ঢাকা ১১:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব ড. নূরুন্নাহার চৌধুরী মন্ত্রীকে না জানিয়ে সরকারি সফরে এপিএস, দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি অসুস্থতার ভান করে মেকআপ মেখে ৫ চাকরি, প্রতারণায় অভিযুক্ত বাংলাদেশি ২০২৭ সালের মধ্যে সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন: সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চরফ্যাশনের বৃক্ষপ্রেমী ইমাম বাবুলের সাক্ষাৎ অক্টোবরের ১৩ দিনে ১৭ হাজার ২৮১ কোটি টাকার রেমিট্যান্স কুমিল্লায় জামায়াতের দুগ্রুপের সংঘর্ষ, সেক্রেটারি মাহবুবের গাড়ি ভাঙচুর বই পড়া ও হাজার বছরের সংস্কৃতি তুলে ধরতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঘর-আশপাশ পরিষ্কারের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর শারদীয় দুর্গাপূজায় মণ্ডপের নিরাপত্তায় পুলিশের ৫ দফা পরামর্শ

হাসিনার একগুঁয়েমিতে বিরক্ত দিল্লির নীতিনির্ধারকরা, বাড়ছে কূটনৈতিক অস্বস্তি

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৭:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অগাস্ট ২০২৬ ২৮ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



চব্বিশের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর শেখ হাসিনা দিল্লিতে পৌঁছানোর পর থেকেই ভারতের প্রত্যাশা ছিল, বাংলাদেশের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগের পুনর্বাসনে ভারত তাকে সহায়তা করবে। ঐতিহাসিকভাবে আওয়ামী লীগের সঙ্গে ভারতের রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের সম্পর্ক থাকায় ভারতও তাতে খুব একটা নিমরাজি ছিল না। তবে বর্তমানে হাসিনার একগুঁয়েমিতে ভারতের কর্মকর্তারা বিরক্ত হয়ে পড়েছেন বলে জানা গেছে।

দিল্লির কর্মকর্তাদের মতে, গত দুই বছরে ভারত যেসব প্রস্তাব দিয়েছিল, হাসিনা তার কোনোটিই মানতে চাননি। উদাহরণস্বরূপ, গত ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগের কৌশল কী হওয়া উচিত, তা নিয়ে ভারতের পরামর্শ হাসিনার মনমতো হয়নি। এমনকি দলের নেতৃত্বে সামান্যতম বা সাময়িক পরিবর্তনের যে কোনো প্রস্তাবও তিনি প্রত্যাখ্যান করেছেন। হাসিনা কখনোই মেনে নিতে পারেননি যে দলের নেতৃত্ব তার বা তার পরিবারের কারো কাছ থেকে অল্প সময়ের জন্য হলেও সরে যাক।

সাধারণত বিপদে পড়া বিদেশি বন্ধুদের আশ্রয় দেওয়া ভারতের দীর্ঘদিনের নীতি, যা হাসিনার ক্ষেত্রেও অনুসরণ করা হয়েছে। অতীতে দালাই লামা বা আফগানিস্তানের সাবেক প্রেসিডেন্ট মুহাম্মদ নাজিবুল্লাহর পরিবার ভারতের সব চাওয়া-পাওয়ার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিয়েছিল। দালাই লামা ভারতের পররাষ্ট্রনীতির একটি সফল হাতিয়ার হয়ে উঠতে পারলেও হাসিনার ক্ষেত্রে তেমনটি ঘটেনি। ফলে দিল্লিতে পর্যবেক্ষকদের ধারণা, তাকে এখন আর কোনো সম্পদ বা ‘অ্যাসেট’ হিসেবে নয়, বরং একটি ‘লায়াবিলিটি ফ্যাক্টর’ বা বোঝা হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতির বাস্তবতাও হাসিনাকে নিয়ে দিল্লির অস্বস্তি বাড়িয়ে দিয়েছে। যদিও তিনি দিল্লিতে ঠিক কোথায় অবস্থান করছেন তা নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়—সম্ভবত ল্যুটিয়েন্স জোন বা শহরের অন্য কোথাও—তবে এটা নিশ্চিত যে তিনি সসম্মানেই আছেন।

প্রকাশ : ০৭ আগস্ট ২০২৬, ০০: ৪৫আপডেট : ০৭ আগস্ট ২০২৬, ০০: ৫২

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

হাসিনার একগুঁয়েমিতে বিরক্ত দিল্লির নীতিনির্ধারকরা, বাড়ছে কূটনৈতিক অস্বস্তি

আপডেট সময় : ০৪:৫৭:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অগাস্ট ২০২৬

চব্বিশের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর শেখ হাসিনা দিল্লিতে পৌঁছানোর পর থেকেই ভারতের প্রত্যাশা ছিল, বাংলাদেশের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগের পুনর্বাসনে ভারত তাকে সহায়তা করবে। ঐতিহাসিকভাবে আওয়ামী লীগের সঙ্গে ভারতের রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের সম্পর্ক থাকায় ভারতও তাতে খুব একটা নিমরাজি ছিল না। তবে বর্তমানে হাসিনার একগুঁয়েমিতে ভারতের কর্মকর্তারা বিরক্ত হয়ে পড়েছেন বলে জানা গেছে।

দিল্লির কর্মকর্তাদের মতে, গত দুই বছরে ভারত যেসব প্রস্তাব দিয়েছিল, হাসিনা তার কোনোটিই মানতে চাননি। উদাহরণস্বরূপ, গত ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগের কৌশল কী হওয়া উচিত, তা নিয়ে ভারতের পরামর্শ হাসিনার মনমতো হয়নি। এমনকি দলের নেতৃত্বে সামান্যতম বা সাময়িক পরিবর্তনের যে কোনো প্রস্তাবও তিনি প্রত্যাখ্যান করেছেন। হাসিনা কখনোই মেনে নিতে পারেননি যে দলের নেতৃত্ব তার বা তার পরিবারের কারো কাছ থেকে অল্প সময়ের জন্য হলেও সরে যাক।

সাধারণত বিপদে পড়া বিদেশি বন্ধুদের আশ্রয় দেওয়া ভারতের দীর্ঘদিনের নীতি, যা হাসিনার ক্ষেত্রেও অনুসরণ করা হয়েছে। অতীতে দালাই লামা বা আফগানিস্তানের সাবেক প্রেসিডেন্ট মুহাম্মদ নাজিবুল্লাহর পরিবার ভারতের সব চাওয়া-পাওয়ার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিয়েছিল। দালাই লামা ভারতের পররাষ্ট্রনীতির একটি সফল হাতিয়ার হয়ে উঠতে পারলেও হাসিনার ক্ষেত্রে তেমনটি ঘটেনি। ফলে দিল্লিতে পর্যবেক্ষকদের ধারণা, তাকে এখন আর কোনো সম্পদ বা ‘অ্যাসেট’ হিসেবে নয়, বরং একটি ‘লায়াবিলিটি ফ্যাক্টর’ বা বোঝা হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতির বাস্তবতাও হাসিনাকে নিয়ে দিল্লির অস্বস্তি বাড়িয়ে দিয়েছে। যদিও তিনি দিল্লিতে ঠিক কোথায় অবস্থান করছেন তা নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়—সম্ভবত ল্যুটিয়েন্স জোন বা শহরের অন্য কোথাও—তবে এটা নিশ্চিত যে তিনি সসম্মানেই আছেন।

প্রকাশ : ০৭ আগস্ট ২০২৬, ০০: ৪৫আপডেট : ০৭ আগস্ট ২০২৬, ০০: ৫২

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh