ঢাকা ১২:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সৌদিতে হামলার প্রভাবে ঢাকা থেকে ১০০ ফ্লাইট বাতিল বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব ড. নূরুন্নাহার চৌধুরী মন্ত্রীকে না জানিয়ে সরকারি সফরে এপিএস, দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি অসুস্থতার ভান করে মেকআপ মেখে ৫ চাকরি, প্রতারণায় অভিযুক্ত বাংলাদেশি ২০২৭ সালের মধ্যে সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন: সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চরফ্যাশনের বৃক্ষপ্রেমী ইমাম বাবুলের সাক্ষাৎ অক্টোবরের ১৩ দিনে ১৭ হাজার ২৮১ কোটি টাকার রেমিট্যান্স কুমিল্লায় জামায়াতের দুগ্রুপের সংঘর্ষ, সেক্রেটারি মাহবুবের গাড়ি ভাঙচুর বই পড়া ও হাজার বছরের সংস্কৃতি তুলে ধরতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঘর-আশপাশ পরিষ্কারের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

অসুস্থতার ভান করে মেকআপ মেখে ৫ চাকরি, প্রতারণায় অভিযুক্ত বাংলাদেশি

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১১:৪১:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



যুক্তরাজ্যের পূর্ব লন্ডনের বাসিন্দা ৫৫ বছর বয়সী বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কাশিম চৌধুরীর বিরুদ্ধে একসঙ্গে পাঁচটি সরকারি চাকরি করার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিনি এসব চাকরি থেকে প্রায় ৩ লাখ ৫০ হাজার পাউন্ড আয় করেছেন, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় কয়েক কোটি টাকার সমপরিমাণ। বর্তমানে লন্ডনের সাউথওয়ার্ক ক্রাউন কোর্টে তার বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগে মামলা চলছে। তবে অভিযুক্ত কাশিম চৌধুরী তার বিরুদ্ধে আনা নয়টি অভিযোগই অস্বীকার করেছেন।

বিবিসির প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যে, কাশিম চৌধুরী অসুস্থতার অভিনয় করতে মুখে সাদা মেকআপ ব্যবহার করতেন। ২০২৩ সালে যুক্তরাজ্যের হেলথ সিকিউরিটি এজেন্সিতে কর্মরত থাকা অবস্থায় তিনি অসুস্থতাজনিত ছুটি চেয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা আলিশা অ্যাডামসের সঙ্গে একটি ভিডিও বৈঠকে বসেন। অভিযোগ অনুযায়ী, সেই বৈঠকে কাশিমের মুখে সাদা মেকআপ ছিল যাতে তাকে অসুস্থ দেখায়। কিন্তু কথা বলার একপর্যায়ে কপালের মেকআপ খসে পড়তে শুরু করলে তার প্রকৃত ত্বক দৃশ্যমান হয়ে ওঠে। মামলার কৌঁসুলি লুসি অর্গান আদালতে জানান, ভিডিও বৈঠকে অসুস্থতার এই অভিনয় কাশিমের প্রতারণার বিষয়টি স্পষ্ট করে তোলে।

তদন্তে জানা গেছে, করোনা মহামারির সময় বাড়িতে বসে কাজের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে কাশিম চৌধুরী এই প্রতারণা শুরু করেন। অসুস্থ মায়ের দেখাশোনা করার অজুহাত দেখিয়ে তিনি বাড়ি থেকে কাজের অনুমতি নেন। তিনি টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিল, যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পরিবেশ, খাদ্য ও গ্রামীণ বিষয়ক বিভাগ (ডেফরা), হেলথ সিকিউরিটি এজেন্সি এবং স্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা বিভাগে একসঙ্গে চাকরি করতেন। বিভিন্ন চাকরির আবেদনের সময় তিনি নিজের কর্মসংস্থান ও শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে মিথ্যা তথ্য দিয়েছিলেন।

মামলার কৌঁসুলিরা দাবি করেছেন, উদ্বেগ ও বিষণ্নতার অজুহাতে কয়েকটি চাকরিতে তিনি অসুস্থতাজনিত ছুটি নিলেও সব অফিসে চিকিৎসকের সনদ জমা দেননি। একাধিক চাকরির কাজের চাপ সামলাতে গিয়ে তিনি ভুল করতে শুরু করলে বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে আসে। পরবর্তীতে যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল ফ্রড ইনিশিয়েটিভের মাধ্যমে প্রতারণার বিষয়টি শনাক্ত হয় এবং ডেফরার নজরে আসলে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

অসুস্থতার ভান করে মেকআপ মেখে ৫ চাকরি, প্রতারণায় অভিযুক্ত বাংলাদেশি

আপডেট সময় : ১১:৪১:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

যুক্তরাজ্যের পূর্ব লন্ডনের বাসিন্দা ৫৫ বছর বয়সী বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কাশিম চৌধুরীর বিরুদ্ধে একসঙ্গে পাঁচটি সরকারি চাকরি করার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিনি এসব চাকরি থেকে প্রায় ৩ লাখ ৫০ হাজার পাউন্ড আয় করেছেন, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় কয়েক কোটি টাকার সমপরিমাণ। বর্তমানে লন্ডনের সাউথওয়ার্ক ক্রাউন কোর্টে তার বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগে মামলা চলছে। তবে অভিযুক্ত কাশিম চৌধুরী তার বিরুদ্ধে আনা নয়টি অভিযোগই অস্বীকার করেছেন।

বিবিসির প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যে, কাশিম চৌধুরী অসুস্থতার অভিনয় করতে মুখে সাদা মেকআপ ব্যবহার করতেন। ২০২৩ সালে যুক্তরাজ্যের হেলথ সিকিউরিটি এজেন্সিতে কর্মরত থাকা অবস্থায় তিনি অসুস্থতাজনিত ছুটি চেয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা আলিশা অ্যাডামসের সঙ্গে একটি ভিডিও বৈঠকে বসেন। অভিযোগ অনুযায়ী, সেই বৈঠকে কাশিমের মুখে সাদা মেকআপ ছিল যাতে তাকে অসুস্থ দেখায়। কিন্তু কথা বলার একপর্যায়ে কপালের মেকআপ খসে পড়তে শুরু করলে তার প্রকৃত ত্বক দৃশ্যমান হয়ে ওঠে। মামলার কৌঁসুলি লুসি অর্গান আদালতে জানান, ভিডিও বৈঠকে অসুস্থতার এই অভিনয় কাশিমের প্রতারণার বিষয়টি স্পষ্ট করে তোলে।

তদন্তে জানা গেছে, করোনা মহামারির সময় বাড়িতে বসে কাজের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে কাশিম চৌধুরী এই প্রতারণা শুরু করেন। অসুস্থ মায়ের দেখাশোনা করার অজুহাত দেখিয়ে তিনি বাড়ি থেকে কাজের অনুমতি নেন। তিনি টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিল, যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পরিবেশ, খাদ্য ও গ্রামীণ বিষয়ক বিভাগ (ডেফরা), হেলথ সিকিউরিটি এজেন্সি এবং স্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা বিভাগে একসঙ্গে চাকরি করতেন। বিভিন্ন চাকরির আবেদনের সময় তিনি নিজের কর্মসংস্থান ও শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে মিথ্যা তথ্য দিয়েছিলেন।

মামলার কৌঁসুলিরা দাবি করেছেন, উদ্বেগ ও বিষণ্নতার অজুহাতে কয়েকটি চাকরিতে তিনি অসুস্থতাজনিত ছুটি নিলেও সব অফিসে চিকিৎসকের সনদ জমা দেননি। একাধিক চাকরির কাজের চাপ সামলাতে গিয়ে তিনি ভুল করতে শুরু করলে বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে আসে। পরবর্তীতে যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল ফ্রড ইনিশিয়েটিভের মাধ্যমে প্রতারণার বিষয়টি শনাক্ত হয় এবং ডেফরার নজরে আসলে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin