ঢাকা ০৫:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতীয় দলের ক্যাম্প ছাড়ায় রোনালদোকে ৩০ দিনের নিষেধাজ্ঞা দিল পর্তুগাল আমার কপালে ঝামেলা লেখা, মেনে নিয়েছি: পরীমনি জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, লক্ষ্য আট সমঝোতা স্মারক সই সখীপুরে অটোভ্যানসহ নিখোঁজ কিশোরের কঙ্কাল উদ্ধার জাতীয়কৃত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের এমপিও ইনডেক্স কর্তনের নির্দেশ মসজিদ ও মাদরাসা কমপ্লেক্স পরিচালনা ও অর্থ ব্যয়ের শরিয়তি বিধান ইশরাকের পদত্যাগ কোনো অধ্যায়ের সমাপ্তি নয়: মাহদী আমিন ইশরাকের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করলেন রাষ্ট্রপতি, জারি হলো প্রজ্ঞাপন ব্যালন ডি’অর ২০২৬: শিরোপার লড়াইয়ে এগিয়ে থাকা ৫ ফুটবলার পুতিন ও শির সঙ্গে বৈঠকে আগ্রহী ট্রাম্প, ইউক্রেন যুদ্ধও আলোচনায়

প্রকৌশলী অধিকার দিবস উপলক্ষে বেরোবিতে মোমবাতি প্রজ্বলন

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৪:১৫:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬ ১১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

প্রকৌশলীদের ন্যায্য অধিকার, মর্যাদা এবং পেশাগত স্বীকৃতির দাবিতে ‘প্রকৌশলী অধিকার দিবস’ পালন করেছে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের শিক্ষার্থীরা। বুধবার (২৭ আগস্ট) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতা স্মারক প্রাঙ্গণে মোমবাতি প্রজ্বলন ও মৌন মিছিলের মাধ্যমে তারা এই কর্মসূচি সম্পন্ন করেন।

এই কর্মসূচির মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা প্রকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে সংহতি জানান এবং গত ২৭ আগস্ট ‘লং মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচি চলাকালে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে আহত শিক্ষার্থীদের স্মরণ করেন। আয়োজকদের ভাষ্যমতে, ওই লং মার্চ কর্মসূচিতে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনায় বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছিলেন। তাদের ত্যাগের স্মরণে ও প্রকৌশলীদের পেশাগত দাবির বিষয়টিকে সামনে আনতেই দিনটিকে প্রকৌশলী অধিকার দিবস হিসেবে পালন করা হচ্ছে।

কর্মসূচিতে ইইই বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী রাফি বলেন, প্রকৌশলীদের ন্যায্য অধিকার ও মর্যাদার দাবিকে আরও জোরালো করতে তারা সমবেত হয়েছেন। তিনি আরও বলেন, প্রকৌশলী কেবল একটি পদবি নয়, বরং তারা দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির কারিগর। বিদ্যুৎ, যোগাযোগ, শিল্প, অবকাঠামো, তথ্যপ্রযুক্তি ও জ্বালানিসহ গুরুত্বপূর্ণ প্রতিটি খাতে প্রকৌশলীদের অবদান রয়েছে, তাই তাদের অধিকার উপেক্ষা করা কাম্য নয়। তাদের এই আন্দোলন কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে নয়, বরং বৈষম্যের বিরুদ্ধে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

একই বিভাগের শিক্ষার্থী ওয়াহিদুর রহমান বলেন, গত বছর ডিপ্লোমা সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে সারা দেশের প্রকৌশল শিক্ষার্থীরা যে আন্দোলন শুরু করেছিলেন, তারই ধারাবাহিকতায় এই লং মার্চ আয়োজন করা হয়েছিল। তিনি আহত সহযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আজকের কর্মসূচির কথা তুলে ধরেন। এছাড়া মাহিন তাসদীদ নামে আরেক শিক্ষার্থী বলেন, বিএসসি পাস করা প্রকৌশলীদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই তারা যমুনা অভিমুখে লং মার্চে অংশ নিতে চেয়েছিলেন, যেখানে অনেক শিক্ষার্থী আহত হন। সেই প্রেক্ষাপটেই নিজেদের অধিকার আদায়ের লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন তারা।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

প্রকৌশলী অধিকার দিবস উপলক্ষে বেরোবিতে মোমবাতি প্রজ্বলন

আপডেট সময় : ০৪:১৫:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬

প্রকৌশলীদের ন্যায্য অধিকার, মর্যাদা এবং পেশাগত স্বীকৃতির দাবিতে ‘প্রকৌশলী অধিকার দিবস’ পালন করেছে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের শিক্ষার্থীরা। বুধবার (২৭ আগস্ট) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতা স্মারক প্রাঙ্গণে মোমবাতি প্রজ্বলন ও মৌন মিছিলের মাধ্যমে তারা এই কর্মসূচি সম্পন্ন করেন।

এই কর্মসূচির মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা প্রকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে সংহতি জানান এবং গত ২৭ আগস্ট ‘লং মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচি চলাকালে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে আহত শিক্ষার্থীদের স্মরণ করেন। আয়োজকদের ভাষ্যমতে, ওই লং মার্চ কর্মসূচিতে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনায় বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছিলেন। তাদের ত্যাগের স্মরণে ও প্রকৌশলীদের পেশাগত দাবির বিষয়টিকে সামনে আনতেই দিনটিকে প্রকৌশলী অধিকার দিবস হিসেবে পালন করা হচ্ছে।

কর্মসূচিতে ইইই বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী রাফি বলেন, প্রকৌশলীদের ন্যায্য অধিকার ও মর্যাদার দাবিকে আরও জোরালো করতে তারা সমবেত হয়েছেন। তিনি আরও বলেন, প্রকৌশলী কেবল একটি পদবি নয়, বরং তারা দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির কারিগর। বিদ্যুৎ, যোগাযোগ, শিল্প, অবকাঠামো, তথ্যপ্রযুক্তি ও জ্বালানিসহ গুরুত্বপূর্ণ প্রতিটি খাতে প্রকৌশলীদের অবদান রয়েছে, তাই তাদের অধিকার উপেক্ষা করা কাম্য নয়। তাদের এই আন্দোলন কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে নয়, বরং বৈষম্যের বিরুদ্ধে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

একই বিভাগের শিক্ষার্থী ওয়াহিদুর রহমান বলেন, গত বছর ডিপ্লোমা সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে সারা দেশের প্রকৌশল শিক্ষার্থীরা যে আন্দোলন শুরু করেছিলেন, তারই ধারাবাহিকতায় এই লং মার্চ আয়োজন করা হয়েছিল। তিনি আহত সহযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আজকের কর্মসূচির কথা তুলে ধরেন। এছাড়া মাহিন তাসদীদ নামে আরেক শিক্ষার্থী বলেন, বিএসসি পাস করা প্রকৌশলীদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই তারা যমুনা অভিমুখে লং মার্চে অংশ নিতে চেয়েছিলেন, যেখানে অনেক শিক্ষার্থী আহত হন। সেই প্রেক্ষাপটেই নিজেদের অধিকার আদায়ের লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন তারা।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin