ঢাকা ০৭:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশপ্রেমে উজ্জীবিত হয়ে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ আইজিপির অগ্রণী ব্যাংকের ভল্ট থেকে ৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকা গায়েব, গ্রেপ্তার ২ ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয় ও বিআইডিএস-এর মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর নোয়াখালীকে সিটি করপোরেশন করার দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি ফিলিপাইনে অক্টোপাসের কবলে জেলে, প্রাণ বাঁচাতে চলল লড়াই ব্যাটারি রিকশা ও ই-বাইকের চার্জে বিদ্যুতের বিপুল চাহিদা: জ্বালানিমন্ত্রী মধ্যরাতেও ১৮ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদা, দুষলেন জ্বালানিমন্ত্রী লোডশেডিং ও গ্যাস সংকট: আপাতত অপেক্ষা ছাড়া উপায় নেই বিদ্যুৎমন্ত্রীর ময়মনসিংহে পাসপোর্ট অফিসের সামনে যুবককে কুপিয়ে হত্যা বিএনপির নতুন মহাসচিব হিসেবে আলোচনায় চার নেতার নাম

ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি চাইলেন চিফ প্রসিকিউটর

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৬:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। বুধবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ মামলার ষষ্ঠ দিনের মতো যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের সময় তিনি এই দাবি জানান। এই আবেদনের মাধ্যমে রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষ হয়েছে।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, এ ধরনের রাজনীতিবিদদের জন্ম যেন এই দেশে আর না হয়। জনগণের ম্যান্ডেটের দোহাই দিয়ে কেউ যেন ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ড করার সুযোগ না পান। তিনি আরও বলেন, মামলার আসামিরা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত অপরাধ ঠেকাতে ব্যর্থ হয়েছেন। বরং ওবায়দুল কাদের আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে অপরাধ ঠেকানোর চেষ্টা না করে সরাসরি হত্যার নির্দেশ দিয়েছেন এবং তিনি জানতেন এই নির্দেশনার ফলাফল কী হতে পারে।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান, নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ। মামলার সব আসামিই পলাতক রয়েছেন।

যুক্তিতর্কে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ব্যক্তিগত দায় আসামিদের সবার ওপরই বর্তায়। পাশাপাশি তাদের সবার বিরুদ্ধে ‘সুপিরিয়র কমান্ড রেসপনসিবিলিটি’ বা ঊর্ধ্বতন কমান্ডের দায় রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, আসামিরা হাজারো মানুষকে হত্যা এবং ৩৫ হাজারের বেশি মানুষকে গুরুতর জখম করার জন্য দায়ী। প্রসিকিউশন আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, আসামিরা কোনো ধরনের অনুকম্পা পাওয়ার যোগ্য নন এবং তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি চাইলেন চিফ প্রসিকিউটর

আপডেট সময় : ০৩:৪৬:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। বুধবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ মামলার ষষ্ঠ দিনের মতো যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের সময় তিনি এই দাবি জানান। এই আবেদনের মাধ্যমে রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষ হয়েছে।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, এ ধরনের রাজনীতিবিদদের জন্ম যেন এই দেশে আর না হয়। জনগণের ম্যান্ডেটের দোহাই দিয়ে কেউ যেন ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ড করার সুযোগ না পান। তিনি আরও বলেন, মামলার আসামিরা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত অপরাধ ঠেকাতে ব্যর্থ হয়েছেন। বরং ওবায়দুল কাদের আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে অপরাধ ঠেকানোর চেষ্টা না করে সরাসরি হত্যার নির্দেশ দিয়েছেন এবং তিনি জানতেন এই নির্দেশনার ফলাফল কী হতে পারে।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান, নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ। মামলার সব আসামিই পলাতক রয়েছেন।

যুক্তিতর্কে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ব্যক্তিগত দায় আসামিদের সবার ওপরই বর্তায়। পাশাপাশি তাদের সবার বিরুদ্ধে ‘সুপিরিয়র কমান্ড রেসপনসিবিলিটি’ বা ঊর্ধ্বতন কমান্ডের দায় রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, আসামিরা হাজারো মানুষকে হত্যা এবং ৩৫ হাজারের বেশি মানুষকে গুরুতর জখম করার জন্য দায়ী। প্রসিকিউশন আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, আসামিরা কোনো ধরনের অনুকম্পা পাওয়ার যোগ্য নন এবং তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo