ঢাকা ০৩:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হ্যাকিং ও প্রতারণা থেকে বাঁচতে অনলাইনে মেনে চলুন ৬ নিয়ম তরুণরাই বাংলাদেশ: আগামীর নেতৃত্ব দেবে এই প্রজন্ম ভারতে ফুটবল সংস্কৃতি নেই, বিস্ফোরক মন্তব্য ব্রাজিল কোচ আনচেলত্তির বিয়েতে বিপুল খরচ না করে দান করুন: শ্রুতি হাসান হুতি হামলার পর সৌদি আরবের পাশে থাকার ঘোষণা মিসরের ৯ লাখ টাকায় আপসের দাবি: গাড়িচাপায় নিহত শ্রমিকের ন্যায়বিচার কি অধরা? বিমান বাহিনীর ১৩২তম জেসিএসসি কোর্সের সনদপত্র বিতরণ করলেন বিমান বাহিনী প্রধান সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা মোকাবিলায় জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ৪ প্রস্তাব হরমুজ প্রণালির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার ঘোষণা ইরানের রাবির রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অ্যালামনাই সম্মিলনের থিম সং গাইলেন আরিফ

বন্দিদের পেট চিরে সিমেন্টের বস্তা বেঁধে বলেশ্বর নদীতে ফেলতেন জিয়াউল আহসান

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০২:৩৪:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে দায়ের করা শতাধিক গুম ও খুনের মামলায় দশম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন ট্রলার মাঝি আব্বাস মল্লিক। বুধবার আদালতে দেওয়া সাক্ষ্যে তিনি দাবি করেন, র‍্যাবের তৎকালীন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের নেতৃত্বে বন্দিদের পেট চিরে সিমেন্টের বস্তা বেঁধে বলেশ্বর নদীতে ফেলে দেওয়া হতো।

আব্বাস মল্লিক জানান, ২০১০ ও ২০১১ সালে সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকায় র‍্যাবের বিভিন্ন অভিযানের সময় বন্দিদের আটক, হত্যা এবং লাশ গুমের ঘটনা তিনি নিজ চোখে দেখেছেন। তার ভাষ্যমতে, অভিযানের দিন বিকেলে সাদা পোশাকে র‍্যাবের দুই সদস্য এলাকায় এসে স্থানীয় দোকানদারদের সন্ধ্যার পর দোকান বন্ধ রাখতে এবং বাতি নিভিয়ে দিতে নির্দেশ দিতেন।

তিনি আরও বলেন, এরপর রাত ১১টা থেকে ১২টার দিকে র‍্যাবের চারটি বা পাঁচটি মাইক্রোবাস বরফ মিলের সামনে এসে থামত। ঢাকা থেকে চোখ ও হাত বাঁধা অবস্থায় বন্দিদের সেখানে এনে ট্রলারে তোলা হতো। এ সময় র‍্যাব সদস্যরা রশি ও সিমেন্টের বস্তা সঙ্গে নিয়ে আসতেন।

সাক্ষ্যে আব্বাস মল্লিক বিস্তারিত বর্ণনা দিয়ে বলেন, ট্রলারটি বলেশ্বর নদী দিয়ে গভীর পানির দিকে যাওয়ার পর গতি কমিয়ে দেওয়া হতো। এরপর চোখ ও হাত বাঁধা অবস্থায় বন্দিদের ট্রলারের ভেতর থেকে বের করে আনা হতো। ট্রলারের দুই পাশে থাকা সাপোর্টের অংশে দুই র‍্যাব সদস্য বন্দিকে চেপে ধরতেন। তিনি দাবি করেন, জিয়াউল আহসান নিজে এসে বন্দির মাথা, কান অথবা বুকে গুলি করতেন এবং এরপর পেট চিরে সিমেন্টের বস্তা বেঁধে নদীতে ফেলে দেওয়া হতো।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

বন্দিদের পেট চিরে সিমেন্টের বস্তা বেঁধে বলেশ্বর নদীতে ফেলতেন জিয়াউল আহসান

আপডেট সময় : ০২:৩৪:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে দায়ের করা শতাধিক গুম ও খুনের মামলায় দশম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন ট্রলার মাঝি আব্বাস মল্লিক। বুধবার আদালতে দেওয়া সাক্ষ্যে তিনি দাবি করেন, র‍্যাবের তৎকালীন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের নেতৃত্বে বন্দিদের পেট চিরে সিমেন্টের বস্তা বেঁধে বলেশ্বর নদীতে ফেলে দেওয়া হতো।

আব্বাস মল্লিক জানান, ২০১০ ও ২০১১ সালে সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকায় র‍্যাবের বিভিন্ন অভিযানের সময় বন্দিদের আটক, হত্যা এবং লাশ গুমের ঘটনা তিনি নিজ চোখে দেখেছেন। তার ভাষ্যমতে, অভিযানের দিন বিকেলে সাদা পোশাকে র‍্যাবের দুই সদস্য এলাকায় এসে স্থানীয় দোকানদারদের সন্ধ্যার পর দোকান বন্ধ রাখতে এবং বাতি নিভিয়ে দিতে নির্দেশ দিতেন।

তিনি আরও বলেন, এরপর রাত ১১টা থেকে ১২টার দিকে র‍্যাবের চারটি বা পাঁচটি মাইক্রোবাস বরফ মিলের সামনে এসে থামত। ঢাকা থেকে চোখ ও হাত বাঁধা অবস্থায় বন্দিদের সেখানে এনে ট্রলারে তোলা হতো। এ সময় র‍্যাব সদস্যরা রশি ও সিমেন্টের বস্তা সঙ্গে নিয়ে আসতেন।

সাক্ষ্যে আব্বাস মল্লিক বিস্তারিত বর্ণনা দিয়ে বলেন, ট্রলারটি বলেশ্বর নদী দিয়ে গভীর পানির দিকে যাওয়ার পর গতি কমিয়ে দেওয়া হতো। এরপর চোখ ও হাত বাঁধা অবস্থায় বন্দিদের ট্রলারের ভেতর থেকে বের করে আনা হতো। ট্রলারের দুই পাশে থাকা সাপোর্টের অংশে দুই র‍্যাব সদস্য বন্দিকে চেপে ধরতেন। তিনি দাবি করেন, জিয়াউল আহসান নিজে এসে বন্দির মাথা, কান অথবা বুকে গুলি করতেন এবং এরপর পেট চিরে সিমেন্টের বস্তা বেঁধে নদীতে ফেলে দেওয়া হতো।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin