নেপালে বন্যার প্রবল স্রোতেও অক্ষত সবুজ বাড়ি, নিরাপদে বাঁচল পরিবার
- আপডেট সময় : ০৫:২৯:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬ ১৮ বার পড়া হয়েছে

নেপালে আঘাত হানা সাম্প্রতিক ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় চারদিকের সবকিছু ধ্বংস হয়ে গেলেও অলৌকিকভাবে টিকে রয়েছে একটি সবুজ রঙের বাড়ি। শুধু বাড়িটিই অক্ষত থাকেনি, প্রবল স্রোতের মুখে এর ভেতরে আটকে পড়া একটি পরিবারও শেষ পর্যন্ত নিরাপদে উদ্ধার হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া দুটি পৃথক ভিডিওর সূত্র ধরে এই অবিশ্বাস্য ঘটনাটি এখন বিশ্বজুড়ে লাখ লাখ মানুষের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
গত ২৮ আগস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রথম ভিডিওটি প্রকাশ পায়। সেখানে দেখা যায়, কর্দমাক্ত পানির তীব্র স্রোত বাড়িটিকে চারদিক থেকে ঘিরে রেখেছে। বন্যার পানির তোড়ে মুহূর্তের মধ্যেই আশেপাশের বিভিন্ন স্থাপনা, গাছপালা ও ধ্বংসাবশেষ ভেসে যাচ্ছে। এমন ভয়াবহ পরিস্থিতিতে সবুজ রঙের ওই বাড়িটির ভেতরে একটি পরিবার আটকা পড়েছিল। ভিডিওটি দেখে নেটিজেনদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে এবং অনেকেই পরিবারটির সদস্যদের জীবন রক্ষার্থে প্রার্থনা করতে শুরু করেন।
পরবর্তীতে প্রকাশিত আরেকটি ভিডিওতে দেখা যায়, চারপাশের প্রবল স্রোত সত্ত্বেও বাড়িটি একদম অক্ষত অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছে। প্রকৃতির এই তাণ্ডবের মধ্যেও বাড়িটির ভিত্তি একটুও নড়েনি। এরপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আরেকটি ভিডিওর মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয় যে, বাড়ির ভেতরে আটকে থাকা পরিবারটি ভয়াবহ এই দুর্যোগ থেকে সম্পূর্ণ নিরাপদে বেঁচে গেছে। এই খবরটি ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের মধ্যে স্বস্তি নেমে আসে।
অনলাইনে এই ঘটনাটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে এবং ভিডিও দুটি লাখ লাখ বার দেখা হয়েছে। অনেকেই বাড়িটির মজবুত নির্মাণশৈলীর প্রশংসা করছেন। একজন মন্তব্য করেছেন, এত ভয়াবহ শক্তির পরও বাড়িটি দাঁড়িয়ে থাকা শক্তিশালী নির্মাণের গুরুত্বের একটি বড় উদাহরণ। আরেকজন বাড়িটির নির্মাতার প্রশংসা করে লিখেছেন, যিনি এই ভবনটি তৈরি করেছেন, তাকে অবশ্যই কৃতিত্ব দিতে হবে। অন্য এক ব্যবহারকারী লিখেছেন, ঈশ্বরকে ধন্যবাদ, বাড়িটি বন্যার পানি থেকে বেঁচে গেছে।
এছাড়া অনেকে আটকে পড়া পরিবারের মানসিক অবস্থা নিয়ে ভাবছেন। একজন প্রশ্ন করেছেন, এমন পরিস্থিতিতে তাদের মনে কী চলছিল? তারা কি একে অপরকে বিদায় জানাচ্ছিল, নাকি কেউ বেঁচে গেলে কী করতে হবে তা নিয়ে আলোচনা করছিল? তাদের কারও সাক্ষাৎকার নেওয়া উচিত। তবে সব আশঙ্কা কাটিয়ে পরিবারটির নিরাপদ থাকার খবরটি সবাইকে স্বস্তি দিয়েছে।




























