ঢাকা ০৩:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আইনের শাসন ও স্থিতিশীলতায় বিএনপি বিশ্বাসী: রুহুল কবির রিজভী যুক্তরাজ্যে ভুয়া আশ্রয় আবেদনের অভিযোগে বাংলাদেশিসহ গ্রেপ্তার ৩ দুর্গাপূজার নিরাপত্তা নিশ্চিতে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের মতবিনিময় তাজমিন হত্যা: রাজুকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে কক্সবাজারেই রেখে ফিরল কুমিল্লা ডিবি নাগরিক হিসেবে সবার অধিকার নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর সরকার: প্রধানমন্ত্রী দুই কোটির বেশি মূল্যের বিএমডব্লিউ গাড়ি কিনলেন রণবীর সিং ৬০ বছরের রেকর্ডে লিটন, কাল বড় বিশ্বরেকর্ডের হাতছানি নিজ দপ্তরে ১২ ঘণ্টা অবরুদ্ধ চুয়েটের উপাচার্য, বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন ৬ বছরের বিরতি ভেঙে ওটিটি সিরিজে ফিরছেন বিপাশা বসু মক্কা-মদিনার নিরাপত্তা নিয়ে শামা ওবায়েদ: বাংলাদেশ বসে থাকবে না

সিলেটে চায়ের দোকানে এইচএসসির খাতা মূল্যায়ন, শিক্ষক আটক

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৩:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬ ২৬ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক-সংলগ্ন একটি চায়ের দোকানে বসে উচ্চমাধ্যমিক (এইচএসসি) পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়ন করছিলেন মেট্রোসিটি উইমেন্স কলেজের প্রভাষক ইকবাল হোসেন (সোহান)। তিনি সিলেট মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের একজন পরীক্ষক। গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা ওই দোকানে অভিযান চালিয়ে তাঁকে হাতেনাতে আটক করেন এবং তাঁর কাছ থেকে ৪০০টি উত্তরপত্র জব্দ করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে, রাত সাড়ে ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে ফজলুল হকের চায়ের দোকানে বসে ইকবাল হোসেন খাতা দেখছিলেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সহসভাপতি আইরিন লিনজাসহ দুজন বন্ধু খাতা মূল্যায়নে সহায়তা করছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। দোকানে তখন এক বস্তা খাতা ছিল। দোকানদার ফজলুল হক জানিয়েছেন, ওই পরীক্ষক ও তাঁর সহপাঠীরা নিয়মিতই চা পান ও আড্ডা দিতে দোকানে আসতেন এবং শুক্রবার রাতেও তাঁরা একই কাজ করেছিলেন।

ঘটনার বিষয়ে শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক বিলকিস ইয়াসমিন প্রথম আলোকে বলেন, খবর পেয়ে তাঁরা রাতে দোকানে গিয়ে খাতা দেখা অবস্থায় ওই পরীক্ষককে ধরেন। বর্তমানে তিনি শিক্ষা বোর্ডের হেফাজতে আছেন এবং তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিষয়টি নিশ্চিত করে সিলেটের জালালাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামসুল হাবিব জানান, অভিযোগের প্রেক্ষিতে শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা শিক্ষককে থানায় নিয়ে এসেছিলেন। থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার পর তাঁকে তাঁরা নিজেরাই নিজেদের হেফাজতে নিয়ে যান।

অভিযুক্ত পরীক্ষক ইকবাল হোসেন শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। ঘটনার পর অভিযুক্তের বন্ধু আইরিন লিনজা সাংবাদিকদের বলেন, তিনি কেবল ইকবালের সঙ্গে ছিলেন এবং খাতা মূল্যায়নের সঙ্গে তাঁর কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। অভিযুক্ত শিক্ষক ইকবালের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

সিলেটে চায়ের দোকানে এইচএসসির খাতা মূল্যায়ন, শিক্ষক আটক

আপডেট সময় : ০৪:৩৩:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬

সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক-সংলগ্ন একটি চায়ের দোকানে বসে উচ্চমাধ্যমিক (এইচএসসি) পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়ন করছিলেন মেট্রোসিটি উইমেন্স কলেজের প্রভাষক ইকবাল হোসেন (সোহান)। তিনি সিলেট মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের একজন পরীক্ষক। গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা ওই দোকানে অভিযান চালিয়ে তাঁকে হাতেনাতে আটক করেন এবং তাঁর কাছ থেকে ৪০০টি উত্তরপত্র জব্দ করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে, রাত সাড়ে ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে ফজলুল হকের চায়ের দোকানে বসে ইকবাল হোসেন খাতা দেখছিলেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সহসভাপতি আইরিন লিনজাসহ দুজন বন্ধু খাতা মূল্যায়নে সহায়তা করছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। দোকানে তখন এক বস্তা খাতা ছিল। দোকানদার ফজলুল হক জানিয়েছেন, ওই পরীক্ষক ও তাঁর সহপাঠীরা নিয়মিতই চা পান ও আড্ডা দিতে দোকানে আসতেন এবং শুক্রবার রাতেও তাঁরা একই কাজ করেছিলেন।

ঘটনার বিষয়ে শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক বিলকিস ইয়াসমিন প্রথম আলোকে বলেন, খবর পেয়ে তাঁরা রাতে দোকানে গিয়ে খাতা দেখা অবস্থায় ওই পরীক্ষককে ধরেন। বর্তমানে তিনি শিক্ষা বোর্ডের হেফাজতে আছেন এবং তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিষয়টি নিশ্চিত করে সিলেটের জালালাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামসুল হাবিব জানান, অভিযোগের প্রেক্ষিতে শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা শিক্ষককে থানায় নিয়ে এসেছিলেন। থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার পর তাঁকে তাঁরা নিজেরাই নিজেদের হেফাজতে নিয়ে যান।

অভিযুক্ত পরীক্ষক ইকবাল হোসেন শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। ঘটনার পর অভিযুক্তের বন্ধু আইরিন লিনজা সাংবাদিকদের বলেন, তিনি কেবল ইকবালের সঙ্গে ছিলেন এবং খাতা মূল্যায়নের সঙ্গে তাঁর কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। অভিযুক্ত শিক্ষক ইকবালের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo