ঢাকা ০৪:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

শখের আবেদনেই চীনের ফুল ফান্ডেড স্কলারশিপ পেলেন চবি শিক্ষার্থী শিউলী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৪৪:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) নৃবিজ্ঞান বিভাগের ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী শিউলী আক্তার সূচী চীনের মর্যাদাপূর্ণ ‘ইয়ানান বিশ্ববিদ্যালয় স্কলারশিপ’-এর আওতায় সম্পূর্ণ অর্থায়নে (ফুল ফান্ডেড) স্নাতকোত্তর করার সুযোগ পেয়েছেন। সেখানে তিনি নৃবিজ্ঞান বিষয়েই ২ থেকে ৩ বছর মেয়াদী মাস্টার্স সম্পন্ন করবেন। নিজের যোগ্যতা যাচাইয়ের জন্য শখের বশে করা এই আবেদনই তাকে এনে দিয়েছে এই অনন্য সাফল্য।

জানা গেছে, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) মাধ্যমে প্রথম এই স্কলারশিপের তথ্য জানতে পারেন শিউলী। এরপর তিনি আবেদন করেন। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মনোনীত চারজন আবেদনকারীর সাক্ষাৎকার গ্রহণ করা হয়। পরে বিশ্বজুড়ে প্রায় ২৮ থেকে ৩০টি দেশের দুই শতাধিক প্রতিযোগীর সাথে লড়াই করে চবি থেকে একমাত্র শিউলী আক্তার সূচীই এই স্কলারশিপের জন্য চূড়ান্তভাবে মনোনীত হন। আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য ইয়ানান বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ প্রতি বছর নিজস্ব অর্থায়নে এই স্কলারশিপ প্রদান করে থাকে।

নিজের এই সফলতার পেছনে একাডেমিক ভালো ফলাফল এবং গবেষণার অভিজ্ঞতা বড় ভূমিকা রেখেছে বলে জানান শিউলী। স্নাতক পর্যায়ে প্রথম বর্ষ থেকে চতুর্থ বর্ষ পর্যন্ত তিনি সিজিপিএ ৩.৫০-এর উপরে ধরে রেখেছিলেন এবং মেধা তালিকায় ব্যাচের প্রথম থেকে পঞ্চম স্থানের মধ্যে ছিলেন। উচ্চশিক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে শিউলী বলেন, “উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে যেতে হলে একাডেমিক বিষয়ে গভীর ধারণা ও ভালো সিজিপিএ থাকা অত্যন্ত জরুরি।”

পারিবারিকভাবে মায়ের শিক্ষকতা পেশা থেকে অনুপ্রেরণা পেলেও নিজের একাডেমিক পারফর্ম্যান্স ও বিভিন্ন সেমিনারের অভিজ্ঞতা শিউলীকে গবেষণার দিকে ধাবিত করে। বর্তমানে তথ্যপ্রযুক্তির যুগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা ‘আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স’ (এআই) অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে ওঠায় তিনি এআই ও সংস্কৃতির পারস্পরিক সম্পর্ক নিয়ে গবেষণা করছেন। প্রযুক্তি যেন মানুষের ওপর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে না পারে এবং মানবসত্তা যেন বজায় থাকে, তা নিয়ে কাজ করছেন তিনি। ভবিষ্যতে ইউরোপের খ্যাতনামা গবেষকদের সাথে যুক্ত হয়ে বিশ্বমানের গবেষণা করার স্বপ্ন দেখেন চবির এই প্রতিভাবান শিক্ষার্থী।

তিনি নৃবিজ্ঞান বিষয়েই সেখানে ২-৩ বছর মেয়াদী স্নাতকোত্তর (মাস্টার্স) সম্পন্ন করবেন।

বিশ্বজুড়ে প্রায় ২৮-৩০টি দেশের দুই শতাধিক প্রার্থীর সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে চবি থেকে একমাত্র শিউলী আক্তার সূচীই এই স্কলারশিপে চূড়ান্তভাবে মনোনীত হন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

শখের আবেদনেই চীনের ফুল ফান্ডেড স্কলারশিপ পেলেন চবি শিক্ষার্থী শিউলী

আপডেট সময় : ০২:৪৪:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) নৃবিজ্ঞান বিভাগের ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী শিউলী আক্তার সূচী চীনের মর্যাদাপূর্ণ ‘ইয়ানান বিশ্ববিদ্যালয় স্কলারশিপ’-এর আওতায় সম্পূর্ণ অর্থায়নে (ফুল ফান্ডেড) স্নাতকোত্তর করার সুযোগ পেয়েছেন। সেখানে তিনি নৃবিজ্ঞান বিষয়েই ২ থেকে ৩ বছর মেয়াদী মাস্টার্স সম্পন্ন করবেন। নিজের যোগ্যতা যাচাইয়ের জন্য শখের বশে করা এই আবেদনই তাকে এনে দিয়েছে এই অনন্য সাফল্য।

জানা গেছে, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) মাধ্যমে প্রথম এই স্কলারশিপের তথ্য জানতে পারেন শিউলী। এরপর তিনি আবেদন করেন। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মনোনীত চারজন আবেদনকারীর সাক্ষাৎকার গ্রহণ করা হয়। পরে বিশ্বজুড়ে প্রায় ২৮ থেকে ৩০টি দেশের দুই শতাধিক প্রতিযোগীর সাথে লড়াই করে চবি থেকে একমাত্র শিউলী আক্তার সূচীই এই স্কলারশিপের জন্য চূড়ান্তভাবে মনোনীত হন। আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য ইয়ানান বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ প্রতি বছর নিজস্ব অর্থায়নে এই স্কলারশিপ প্রদান করে থাকে।

নিজের এই সফলতার পেছনে একাডেমিক ভালো ফলাফল এবং গবেষণার অভিজ্ঞতা বড় ভূমিকা রেখেছে বলে জানান শিউলী। স্নাতক পর্যায়ে প্রথম বর্ষ থেকে চতুর্থ বর্ষ পর্যন্ত তিনি সিজিপিএ ৩.৫০-এর উপরে ধরে রেখেছিলেন এবং মেধা তালিকায় ব্যাচের প্রথম থেকে পঞ্চম স্থানের মধ্যে ছিলেন। উচ্চশিক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে শিউলী বলেন, “উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে যেতে হলে একাডেমিক বিষয়ে গভীর ধারণা ও ভালো সিজিপিএ থাকা অত্যন্ত জরুরি।”

পারিবারিকভাবে মায়ের শিক্ষকতা পেশা থেকে অনুপ্রেরণা পেলেও নিজের একাডেমিক পারফর্ম্যান্স ও বিভিন্ন সেমিনারের অভিজ্ঞতা শিউলীকে গবেষণার দিকে ধাবিত করে। বর্তমানে তথ্যপ্রযুক্তির যুগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা ‘আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স’ (এআই) অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে ওঠায় তিনি এআই ও সংস্কৃতির পারস্পরিক সম্পর্ক নিয়ে গবেষণা করছেন। প্রযুক্তি যেন মানুষের ওপর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে না পারে এবং মানবসত্তা যেন বজায় থাকে, তা নিয়ে কাজ করছেন তিনি। ভবিষ্যতে ইউরোপের খ্যাতনামা গবেষকদের সাথে যুক্ত হয়ে বিশ্বমানের গবেষণা করার স্বপ্ন দেখেন চবির এই প্রতিভাবান শিক্ষার্থী।

তিনি নৃবিজ্ঞান বিষয়েই সেখানে ২-৩ বছর মেয়াদী স্নাতকোত্তর (মাস্টার্স) সম্পন্ন করবেন।

বিশ্বজুড়ে প্রায় ২৮-৩০টি দেশের দুই শতাধিক প্রার্থীর সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে চবি থেকে একমাত্র শিউলী আক্তার সূচীই এই স্কলারশিপে চূড়ান্তভাবে মনোনীত হন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh