ষমতা বাড়াচ্ছে বাংলাদেশ কারাবাস ও বিরতি কাটিয়ে অভিনয়ে ফিরলেন অভিনেতা জাহের আলভী পটিয়ায় দুই ইউনিয়নের রশি টানাটানিতে ৩০ পরিবারের চরম দুর্ভোগ আটঘরিয়ায় দেড় লাখ তালের বীজ রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের বাসায় হামলার প্রতিবাদে রংপুরে বিক্ষোভ ইস্তাম্বুলে ইয়ামালের ম্যাজিকে গ্যালাতাসারাইকে উড়িয়ে দিল বার্সেলোনা সালাহউদ্দিন আহমেদের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর গভীর শোক প্রকাশ

হিমালয়ের দুর্যোগে বড় সতর্কবার্তা, সীমান্ত পেরিয়ে তথ্য বিনিময়ের তাগিদ

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৫:০৮:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে হিমালয় অঞ্চলের হিমবাহ, তুষার ও পাহাড়ি ভূপ্রকৃতি ক্রমেই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে। সম্প্রতি নেপাল-চীন সীমান্তে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ বন্যা প্রমাণ করেছে যে, পাহাড়ে সৃষ্ট যেকোনো দুর্যোগ দ্রুত সীমান্ত অতিক্রম করে আঞ্চলিক সংকটে রূপ নিতে পারে। এ পরিস্থিতিতে হিমবাহ, নদী, আবহাওয়া ও সম্ভাব্য দুর্যোগের তথ্য প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে দ্রুত ও নিয়মিত আদান-প্রদানের ওপর জোর দিচ্ছেন পরিবেশ বিশ্লেষকরা।

সাংবাদিক ও বিশ্লেষক রাজু কোটি তাঁর ‘দ্য হিমালয়াস আর সেন্ডিং আ ওয়ার্নিং: নিড ফর টাইমলি ট্রান্স-বর্ডার শেয়ারিং অভ এনভায়রনমেন্টাল ইনফরমেশন’ শীর্ষক নিবন্ধে গত ২৬ আগস্টের দুর্যোগের বিস্তারিত তুলে ধরেছেন। ওই দিন নেপাল-চীন সীমান্তে প্রায় ৫ হাজার ২০০ মিটার উচ্চতায় একটি হিমবাহ ও তার নিচের পাথরের বিশাল অংশ ধসে পড়ে। এই ধ্বংসাবশেষ লেন্দে খোলা নদীতে পতিত হয়ে বিপুল পরিমাণ বরফ, পাথর, কাদা ও পানি প্রবাহিত করে, যা পরবর্তীতে ভোতে কোশি ও ত্রিশূলী নদী ব্যবস্থায় ছড়িয়ে পড়ে।

হঠাৎ পানির উচ্চতা কয়েক মিটার বৃদ্ধি পেয়ে দ্রুতগতির এই স্রোত ঘরবাড়ি, সড়ক, সেতু ও জলবিদ্যুৎ অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতিসাধন করে। এর প্রভাব তিব্বতের গুরুত্বপূর্ণ গিরং বাণিজ্য ও সীমান্ত এলাকাতেও পড়ে। কয়েক হাজার মিটার উচ্চতায় শুরু হওয়া একটি প্রাকৃতিক ঘটনা মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে আন্তর্জাতিক দুর্যোগে রূপ নেয়।

বিশ্লেষকদের মতে, হিমালয়ের এই দুর্যোগগুলোকে কেবল বিচ্ছিন্ন প্রাকৃতিক ঘটনা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির ফলে বরফ গলে যাওয়া, স্থায়ীভাবে জমাট বাঁধা মাটি ও পাথর (পারমাফ্রস্ট) গলে যাওয়া এবং বরফের ফাটলে পানি ঢুকে চাপ সৃষ্টির মতো প্রক্রিয়াগুলো পাহাড়ি অঞ্চলের ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে। তবে কোনো একটি নির্দিষ্ট হিমবাহ ধসকে সরাসরি জলবায়ু পরিবর্তনের একক ফল হিসেবে চিহ্নিত করার ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা সতর্ক অবস্থান নিচ্ছেন।

ঝুঁকিপূর্ণ এই ভূপ্রকৃতিতে মানুষের ক্রমবর্ধমান উপস্থিতি ও অবকাঠামো সম্প্রসারণও বিপদ বাড়িয়ে তুলছে। পাহাড় কেটে সড়ক নির্মাণ, টানেল তৈরি, খননকাজ এবং জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের মতো কার্যক্রম পাহাড়ি পরিবেশকে আরো অস্থিতিশীল করছে। অবশ্য ২৬ আগস্টের হিমবাহ ধসের পেছনে সুনির্দিষ্ট কোনো অবকাঠামো প্রকল্পের ভূমিকা ছিল কি না, তার কোনো প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি।

এ ধরনের দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে আগাম সতর্কতা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার কোনো বিকল্প নেই। ঝুঁকিপূর্ণ হিমবাহ, পাহাড়ের ঢাল ও হিমবাহ-সৃষ্ট হ্রদগুলো নিয়মিত পর্যবেক্ষণের জন্য স্যাটেলাইট, সিসমিক সেন্সর, ড্রোন, নদীর পানি পরিমাপক যন্ত্র এবং আধুনিক কম্পিউটার মডেল ব্যবহারের ওপর তাগিদ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে স্থানীয় মানুষের কাছে মোবাইল বার্তা বা সাইরেনের মাধ্যমে দ্রুত সতর্কবার্তা পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।

যেহেতু একটি দেশের সীমানায় সৃষ্ট ভূমিধস বা পাহাড়ি ঢল কয়েক মিনিটের মধ্যে অন্য দেশে পৌঁছে যেতে পারে, তাই সীমান্তবর্তী দেশগুলোর মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান অত্যন্ত জরুরি। গত মে মাসে নেপাল ও চীনের কর্মকর্তারা বন্যা, আবহাওয়া ও হিমবাহসংক্রান্ত ঝুঁকি মোকাবিলায় যৌথ সহযোগিতার বিষয়ে বৈঠক করেছিলেন। সেখানে হিমবাহ-হ্রদের তালিকা তৈরি ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছিল।

তবে ২৬ আগস্টের দুর্যোগের আগে পর্যাপ্ত তথ্য আদান-প্রদান হয়েছিল কি না, তা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে ভিন্নমত রয়েছে। নেপালের কর্মকর্তাদের দাবি, উচ্চ পার্বত্য এলাকায় পর্যাপ্ত আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র না থাকা এবং সীমান্ত পেরিয়ে তথ্য আদান-প্রদানের সীমাবদ্ধতার কারণে আগাম সতর্কতা পাওয়া সম্ভব হয়নি। অন্যদিকে চীনের দাবি, দুই দেশের মধ্যে সময়মতো তথ্য ভাগাভাগি করা হয়েছে এবং মে মাসের বৈঠকের পর এ বিষয়ে যথেষ্ট অগ্রগতি হয়েছে।

ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে নেপালের জন্য এই দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেবল পরিবেশগত বিষয় নয়, এটি তাদের জাতীয় নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক কূটনীতিরও অংশ। ভারত ও চীনের মাঝখানে অবস্থিত হওয়ায় হিমালয়ের পরিবেশগত বিপর্যয় নেপালের পানি, বিদ্যুৎ, যোগাযোগ, কৃষি ও অর্থনীতিতে সরাসরি আঘাত হানে। যেহেতু এই অঞ্চলের নদী ও পরিবেশগত ব্যবস্থাগুলো পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত, তাই স্যাটেলাইট পর্যবেক্ষণ, আবহাওয়ার পূর্বাভাস ও হিমবাহের গতিবিধির তথ্য নিয়মিত বিনিময়ের জন্য একটি কার্যকর আঞ্চলিক তথ্য আদান-প্রদান ব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

হিমালয়ের দুর্যোগে বড় সতর্কবার্তা, সীমান্ত পেরিয়ে তথ্য বিনিময়ের তাগিদ

আপডেট সময় : ০৫:০৮:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে হিমালয় অঞ্চলের হিমবাহ, তুষার ও পাহাড়ি ভূপ্রকৃতি ক্রমেই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে। সম্প্রতি নেপাল-চীন সীমান্তে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ বন্যা প্রমাণ করেছে যে, পাহাড়ে সৃষ্ট যেকোনো দুর্যোগ দ্রুত সীমান্ত অতিক্রম করে আঞ্চলিক সংকটে রূপ নিতে পারে। এ পরিস্থিতিতে হিমবাহ, নদী, আবহাওয়া ও সম্ভাব্য দুর্যোগের তথ্য প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে দ্রুত ও নিয়মিত আদান-প্রদানের ওপর জোর দিচ্ছেন পরিবেশ বিশ্লেষকরা।

সাংবাদিক ও বিশ্লেষক রাজু কোটি তাঁর ‘দ্য হিমালয়াস আর সেন্ডিং আ ওয়ার্নিং: নিড ফর টাইমলি ট্রান্স-বর্ডার শেয়ারিং অভ এনভায়রনমেন্টাল ইনফরমেশন’ শীর্ষক নিবন্ধে গত ২৬ আগস্টের দুর্যোগের বিস্তারিত তুলে ধরেছেন। ওই দিন নেপাল-চীন সীমান্তে প্রায় ৫ হাজার ২০০ মিটার উচ্চতায় একটি হিমবাহ ও তার নিচের পাথরের বিশাল অংশ ধসে পড়ে। এই ধ্বংসাবশেষ লেন্দে খোলা নদীতে পতিত হয়ে বিপুল পরিমাণ বরফ, পাথর, কাদা ও পানি প্রবাহিত করে, যা পরবর্তীতে ভোতে কোশি ও ত্রিশূলী নদী ব্যবস্থায় ছড়িয়ে পড়ে।

হঠাৎ পানির উচ্চতা কয়েক মিটার বৃদ্ধি পেয়ে দ্রুতগতির এই স্রোত ঘরবাড়ি, সড়ক, সেতু ও জলবিদ্যুৎ অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতিসাধন করে। এর প্রভাব তিব্বতের গুরুত্বপূর্ণ গিরং বাণিজ্য ও সীমান্ত এলাকাতেও পড়ে। কয়েক হাজার মিটার উচ্চতায় শুরু হওয়া একটি প্রাকৃতিক ঘটনা মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে আন্তর্জাতিক দুর্যোগে রূপ নেয়।

বিশ্লেষকদের মতে, হিমালয়ের এই দুর্যোগগুলোকে কেবল বিচ্ছিন্ন প্রাকৃতিক ঘটনা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির ফলে বরফ গলে যাওয়া, স্থায়ীভাবে জমাট বাঁধা মাটি ও পাথর (পারমাফ্রস্ট) গলে যাওয়া এবং বরফের ফাটলে পানি ঢুকে চাপ সৃষ্টির মতো প্রক্রিয়াগুলো পাহাড়ি অঞ্চলের ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে। তবে কোনো একটি নির্দিষ্ট হিমবাহ ধসকে সরাসরি জলবায়ু পরিবর্তনের একক ফল হিসেবে চিহ্নিত করার ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা সতর্ক অবস্থান নিচ্ছেন।

ঝুঁকিপূর্ণ এই ভূপ্রকৃতিতে মানুষের ক্রমবর্ধমান উপস্থিতি ও অবকাঠামো সম্প্রসারণও বিপদ বাড়িয়ে তুলছে। পাহাড় কেটে সড়ক নির্মাণ, টানেল তৈরি, খননকাজ এবং জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের মতো কার্যক্রম পাহাড়ি পরিবেশকে আরো অস্থিতিশীল করছে। অবশ্য ২৬ আগস্টের হিমবাহ ধসের পেছনে সুনির্দিষ্ট কোনো অবকাঠামো প্রকল্পের ভূমিকা ছিল কি না, তার কোনো প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি।

এ ধরনের দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে আগাম সতর্কতা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার কোনো বিকল্প নেই। ঝুঁকিপূর্ণ হিমবাহ, পাহাড়ের ঢাল ও হিমবাহ-সৃষ্ট হ্রদগুলো নিয়মিত পর্যবেক্ষণের জন্য স্যাটেলাইট, সিসমিক সেন্সর, ড্রোন, নদীর পানি পরিমাপক যন্ত্র এবং আধুনিক কম্পিউটার মডেল ব্যবহারের ওপর তাগিদ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে স্থানীয় মানুষের কাছে মোবাইল বার্তা বা সাইরেনের মাধ্যমে দ্রুত সতর্কবার্তা পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।

যেহেতু একটি দেশের সীমানায় সৃষ্ট ভূমিধস বা পাহাড়ি ঢল কয়েক মিনিটের মধ্যে অন্য দেশে পৌঁছে যেতে পারে, তাই সীমান্তবর্তী দেশগুলোর মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান অত্যন্ত জরুরি। গত মে মাসে নেপাল ও চীনের কর্মকর্তারা বন্যা, আবহাওয়া ও হিমবাহসংক্রান্ত ঝুঁকি মোকাবিলায় যৌথ সহযোগিতার বিষয়ে বৈঠক করেছিলেন। সেখানে হিমবাহ-হ্রদের তালিকা তৈরি ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছিল।

তবে ২৬ আগস্টের দুর্যোগের আগে পর্যাপ্ত তথ্য আদান-প্রদান হয়েছিল কি না, তা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে ভিন্নমত রয়েছে। নেপালের কর্মকর্তাদের দাবি, উচ্চ পার্বত্য এলাকায় পর্যাপ্ত আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র না থাকা এবং সীমান্ত পেরিয়ে তথ্য আদান-প্রদানের সীমাবদ্ধতার কারণে আগাম সতর্কতা পাওয়া সম্ভব হয়নি। অন্যদিকে চীনের দাবি, দুই দেশের মধ্যে সময়মতো তথ্য ভাগাভাগি করা হয়েছে এবং মে মাসের বৈঠকের পর এ বিষয়ে যথেষ্ট অগ্রগতি হয়েছে।

ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে নেপালের জন্য এই দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেবল পরিবেশগত বিষয় নয়, এটি তাদের জাতীয় নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক কূটনীতিরও অংশ। ভারত ও চীনের মাঝখানে অবস্থিত হওয়ায় হিমালয়ের পরিবেশগত বিপর্যয় নেপালের পানি, বিদ্যুৎ, যোগাযোগ, কৃষি ও অর্থনীতিতে সরাসরি আঘাত হানে। যেহেতু এই অঞ্চলের নদী ও পরিবেশগত ব্যবস্থাগুলো পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত, তাই স্যাটেলাইট পর্যবেক্ষণ, আবহাওয়ার পূর্বাভাস ও হিমবাহের গতিবিধির তথ্য নিয়মিত বিনিময়ের জন্য একটি কার্যকর আঞ্চলিক তথ্য আদান-প্রদান ব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh